সরকার থাকে কোথায়? আসতে চাঁদা যাইতে চাঁদা।জামায়াতে ইসলামীর নায়েবে আমির ও রংপুর-২ আসনের সংসদ সদস্য এটিএম আজহারুল ইসলাম বলেছেন, ঈদের সময় জিনিসপত্রের দাম বাড়ে, কিন্তু এখন বাড়ছে কেন? আসতে চাঁদা যাইতে চাঁদা।
এই চাঁদাবাজি বন্ধ করা গেলে নিত্যপ্রয়োজনীয় জিনিসপত্রের দাম কমে যাবে।মঙ্গলবার (১৫ সেপ্টেম্বর) সকালে সিরাজগঞ্জের হাটিকুমরুল মোড়ে একটি অভিজাত রেস্টুরেন্টের হলরুমে গণভোটের রায় বাস্তবায়নসহ আট দফা দাবিতে ১৯ মার্চে ঢাকা-রংপুর লংমার্চ কর্মসূচি ঘোষণাকালে তিনি এসব কথা বলেন।তিনি বলেন, সার গুদামে আছে, কৃষক পাচ্ছে না। অথচ পতিত সরকারের নেতার বাসায় সার।
সরকার থাকে কোথায়? ১৪-১৬ বছরে গোয়েন্দা বাহিনী কোথায় কী বৈঠক করে সেটা খুঁজে বের করতে পারে। সেই বাহিনী এখন করতে পারে না কেন? নাকি তাদের করতে দেওয়া হয় না।এটিএম আজহারুল বলেন, বিএনপি গণভোটের শপথ না নিয়ে এবং গণভোটের রায় বাস্তবায়ন না করে জনগণের সঙ্গে প্রতারণা করছে। সংসদে বার বার আমরা জনগণের গণরায় বাস্তবায়নের দাবি জানিয়েছে, ওয়াক আউট করেছি।
সরকার তা আমলে নিচ্ছে না। বাধ্য হয়ে আমরা রাস্তায় নেমেছি।জামায়াতে ইসলামী বিগত ১৬ বছরে সবচেয়ে বেশি নির্যাতিত দল উল্লেখ করে বলেন, আমাদের একাধিক শীর্ষ নেতাকে ফাঁসি দিয়ে ও কারাগারে হত্যা করা হয়েছে। পতনের দুদিন আগে আমাদের নিষিদ্ধ করা হয়। কিন্তু তাদেরকেই দেশ ছেড়ে পালাতে হয়েছে।
তারা নাকি স্বাধীনতার স্বপক্ষ শক্তি।সংবাদ সম্মেলনে আরও উপস্থিত ছিলেন, সংসদের বিরোধী দলীয় হুইপ ও জামায়াতে ইসলামীর সহকারী সেক্রেটারি জেনারেল মাওলানা রফিকুল ইসলাম খান, কেন্দ্রীয় কর্মপরিষদ সদস্য ও বগুড়া মহানগরী আমির আবিদুর রহমান সোহেল, সিরাজগঞ্জ জেলা আমির ও কেন্দ্রীয় মজলিশে শুরা সদস্য মাওলানা শাহিনুর আলম, সিরাজগঞ্জ জেলা সেক্রেটারি জেনারেল মুহাম্মদ জাহিদুল ইসলাম, পাবনা জেলা নায়েবে আমির প্রিন্সিপাল ইকবাল হোসেন, বাংলাদেশ খেলাফত মজলিস, সিরাজগঞ্জ জেলা আমির মুফতি আব্দুর রউফ, এনসিপি সিরাজগঞ্জ জেলার সদস্য সচিব আব্দুল্লাহ আল মামুনসহ অন্যান্য নেতারা।