raising sylhet
ঢাকাবৃহস্পতিবার , ১৩ জুন ২০২৪
  • অন্যান্য
  1. অর্থনীতি
  2. আদালত
  3. আন্তর্জাতিক
  4. আরো
  5. খেলার খবর
  6. গণমাধ্যম
  7. চাকরির খবর
  8. জাতীয়
  9. দেশের খবর
  10. ধর্ম পাতা
  11. পরিবেশ
  12. প্রবাস
  13. প্রেস বিজ্ঞপ্তি
  14. বিজ্ঞান প্রযুক্তি
  15. বিনোদন
আজকের সর্বশেষ সবখবর

সিলেটে বিভিন্ন অ প রা ধ কা ণ্ড সংঘটিত হলে উচ্চারিত হয় ছাত্রলীগের নাম!

rising sylhet
rising sylhet
জুন ১৩, ২০২৪ ৮:৩৪ অপরাহ্ণ
Link Copied!

সিলেটে বিভিন্ন অপরাধকাণ্ড সংঘটিত হলে উচ্চারিত হয় ছাত্রলীগের নাম। সম্প্রতি ঘন ঘন নানান অভিযোগ উঠছে স্বাধীনতা-সংগ্রামের সময় অনন্য ভূমিকা পালনকারী এই ছাত্রসংগঠনের বিরুদ্ধে।

সিলেটে বর্তমানে চোরাচালান, চাঁদাবাজি, নিজেদের মধ্যে মারামারি, ছিনতাই ও কিশোরং গ্যাং নিয়ন্ত্রণে ছাত্রলীগ বেশি জড়িত বলে গুঞ্জন রয়েছে। যদিও এসব অভিযোগ মিথ্যা বলে দাবি সিলেট ছাত্রলীগের শীর্ষ নেতাদের। আর কেন্দ্র বলছে- এসব ব্যাপারে খোঁজ-খবর নিয়ে সত্যতা পেলে সাংগঠনিক ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।

ছিনতাই : সিলেটে বিভিন্ন সময় ছিনতাইকাণ্ডে উঠে আসে ছাত্রলীগের নাম। গত ৮ জুন সিলেটের বিয়ানীবাজার উপজেলায় সরকারিভাবে নিলামকৃত ২৪ লাখ টাকার চিনি ছিনতাইয়ের চাঞ্চল্যকর ঘটনা ঘটে। এ ঘটনায় ৪ দিন পর ছাত্রলীগ কর্মীসহ ১১ জনের নামে মামলা দায়ের করা হয়েছে। এর মধ্যে গ্রেফতার করা হয়েছে ২ জনকে। উদ্ধার করা হয়েছে ৮০ বস্তা চিনিসহ ভ্যান।

পুলিশ জানায়, ছিনতাই ঘটনার পর অভিযান চালিয়ে ৮০ বস্তা চিনি, একটি পিকআপ জব্দ ও এজাহারনামীয় দুই আসামিকে গ্রেফতার করা হয়েছে।

গ্রেফতারকৃতরা হলেন- কিশোরগঞ্জ জেলার মিঠামইন থানার হোসাইনপুর গ্রামের (বর্তমানে পৌরশহরের দাসগ্রাম লিচুটিলা ছাত্তার মিয়ার বাড়ির ভাড়াটিয়া) মো. খলিল মিয়ার ছেলে মো. লিটন মিয়া (২৬) ও মৌলভীবাজার জেলার বড়লেখা শাহবাজপুর এলাকার বোবারতল গ্রামের (বর্তমানে সুপাতলা) মোস্তফা উদ্দিনের ছেলে হাসান (২১)। এর মধ্যে লিটন পেশাদার অপরাধী। তার বিরুদ্ধে বিয়ানীবাজার থানায় ডাকাতির আরও মামলা আছে।

চিনির চালানের মালিক বদরুল ইসলামের ব্যবসায়িক পার্টনার নজরুল ইসলাম বাদী হয়ে দায়ের করা মামলার আসামিরা হচ্ছেন- বিয়ানীবাজারের ছোটদেশ ছুটিয়াংয়ের ইসলাম উদ্দিনের ছেলে ছাত্রলীগ কর্মী তারেক আহমদ, খাসাড়িপাড়ার নুরুল ইসলামের ছেলে ছাত্রলীগ কর্মী রাসেল আহমদ, শ্রীধরার মুজিবুর রহমানের ছেলে স্যানেটারি মিস্ত্রি বক্কর, একই গ্রামের আনছার আলীর ছেলে দিনমজুর আনু ও আজির উদ্দিনের ছেলে সবজি ব্যবসায়ী ছাদিক আহমদ, বিয়ানীবাজার পৌর শহরের দাসগ্রাম লিচুটিলা ছাত্তার মিয়ার বাড়ির ভাড়াটিয়া মো. খলিল মিয়ার ছেলে ছাত্রলীগকর্মী মো. লিটন মিয়া, মৌলভীবাজার জেলার বড়লেখা শাহবাজপুর এলাকার বোবারতল গ্রামের মোস্তফা উদ্দিনের ছেলে ছাত্রলীগ ক্যাডার হাসান, নবাং গ্রামের শরফ উদ্দিনের ছেলে ছাত্রলীগ কর্মী জিবান, বিয়ানীবাজারের সুপাতলার নছরুল্লাহর ছেলে উপজেলা ছাত্রলীগের সহ-সভাপতি শফিউল্লাহ সাগর, খাসাড়িপাড়া গ্রামের ফারুক আহমদের ছেলে ছাত্রলীগ কর্মী ফাহাদ আহমদ, চারখাই জালালনগরের হেলাল মিয়ার ছেলে সিলেট মহানগর ছাত্রলীগ কর্মী হাসান আহমদ। এছাড়া অজ্ঞাতনামা ৭-৮ জনকে আসামি করা হয়েছে।

এছাড়া সর্বশেষ সোমবার (১০ মে) সিলেটে গরুবাহী ট্রাক ছিনতাইচেষ্টার অভিযোগে ছাত্রলীগ নেতাসহ দুজনকে গ্রেপ্তার করা হয়। সোমবার রাতে এয়ারপোর্ট থানাধীন লাক্কাতুরা ট্রাকস্ট্যান্ড এলাকা থেকে তাদের গ্রেপ্তার করা হয়। এই সময় তাদের কাছ থেকে একটি মোটরসাইকেল ও একটি চাকু জব্দ করা হয়।

গ্রেপ্তার দুজন হলেন- সিলেটের পশ্চিম পীর মহল্লা এলাকার বাসিন্দা ও এয়ারপোর্ট থানা ছাত্রলীগের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক তোফাজ্জুল হোসেন (২১) এবং একই এলাকার মো. উমর ফারুক (২০)।

জানা গেছে, সোমবার বিকেলে সিলেটের কোম্পানীগঞ্জ উপজেলা থেকে সুয়াইবুর রহমান নামের এক ব্যক্তি তিনটি গরু কিনে ট্রাকচালক সোলেমান আহমদকে নিয়ে সিলেটের দিকে যাচ্ছিলেন। এ সময় তাঁদের সঙ্গে গরুর রাখাল জাহাঙ্গীর আলমও ছিলেন। রাত ১০টার দিকে ট্রাকটি সিলেট-বিমানবন্দর সড়কে পৌঁছালে চারটি মোটরসাইকেল নিয়ে আসা কয়েকজন যুবক অস্ত্র দেখিয়ে ট্রাক থামানোর জন্য বলেন। কিন্তু ট্রাকচালক না থামিয়ে সিলেটের দিকে এগোতে থাকেন। একপর্যায়ে ট্রাকচালক লাক্কাতুরা ট্রাকস্ট্যান্ড এলাকায় পৌঁছালে চারটি মোটরসাইকেল সামনে ও পেছনে ঘিরে ধরে।

একপর্যায়ে মোটরসাইকেল আরোহীরা অস্ত্রের ভয় দেখিয়ে গরুর ট্রাকগুলো ছিনিয়ে নেওয়ার চেষ্টা করেস। এ সময় ট্রাকচালকসহ অন্যরা চিৎকার করলে আশপাশের লোকজন এগিয়ে গিয়ে মোটরসাইকেলসহ তোফাজ্জুল হোসেনকে মোটরসাইকেলসহ আটক করেন। একপর্যায়ে অন্যরা তিনটি মোটরসাইকেলে সিলেটের দিকে পালিয়ে যান। পরে আটক ব্যক্তিকে পুলিশের হাতে তুলে দেন ট্রাকচালকসহ অন্যরা। পরে রাতে অভিযান চালিয়ে লাক্কাতুরা এলাকা থেকে উমর ফারুককে গ্রেপ্তার করে। এ সময় তাঁর কাছ থেকে চাকু জব্দ করা হয়।

এ ঘটনায় সোমবার রাতে সিলেট জেলা ট্রাক পিকআপ কাভার্ড ভ্যান শ্রমিক ইউনিয়নের সাধারণ সম্পাদক আবদুল গফুর বাদী হয়ে তিনজনের নাম উল্লেখ করে অজ্ঞাতনামা আরও কয়েকজনের বিরুদ্ধে মামলা করেন।

চিনি চোরাচালান : সিলেট জেলার সীমান্ত দিয়ে হু হু করে ঢুকছে ভারতীয় অবৈধ চিনির চালান। প্রতিদিনই গোয়াইনঘাট, কোম্পানীগঞ্জ, কানাইঘাট, জৈন্তাপুর, জকিগঞ্জ ও বিয়ানীবাজার উপজেলা সীমান্ত দিয়ে প্রবেশ করে চোরাই চিনি।

গত ৬ জুন সিলেটে ধরা পড়ে এ পর্যন্ত আসা ভারতীয় চিনির সবচেয়ে বড় অবৈধ চালান। ওই দিন ভোরে জালালাবাদ থানাধীন ২নং হাটখোলা ইউনিয়নের উমাইরগাঁওয়ের ভাদেশ্বর সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের সামনের সড়ক থেকে পুলিশ ১৪টি ট্রাক ভর্তি দেড় কোটিরও বেশি টাকার ২ হাজার ১১৪ বস্তা ভারতীয় চিনি জব্দ করে। তবে এ কাণ্ডে যুবলীগ জড়িত বলে অভিযোগ উঠে। অভিযানের সময় জব্দ করা প্রাইভেটকারটি ছিলো যুবলীগ নেতার। তবে বেশিরভাগ সময় চিনি চোরাচালানের ঘটনায় সিলেট ছাত্রলীগের শীর্ষ নেতারা জড়িত বলে অভিযোগ উঠে।

চোরাচালানের চিনি পাইকারি বাজারে পৌঁছে দিতে ছাত্রলীগের একদল নেতাকর্মী সহায়তা করার অভিযোগ নিয়ে ফেসবুকে লেখালেখি করায় গত বছরের ১০ আগস্ট রাতে নিজ বাসায় হামলার শিকার হন ছাত্রলীগের সাবেক কার্যনির্বাহী কমিটির সদস্য এবং সিলেট জেলা ও দায়রা জজ আদালতের এপিপি অ্যাডভোকেট প্রবাল চৌধুরী। সিলেট জেলা ও মহানগর ছাত্রলীগের নেতাকর্মীরা তার বাসভবনে হামলা চালিয়ে ব্যাপক ভাঙচুর করেন। তিনি গুলিতে আহত হন। এ ঘটনায় মামলা করেন তিনি। মামলাটি তদন্তাধীন।

সিলেটের ব্যবসায়ীদের অভিযোগ- ছাত্রলীগের কয়েকটি গ্রুপ এ প্রক্রিয়ায় যুক্ত। সিলেট সীমান্তের বিভিন্ন চোরাই পথ দিয়ে আসা ভারতীয় চিনিসহ নানা পণ্য একটি গ্রুপ মোটরসাইকেল পাহারায় মহানগর এলাকায় পৌঁছে দেন। পরে আরেক গ্রুপ এসব পণ্য পাহারা দিয়ে নগরের নির্দিষ্ট স্থানে পৌঁছে দেন। এজন্য ছাত্রলীগের একেকটি গ্রুপ ট্রাকপ্রতি ৫ থেকে ১০ হাজার টাকা পায়।

সিলেট মহানগরের বিভিন্ন স্থানে বেড়েছে কিশোরং গ্যাংয়ের দৌরাত্ম্য। এসব কিশোর গ্রুপকে ছাত্রলীগ নিয়ন্ত্রণ করে বলে অভিযোগ রয়েছে। এসব গ্যাংয়ের সদস্যরা চুরি, ছিনতাই, মারামারি এমনকি খুনোখুনিতেও জড়িত হচ্ছে। অনেক সময় প্রতিবাদ করতে গেলে করুণ দশা হয় সাধারণ মানুষের।

চাঁদাবাজি : সিলেটে অনেক সময় ছাত্রলীগ চাঁদাবাজি করছে বলেও অভিযোগ উঠে। সর্বশেষ বুধবার (১২ জুন) সিলেটে সংবাদ সম্মেলন করে এমন একটি অভিযোগ করেন মো. জিলু হক তাজ নামের এক যুক্তরাজ্য প্রবাসী। তিনি বলেন- কয়েক মাস আগে চৌকিদেখীর রংধনু আবাসিক এলাকার ৪৩/১ নং বাসাটি (দুতলা) ১৫ শতক ভূমিসহ ক্রয় করেন তিনি। বাসার মালিক যুক্তরাজ্য প্রবাসী আমিরুন বেগম পাওয়ার অব অ্যাটর্নির মাধ্যমে এ জমি ও বাসা বিক্রি করেন। পত্রিকায় আইনগত বিজ্ঞপ্তি প্রকাশসহ সকল আইনি প্রক্রিয়া সম্পন্ন করে বাসাটি ক্রয় করেন তাজ। চলতি বছরের ৯ এপ্রিল সিলেট সদর সাব-রেজিস্টারি অফিসে ক্রয়-বিক্রয়ের সাব-কাবালা দলিল সম্পন্ন হয়। ক্রয়ের পর তিনি ওই বাসায় বসবাস শুরু করেন। এ সময় কতিপয় সন্ত্রাসী তাজের কাছে মোটা অংকের চাঁদা দাবি করে। চাঁদা না দিলে বাসা ছেড়ে দিতে বলে তারা। তা না হলে তাজকে প্রাণে মেরে ফেলারও হুমকি দেওয়া হয়। এসময় সন্ত্রাসী ও চাঁদাবাজরা নিজেদের ছাত্রলীগ নেতাকর্মী বলে পরিচয় দেয়। কিন্তু প্রবাসী তাজ চাঁদা দিতে রাজি না হওয়ায় এক পর্যায়ে তাদেরকে বাসার চাবি দিয়ে দেওয়ার জন্য চাপ দিতে থাকে। সরাসরি ছাড়াও মুঠোফোনে তাজের কাছে চাঁদা বা বাসার চাবি দাবি করে ছাত্রলীগ নামধারীরা। মুঠোফোনে প্রবাসীকে অকথ্য ভাষায় গালাগাল এবং প্রাণনাশের হুমকি দেওয়া হয়। এ বিষয়ে তাজ গত ৭ জুন সিলেট এয়ারপোর্ট থানায় জিডি করেছেন।

সিলেটে আধিপত্য বিস্তারকে কেন্দ্র করে নিজেদের মধ্যে প্রায়ই সংঘর্ষে জড়িয়ে পড়ে ছাত্রলীগ। গত ২০ মে রাতে জেলা ছাত্রলীগের সাধারণ সম্পাদক রাহেল সিরাজ ও মহানগর ছাত্রলীগের সাধারণ সম্পাদক নাইম আহমদের গ্রুপের মধ্যে আধিপত্য বিস্তার নিয়ে দফায় দফায় সংঘর্ষ হয়। এসময় তিনটি মোটরসাইকেল পোড়ানো হয় ও দু’জন আহত হন।

জানা যায়, ঘটনার আগে সিলেট মহানগর ছাত্রলীগের সাধারণ সম্পাদক নাঈম আহমদ গ্রুপ ও জেলা ছাত্রলীগের সাধারণ সম্পাদক রাহেল সিরাজ গ্রুপের মধ্যে আধিপত্য বিস্তার নিয়ে উত্তেজনা চলছিল। এরই জের ধরে ওই দিন রাত ৮টার দিকে সুবিদবাজার এলাকায় দুপক্ষের মাঝে উত্তেজনা দেখা দেয়। নগরের আম্বরখানা হাউজিং এস্টেট ২ নং রোডে নাঈম আহমদ গ্রুপের কয়েকজন কর্মী-সমর্থক রাহেল সিরাজ গ্রুপের কর্মী ইসফাক নূরের গাড়িতে হামলা চালায়। এ সময় দুপক্ষের মাঝে সংঘর্ষ বাঁধে এবং সেটি জিন্দাবাজার এলাকার দাড়িয়াপাড়া পর্যন্ত ছড়িয়ে পড়ে। সেখানে ধাওয়া-পাল্টা ধাওয়া হয়। ওই সময় এক কর্মী ছুরিকাহত হন বলে জানা গেছে। তাকে হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে। রাত ১০টার দিকে দুই পক্ষের উত্তেজনা ও ধাওয়া-পাল্টা ধাওয়ার সময় দাঁড়িয়াপাড়ায় রাহেল সিরাজের কর্মীরা নাইম গ্রুপের তিনটি মোটরসাইকেলে আগুন ধরিয়ে দেয়। খবর পেয়ে ফায়ার সার্ভিসের কর্মীরা এসে আগুন নিয়ন্ত্রণের আগেই তা ভস্মীভূত হয়ে পড়ে।

এসব অভিযোগের বিষয়ে জানতে জেলা ছাত্রলীগের সাধারণ সম্পাদক হিসেবে রাহেল সিরাজের মুঠোফোনে একাধিকবার কল দিলেও তিনি রিসিভ করেননি।

তবে মহানগর ছাত্রলীগের সাধারণ সম্পাদক নাইম আহমদ বৃহস্পতিবার (১৩ জুন) বিকালে ফোন-কল রিসিভ করে বলেন- আমরা সবাই (সিলেট ছাত্রলীগের শীর্ষ ৪ নেতা) ঢাকায় আছি। একটু পরে একসঙ্গে সিলেটের উদ্দেশ্যে রওয়ানা দেবো।

তিনি বলেন- সিলেট ছাত্রলীগের নেতাকর্মীরা কোনো অপরাধমূলক কাজে সঙ্গে জড়িত নয়। সব অভিযোগ মিথ্যা। এপিপি অ্যাডভোকেট প্রবাল চৌধুরীর বাসায় আমরা হামলা করেছি বলে পুলিশ প্রমাণ পায়নি। আমাদের নিজেদের মধ্যেও কোনো বিরোধ নেই। আমাদের একতার জন্যই সিলেটে আর কোনো রাজনৈতিক দলের ছাত্রসংগঠনে তৎপরতা নেই।

কেন্দ্রীয় ছাত্রলীগের সাধারণ সম্পাদক শেখ ওয়ালী আসিফ ইনান বলেন- অভিযোগগুলোর বিষয়ে আমরা অবগত নই। তবে আমরা খোঁজ নিবো এবং অভিযোগের সত্যতা পেলে সাংগঠনিক ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।

উল্লেখ্য, ২০২০ সালের ২৫ সেপ্টেম্বর সন্ধ্যায় সিলেটের এমসি কলেজ ছাত্রাবাসে স্বামীর সঙ্গে ঘুরতে যাওয়া এক নারীকে সংঘবদ্ধভাবে ধর্ষণ করা হয়। ধর্ষণকারী ওই যুবকরা ছাত্রলীগের নেতাকর্মী ছিলেন। ২০২০ সালের ৩ ডিসেম্বর ছাত্রলীগের আট নেতাকর্মীকে অভিযুক্ত করে মামলার অভিযোগপত্র আদালতে দাখিল করেন তদন্ত কর্মকর্তা ও মহানগর পুলিশের শাহপরান থানার পরিদর্শক (তদন্ত) ইন্দ্রনীল ভট্টাচার্য।

তোলাপড়া করা ওই ঘটনায় সিলেটের বালাগঞ্জ উপজেলার চান্দাইপাড়ার তাহিদ মিয়ার ছেলে সাইফুর রহমান (২৮), হবিগঞ্জ জেলার সদর উপজেলার বাগুনীপাড়ার শাহ জাহাঙ্গীর মিয়ার ছেলে শাহ মো. মাহবুবুর রহমান রনি (২৫), সুনামগঞ্জের শান্তিগঞ্জ উপজেলার উমেদনগরের মৃত রফিকুল ইসলামের ছেলে তারেকুল ইসলাম তারেক (২৮), জকিগঞ্জের আটগ্রামের মৃত অমলেন্দু লস্কর ওরফে কানু লস্করের ছেলে অর্জুন লস্কর (২৬), দিরাই উপজেলার বড়নগদীপুরের দেলোয়ার হোসেনের ছেলে রবিউল ইসলাম (২৫), কানাইঘাট উপজেলার লামা দলইকান্দির (গাছবাড়ী) সালিক আহমদের ছেলে মাহফুজুর রহমান মাসুম (২৫), সিলেট নগরীর গোলাপবাগ আবাসিক এলাকার (বাসা নম্বর-৭৬) মৃত সোনা মিয়ার ছেলে আইনুদ্দিন ওরফে আইনুল (২৬) ও বিয়ানীবাজার উপজেলার নটেশ্বর গ্রামের মৃত ফয়জুল ইসলামের ছেলে মিজবাউল ইসলাম রাজনকে (২৭) অভিযুক্ত করে নারী ও শিশু নির্যাতন দমন আইনে অভিযোগপত্র আদালতে দাখিল করা হয়েছিলো। মামলাটির বিচারকাজ চলমান রয়েছে।

৭৮ বার পড়া হয়েছে।

এই সাইটে নিজম্ব নিউজ তৈরির পাশাপাশি বিভিন্ন নিউজ সাইট থেকে খবর সংগ্রহ করে সংশ্লিষ্ট সূত্রসহ প্রকাশ করে থাকি। তাই কোন খবর নিয়ে আপত্তি বা অভিযোগ থাকলে সংশ্লিষ্ট নিউজ সাইটের কর্তৃপক্ষের সাথে যোগাযোগ করার অনুরোধ রইলো।বিনা অনুমতিতে এই সাইটের সংবাদ, আলোকচিত্র অডিও ও ভিডিও ব্যবহার করা বেআইনি।