
৫ আগস্ট রাত সাড়ে ১০টা থেকে কাপ্তাই পানি বিদ্যুৎ উৎপাদন কেন্দ্রের ১৬টি জলকপাট খুলে দিয়ে দেড় ফিট উচ্চতায় পানি নিষ্কাশন করা হচ্ছে।
এ দিকে বিদ্যুৎ উৎপাদন কেন্দ্রের ৫টি ইউনিট সচল রয়েছে। এসব ইউনিটের মাধ্যমে অতিরিক্ত আরও ৩২ হাজার কিউসেক পানি কর্ণফুলী নদীতে নিস্কাশন করা হচ্ছে। বর্তমানে ৫টি ইউনিট মিলিয়ে ২১৯ মেগাওয়াট বিদ্যুৎ উৎপাদন হচ্ছে বলে কন্ট্রোল রুমের দায়িত্বপ্রাপ্ত প্রকৌশলীরা জানিয়েছেন।
বুধবার (৬ আগস্ট) বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন কেন্দ্রের ব্যবস্থাপক প্রকৌশলী মাহমুদ হাসান।
তিনি বলেন, বর্তমানে কাপ্তাই লেক থেকে প্রতি সেকেন্ডে প্রায় ৩০ হাজার কিউসেক পানি কর্ণফুলী নদীতে ছাড়া হচ্ছে। মঙ্গলবার রাত ১১টায় কাপ্তাই লেকের পানির উচ্চতা রেকর্ড করা হয় ১০৮ দশমিক ৫৫ এমএসএল, যা বিপদসীমার ওপরে। পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে রাখতে জলকপাটের উচ্চতা ৬ ইঞ্চি থেকে বাড়িয়ে দেড় ফিট করা হয়েছে।
প্রকৌশলী মাহমুদ হাসান বলেন, কাপ্তাই লেকের পানির লেভেল যাতে বিপদসীমার বেশি না হয় সেজন্য আমরা পানি ছাড়ার পরিমাণ সমন্বয় করছি। পানির প্রবাহের ওপর ভিত্তি করে ভবিষ্যতে এই পরিমাণ আরও সমন্বয় করা হবে। অতীতে আমরা ৫ ফুট উচ্চতায় পানি ছেড়ে দেওয়ার পরও কর্ণফুলীর নিচু এলাকায় কোনো বড় সমস্যা হয়নি। আশা করছি এবারও একই অবস্থা থাকবে।