
ছাতক খাদ্যগুদাম (এলএসডি) কর্মকর্তা সুলতানা পারভীন চাঁদা দাবীর বিষয় প্রচার না করার অনুরোধ জানিয়ে বলেন, ব্যবসায়ীদের কাছ থেকে ধান ক্রয় করা ও টন প্রতি ৪হাজার টাকা নেওয়ার বিষয়টি সত্য না। তিনি বলেন, ২০১২ সালের কৃষি অফিস থেকে দেওয়া তালিকার ভিত্তিতে প্রকৃত কৃষকদের কাছ থেকে ধান ক্রয় করা হচ্ছে। তবে কিছু ব্যক্তি দলের পরিচয় দিয়ে ধান ক্রয়ের জন্য তাকে চাপ দিচ্ছেন। এছাড়া ব্যবসায়ীরা ধান বিক্রির জন্য আসছেন, কিন্তু তাদের ধান ক্রয় করছেন না। কৃষি কার্ড ও এনআইডি দেখে কৃষকদের কাছ থেকে নির্ধারিত হারে ধান ক্রয় করে তিনি গুদামজাত করছেন।
উপজেলা কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরের কৃষি কর্মকর্তা তৌফিক হোসেন খান এর সাথে মোবাইল ফোনে যোগাযোগ করা হলে তিনি বলেন, খাদ্যগুদামে প্রতি বছর কৃষকদের তালিকা দিলেও তারা পাইকারদের (ব্যবসায়ীর) কাছ থেকে ধান সংগ্রহ করে থাকে।
উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মোঃ তরিকুল ইসলাম বলেন, এখানে তারা কিভাবে ধান সংগ্রহ করছেন তা অবগত করেন নি। খোঁজখবর নিয়ে বিধি মোতাবেক তদন্তপূর্বক ব্যবস্থা নেওয়া হবে।