
সিলেটের গোয়াইনঘাট থানায় গত ৫ আগস্ট সরকার পতনের পর যোগদান করেন এএসআই মোবারক। নতুন কর্মস্থল গোয়াইনঘাটে যোগদানের পর তাকে ৩ নং পূর্ব জাফলং ইউনিয়নের নলজুড়ি পুলিশ ফাঁড়িতে সহকারী বিট কর্মকর্তা হিসেবে দায়িত্ব দেওয়া হয়।
সময়ের সাথে পাল্লা দিয়ে তার ভাগ্যও খুলে যায়। দায়িত্ব নেওয়ার পর তিনি আড়ালে চোরাকারবারি, পাথর ও বালু ব্যবসায়ীদের সঙ্গে গড়ে তোলেন ঘনিষ্ঠ সম্পর্ক।
নাম প্রকাশ না করার শর্তে অনেকেই জানান, ৫ আগস্টের পর অবৈধভাবে যারা নদী থেকে লিস্টার মেশিন দিয়ে বালু-পাথর উত্তোলন করে আসছেন, নামমাত্র অভিযানের মাধ্যমে সেই সিন্ডিকেটের সঙ্গে মোবারক গড়ে তোলেন আলাদা সিন্ডিকেট। এই সিন্ডিকেটের মাধ্যমে চলমান চোরাচালান, পাথর ও বালু উত্তোলন থেকে তিনি প্রতিদিন ২০-৩০ হাজার টাকা নিজের পকেটে নিতেন। এ টাকার হিসাব কেউ জানত না বলে জানান সিন্ডিকেটের বাইরের লোকজন।
সম্প্রতি বালু-পাথর লুটকাণ্ডে গোয়াইনঘাট থানার অনেক কর্মকর্তার বদলি হলেও তিনি বদলি হননি। বিট বদল করে বর্তমানে তিনি ২ নং পশ্চিম জাফলং ইউনিয়নে সহকারী বিট কর্মকর্তা হিসেবে কর্মরত আছেন।
এ বিষয়ে জানতে এএসআই মোবারকের মোবাইল ফোনে একাধিকবার কল দেওয়া হলেও তিনি ফোন রিসিভ করেননি।
সূত্র- দৈনিক সিলেট বুলেটিন