
রাইজিংসিলেট- ট্রাম্প-পুতিন বৈঠক ঘিরে ইউরোপের উদ্বেগ, ইউক্রেনের ভূখণ্ড রক্ষায় কড়া বার্তা। আগামী শুক্রবার আলঙ্কায় মুখোমুখি হচ্ছেন সাবেক মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প ও রাশিয়ার প্রেসিডেন্ট ভ্লাদিমির পুতিন। আলোচিত এই বৈঠকের মূল লক্ষ্য ইউক্রেন যুদ্ধের অবসান ঘটানো। তবে ইউরোপীয় নেতারা আগেই সতর্ক করে জানিয়েছেন, তারা কোনো শান্তি চুক্তিকে স্বাগত জানাবেন না, যদি সেটি ইউক্রেনের ভূখণ্ড ক্ষয়ের বিনিময়ে হয়।
সাম্প্রতিক এক যৌথ বিবৃতিতে ফ্রান্স, জার্মানি, ব্রিটেন, পোল্যান্ড, ফিনল্যান্ড ও ইতালির নেতারা ট্রাম্পের কূটনৈতিক প্রচেষ্টাকে স্বাগত জানালেও জোর দিয়ে বলেন, শান্তি অবশ্যই হতে হবে ইউক্রেনের সার্বভৌমত্ব ও নিরাপত্তা অটুট রেখে।
ট্রাম্প বলেছেন, ইউক্রেনের প্রেসিডেন্ট ভ্লদিমির জেলেনস্কি এবং অন্যান্য মিত্রদের সঙ্গে আলোচনা করে একটি সম্ভাব্য চুক্তির খসড়া তৈরি হয়েছে, যা তিন বছরের বেশি সময় ধরে চলা রাশিয়া-ইউক্রেন সংঘাতের ইতি টানতে পারে। তবে এই প্রস্তাবিত চুক্তিতে কিছু অঞ্চল বিনিময়ের কথা রয়েছে, যা ইউক্রেনের জন্য উদ্বেগজনক।
রাশিয়ার অনুরোধে মূলত পুতিন ও ট্রাম্পের মধ্যে একটি দ্বিপাক্ষিক বৈঠকই অনুষ্ঠিত হচ্ছে। যদিও পূর্বে ধারণা করা হয়েছিল, এতে জেলেনস্কিও অংশ নেবেন এবং এটি ত্রিপক্ষীয় হবে।
লন্ডনের চেভেনিং হাউসে ইউক্রেন এবং ইউরোপের মিত্রদের সঙ্গে আলোচনায় অংশ নেন মার্কিন ভাইস প্রেসিডেন্ট জেডি ভ্যান্স। সেখানে ইউক্রেনের প্রধান কর্মকর্তা আন্দ্রেই ইয়েরমাক জানান, তারা যুদ্ধবিরতির বিষয়ে আলোচনা করতে প্রস্তুত, তবে রাশিয়াকে কোনো ভূখণ্ড ছেড়ে দেওয়ার বিষয়টি তারা পুরোপুরি প্রত্যাখ্যান করেন।
ইউরোপীয় নেতারা তাদের বিবৃতিতে পুনরায় জোর দিয়ে বলেন, কোনো আন্তর্জাতিক সীমানা বলপ্রয়োগে পরিবর্তন করা যাবে না। শান্তি আলোচনার ক্ষেত্র হতে হবে ন্যায়ের ভিত্তিতে এবং যুদ্ধ থামানোর পরিপ্রেক্ষিতে।