
বিএনপি–জামায়াতের মধ্যে আলোচনা শুরু হয়েছে।
উদ্দেশ্য, দুটি দলের মধ্যে সৃষ্ট বিরোধের অবসান। ঐকমত্য কমিশনের আলোচনায় নানা বিষয়েই দল দু’টির মধ্যে ফারাক তৈরি হয়েছে। জামায়াত অনেকগুলো শর্ত আরোপ করেছে। এর মধ্যে পিআর পদ্ধতি, সংস্কার, বিচার এবং জুলাই সনদ নিয়ে প্রকাশ্য মতবিরোধ দেখা দিয়েছে। যে কারণে অনেকেই যথাসময়ে নির্বাচন প্রশ্নে সংশয় প্রকাশ করছেন। পর্দার আড়ালে একটি মহল এই দুই দলের মধ্যে মতবিরোধ কমিয়ে আনার উদ্যোগ নিয়েছে।
এরই লক্ষ্যে গত মঙ্গলবার দুই দলের মধ্যে একটি বৈঠক অনুষ্ঠিত হয়। বৈঠকে বিএনপির পক্ষে একজন এবং জামায়াতের পক্ষে দুইজন শীর্ষস্থানীয় নেতা উপস্থিত ছিলেন। ঘণ্টা দুয়েক আলোচনার পর অনেক বিষয়েই তারা একমত হতে পারেননি। ফলে মাঝপথেই আলোচনা থেমে গেছে। নিকট ভবিষ্যতে আর কোনো বৈঠক হবে কিনা এ নিয়ে যথেষ্ট সংশয় রয়েছে।
নির্বাচন কমিশন ঘোষিত রোডম্যাপের ব্যাপারেও জামায়াতে ইসলামী ভিন্নমত দিয়েছে। তারা বলেছে, এই রোডম্যাপ অস্পষ্ট। আর বিএনপি সরাসরি স্বাগত জানিয়েছে। এখানেও বিরোধ দৃশ্যমান। এই পর্যায়ে জামায়াত কী করবে এখনই বলা মুশকিল। তবে নির্ভরযোগ্য একাধিক সূত্রে মানবজমিন জানতে পেরেছে, জামায়াত নেতারা বিএনপি’র শীর্ষ নেতৃত্বের সঙ্গে কথা বলার আগ্রহ ব্যক্ত করেছেন।