
প্রশিক্ষণ বিমান বিধ্বস্তের ঘটনায় এখন পর্যন্ত তিনজনের মৃত্যুর খবর নিশ্চিত হওয়া গেছে। এছাড়াও দুর্ঘটনায় ৬০ জনকে উদ্ধার করে ইতোমধ্যে জাতীয় বার্ন ও প্লাস্টিক সার্জারি ইনস্টিটিউটে নেওয়া হয়েছে। সেইসঙ্গে সম্মিলিত সামরিক হাসপাতালসহ (সিএমএইচ) নিকটবর্তী হাসপাতালগুলোতে নিয়ে যাওয়া হয়েছে আরও অনেককে।
সোমবার (২১ জুলাই) বেলা সাড়ে ৩টার দিকে বার্ন ইনস্টিটিউট ও আইএসপিআর সূত্রে এসব তথ্য জানা গেছে।
নিহতদের মধ্যে ১ জন ঘটনাস্থলে এবং ২ জন বার্ন ইনস্টিটিউটে প্রাণ হারিয়েছেন। এদিকে বিধ্বস্ত প্রশিক্ষণ বিমানটির পাইলট ফ্লাইট লেফটেন্যান্ট তৌকির ইসলাম সাগরেরও খবর পাওয়া গেছে। সম্মিলিত সামরিক হাসপাতালে (সিএমএইচ) তাকে লাইফ সাপোর্টে রাখা হয়েছে বলে জানিয়েছে আন্তঃবাহিনী জনসংযোগ পরিদপ্তর (আইএসপিআর)।
জানা গেছে, দুর্ঘটনার পর ইতোমধ্যে অন্তত শতাধিক শিক্ষার্থীকে উদ্ধার করে চিকিৎসার জন্য বিভিন্ন হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে। এরমধ্যে ৬০ জনকে উদ্ধার করে ইতোমধ্যে জাতীয় বার্ন ও প্লাস্টিক সার্জারি ইউনিটে নেয়া হয়েছে। এছাড়া আহতদের মধ্যে শিশুও রয়েছে।
এর আগে, দুপুর ১টা ১৮ মিনিটের দিকে উত্তরার দিয়াবাড়ীর মাইলস্টোন স্কুল ও কলেজ ক্যাম্পাসে বিমান বাহিনীর এফ-৭ বিজিআই(৭০১) মডেলের প্রশিক্ষণ বিমানটি বিধ্বস্ত হয়। আছড়ে পড়ার সঙ্গে সঙ্গে বিমানটিতে আগুন ধরে যায়। বিমানে ছিলেন ফ্লাইট লেফটেন্যান্ট তৌকির।
আন্তঃবাহিনী জনসংযোগ পরিদপ্তর (আইএসপিআর) জানিয়েছে, বাংলাদেশ বিমান বাহিনীর এফ-৭ বিজিআই(৭০১) প্রশিক্ষণ বিমানটি উত্তরায় বিধ্বস্ত হয়। বিমানটি দুপুর ১টা ৬ মিনিটে উড্ডয়ন করেছিল। এর ১২ মিনিটের মাথায় ১টা ১৮ মিনিটে উত্তরার মাইলস্টোন স্কুল ও কলেজ ক্যাম্পাসে বিমানটি বিধ্বস্ত হয়।