
২০২৪ সালের তুলনায় এবারের ফলাফলে রীতিমত ধস নেমেছে; অকৃতকার্য হয়েছে প্রায় দ্বিগুণ পরীক্ষার্থী; কমেছে জিপিএ ৫-এর সংখ্যাও।
এদিকে চলতি বছরের এসএসসি ও সমমান পরীক্ষায় শতভাগ ফেল করা শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের তালিকাও অনেক বড় হয়েছে। গত বছর যেখানে শূন্য পাসের রেকর্ড গড়া শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের সংখ্যা ছিল মাত্র ৫১টি, এবার সেখানে এমন শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের সংখ্যা ১৩৪টি।
গত বছর যেখানে যেখানে ১৭ দশমিক ৯৬ শতাংশ পরীক্ষার্থী অকৃতকার্য হয়েছিল, সেখানে এবার অকৃতকার্যের হার ৩২ দশমিক ৫৫ শতাংশ। এছাড়া, গত বছর যেখানে ১ লাখ ৮২ হাজার ১২৯ জন পরীক্ষার্থী জিপিএ-৫ (এ প্লাস) পেয়েছিল, এবার সেখানে জিপিএ-৫ পেয়েছে ১ লাখ ৩৯ হাজার ৩২ জন পরীক্ষার্থী।
বৃহস্পতিবার (১০ জুলাই) দুপুর ২টায় এ ফল প্রকাশ করা হয়। প্রকাশিত ফলাফল বিশ্লেষণে এ তথ্য জানা যায়।
এসএসসি ও সমমান পরীক্ষার প্রকাশিত ফলাফল বিশ্লেষণে দেখা গেছে, এ বছর দেশের ১১টি শিক্ষা বোর্ডে গড় পাসের হার ৬৮ দশমিক ৪৫ শতাংশ। গত বছর অর্থাৎ, ২০২৪ সালে গড় পাসের হার ছিল ৮৩ দশমিক ০৪ শতাংশ। সে হিসাবে পাসের হার অনেক কমেছে।
এবারও ছাত্রীদের পাসের হার ৭১.০৩ শতাংশ এবং ছাত্রদের পাসের হার ৬৫.৮৮ শতাংশ। সে হিসাবে এবারও পাসের হারে এগিয়ে রয়েছেন ছাত্রীরা। এ নিয়ে টানা ১০ বছর এসএসসিতে পাসের হারে এগিয়ে ছাত্রীরা।
চলতি বছর এসএসসি ও সমমান পরীক্ষা শুরু হয়েছিল গত ১০ এপ্রিল। পরীক্ষা শেষ হয় ১৩ মে। সবমিলিয়ে পরীক্ষায় অংশ নেন প্রায় ১৯ লাখ শিক্ষার্থী।
দেশের ১১টি শিক্ষা বোর্ডে জিপিএ-৫ পেয়েছেন ১ লাখ ৩৯ হাজার ৩২ জন শিক্ষার্থী। গত বছর অর্থাৎ ২০২৪ সালে সারাদেশে জিপিএ-৫ পেয়েছিলেন এক লাখ ৮২ হাজার ১২৯ জন। সে হিসাবে এবার জিপিএ-৫ পাওয়া শিক্ষার্থীর সংখ্যাও ব্যাপক হারে কমেছে।