
বলয়গ্রাস সূর্যগ্রহণ শনিবার (১৪ অক্টোবর)। গ্রহণটি শুরু হবে বাংলাদেশ সময় রাত ৯টা ৩ মিনিট ৫৪ সেকেন্ডে, আর শেষ হবে রাত ২টা ৫৫ মিনিট ১২ সেকেন্ডে।
বলয়গ্রাস সূর্যগ্রহণ বলতে বোঝায় সূর্যের ওপর চাঁদের ছায়া পড়ে। কিন্তু সেটা সূর্যকে সম্পূর্ণরূপে ঢাকতে পারবে না। চারপাশে লাল আলোর রিং বা বলয় দেখা যায়।
আবহাওয়াবিদ নাইমা বাতেন জানিয়েছেন, বাংলাদেশে গ্রহণটি দেখা যাবে না। এটি দেখা যাবে উত্তর আমেরিকা, মধ্য আমেরিকা, দক্ষিণ আমেরিকা, উত্তর আফ্রিকা, আটলান্টিক ও প্রশান্ত মহাসাগরীয় অঞ্চল থেকে।
গ্রহণটি শুরু হবে যুক্তরাষ্ট্রের ওরেগন স্টেট থেকে পূর্ব দিকে উত্তর প্রশান্ত মহাসাগরে স্থানীয় সময় সকাল ৬টা ১৫ মিনিট ১০ সেকেন্ডে। সর্বোচ্চ গ্রহণ হবে নিকারাগুয়ার মানকি পয়েন্ট থেকে দক্ষিণ-পূর্ব দিকে ক্যারিবিয়ান সাগরে দুপুর ১২টা ২৭ মিনিট ৪ সেকেন্ডে। গ্রহণটি শেষ হবে ব্রাজিলের বাহিয়ার রাজ্যের জাবোরান্দি শহরে বিকেল ৫টা ৫৪ মিনিট ১২ সেকেন্ডে।
সূর্যগ্রহণ যেভাবে দেখতে হয়: সূর্যগ্রহণ দেখার জন্যও নানা গ্রামীণ পদ্ধতির প্রচলন আছে। এখনও কাসার থালায় পানি নিয়ে তাতে সূর্য দেখার চেষ্টা করা হয়। এছাড়া এক্সরে ফিল্ম, কালো গগলসের ব্যবহারও করা হয়। তবে এসব দিয়ে কোনো কাজে লাগে না। এক্সে ফিল্ম বা সাধারণ গগলসে আরও চোখের ক্ষতির আশঙ্কা থেকে যায়।
সূর্যগ্রহণে কুসংস্কার: সূর্যগ্রহণ নিয়ে গ্রামে এখনও নানা কুসংস্কার রয়েছে। বলা হয়ে থাকে গর্ভবতী মায়েরা এ সময় বাইরে বের হলে গর্ভপাত হবে। কিংবা গর্ভের সন্তান হবে বিকলাঙ্গ। আকাশের দিকে তাকালে চোখ অন্ধ হয়ে যাবে। গ্রহণের সময় ভাত খেলে মৃত্যু বা কঠিন অসুখ হবে। তবে এসবের কোনো বৈজ্ঞানিক ভিত্তি নেই।
সূর্যগ্রহণের সময় খালি চোখে সূর্যের দিকে তাকানো চোখের জন্য মারাত্মক ক্ষতিকর। কখনওই এমনটি করা উচিত নয়। সূর্যগ্রহণ দেখতে হয় টেলিস্কোপ বা সোলার ফিল্টার দিয়ে।