
প্রবাসীকে আনতে গিয়ে নোয়াখালীর বেগমগঞ্জে মাইক্রোবাস খালে পড়ে একই পরিবারের সাতজন নিহতের ঘটনায় চালককে দায়ী করেছে পুলিশ। মাইক্রোবাসটি চলন্ত অবস্থায় চালক ঘুমিয়ে যাওয়ায় এই দুর্ঘটনা ঘটে বলে পুলিশ জানিয়েছে।
আজ বুধবার ভোর ৫টা ৪০ মিনিটের দিকে বেগমগঞ্জের আলাইয়াপুর ইউনিয়নের আবুল খায়ের চেয়ারম্যান বাড়ির মোড়ে এ দুর্ঘটনা ঘটে।
নিহতরা হলেন— ফয়েজুন্নেছা (৭০), খুরশিদা বেগম (৫০), কবিতা বেগম (৩৫), লাবনী বেগম (২৮), রেশমি আকতার (১১), মিম আক্তার (৩) ও লামিয়া আক্তার (৮)।
চন্দ্রগঞ্জ হাইওয়ে থানার ওসি মো. মোবারক হোসেন ভূঁইয়া বলেন, চালক ঘুমিয়ে পড়ায় গাড়িটি নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে খালে পড়ে যায়। কয়েকজন যাত্রী উদ্ধার হলেও সাতজন গাড়ির ভেতরে আটকা পড়ে ঘটনাস্থলেই মারা যান।
জানা গেছে, নিহতরা ওমান প্রবাসী এক স্বজনকে আনতে ঢাকায় গিয়েছিলেন। বিমানবন্দর থেকে ফেরার পথে তারা দুটি গাড়িতে করে লক্ষ্মীপুরের দিকে যাচ্ছিলেন। একটি প্রাইভেটকার ও অন্যটি হাইস মাইক্রোবাসে করে ফিরছিলেন তারা।
ভোর ৫টা ৪০ মিনিটে দুর্ঘটনাস্থলে এলে মাইক্রোবাসটি নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে রাস্তার পাশের খালে পড়ে যায়। এতে এ হাতাহতের ঘটনা ঘটে।
স্থানীয়রা জানান, ভোর পৌনে ৬টার দিকে দুর্ঘটনাটি ঘটে।
সে সময় লোকজন কিছু বুঝে উঠতে পারেননি। পরে আলো দেখে আশপাশের মানুষ এগিয়ে এসে মরদেহ উদ্ধারে সহায়তা করেন।
বেগমগঞ্জ মডেল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. লিটন দেওয়ান বলেন, রেকারের সহায়তায় দুর্ঘটনাকবলিত গাড়িটি খাল থেকে উত্তোলন করা হয়েছে। ওমান প্রবাসী ওই ব্যক্তি বেঁচে আছেন।
নোয়াখালী চৌমুহনীর ফায়ার সার্ভিসের কর্মকর্তা মোজাম্মেল হক জানান, মাইক্রোবাসটিতে চালকসহ মোট ১১ জন যাত্রী ছিলেন। চালকসহ চারজন পুরুষ যাত্রী বের হয়ে আসতে পারলেও শিশু ও নারীরা মারা যান। খবর পেয়ে দমকল কর্মীরা তাদের উদ্ধার করে।