
দেশের ১২টি সিটি কর্পোরেশন নির্বাচন নিয়ে চিন্তাভাবনা করছে সরকার। জাতীয় নির্বাচনের আগেই নাগরিক সেবা সচল করার লক্ষ্যেই এমন চিন্তাভাবনা তাদের। তাছাড়া এর মধ্যদিয়ে একটি ট্রায়াল রানের সুযোগও হবে বলে মনে করছেন সংশ্লিষ্টরা।
গত বছরের ৫ আগস্ট আওয়ামী সরকার পতনের পর সিলেটসহ দেশের ১২টি সিটি করপোরেশনের মেয়র ও কাউন্সিলরদের অপসারণ করা হয়। ১৯ আগস্ট ঢাকাসহ সব সিটি মেয়রকে অপসারণ করে প্রশাসক নিয়োগ দেওয়া হয়।
শিগগির সরকারের পক্ষ থেকে সিটি করপোরেশন নির্বাচন আয়োজনের ঘোষণা আসতে পারে। তবে জাতীয় নির্বাচনের আগে স্থানীয় নির্বাচন নিয়ে রাজনৈতিক দলগুলোর মধ্যে প্রচণ্ড মতবিরোধ রয়েছে।
জাতীয় নির্বাচনের আগে স্থানীয় নির্বাচন বা সিটি করপোরেশন নির্বাচনের ব্যাপারে নির্বাচন কমিশনার আবুল ফজল মো. সানাউল্লাহ বলেছেন, জাতীয় নির্বাচন আয়োজনের লক্ষ্যে প্রস্তুতি নিচ্ছে কমিশন। তবে সরকার জাতীয় নির্বাচনের আগে স্থানীয় সরকারের নির্বাচন অনুষ্ঠানের সিদ্ধান্ত নিলে ইসি তা বাস্তবায়ন করবে।
তিনি আরও বলেন, স্থানীয় সরকার নির্বাচন কতটুকু হবে এবং কোন কোন প্রতিষ্ঠানের হবে, সে সিদ্ধান্তও নেবে সরকার। এখানে ইসি অবাধ ও নিরপেক্ষভাবে নির্বাচনের সুষ্ঠু ব্যবস্থাপনার দায়িত্ব পালন করবে।
সিলেট সিটি করপোশেনের সর্বশেষ নির্বাচন অনুষ্টিত হয় ২০২৩ সালের ২১ জুন। তবে বর্তমানে নির্বাচিত জনপ্রতিনিধি না থাকায় দেশের অন্যান্য সিটির নাগরিকদের মতো সিলেট সিটি করপোরেশনের নাগরিকদেরও সেবা পেতে নানা ঝুট ঝামেলা পোহাতে হচ্ছে।