
রাইজিংসিলেট- ইউটিউবে অনেকেই নিজের চ্যানেল খোলেন শখের বশে কিংবা অনলাইনে আয়ের জন্য। টিকটক-ফেসবুকেও নিয়মিত ভিডিও দেওয়া মানুষের সংখ্যাও কম নয়। তবে নিয়মিত ভিডিও তৈরি করে নিজের চ্যানেলে বা অ্যাকাউন্টে দিলেও বেশির ভাগ ক্ষেত্রেই ভিডিওগুলোর দর্শকসংখ্যা খুব কম হয়ে থাকে। কারণ, ভালো মানের ভিডিও ধারণের জন্য পর্যাপ্ত আলোর ব্যবস্থা থাকা জরুরি। এ ক্ষেত্রে ভিডিও নির্মাতারা বিভিন্ন ধরনের লাইট ব্যবহার করেন। এর মধ্যে সবচেয়ে জনপ্রিয় হলো ‘রিং লাইট’ ও ‘সফট বক্স’। দুটিই পর্যাপ্ত আলোর উৎস হলেও এদের কাজের ধরন বেশ আলাদা।
রিং লাইট- রিং লাইট মূলত গোলাকার এলইডি লাইট। মাঝের অংশটি ফাঁকা থাকায় এটিকে অনেকটা রিংয়ের মতো দেখায়। গোলাকার এই লাইট ব্যবহার করলে চেহারার সব অংশে সমানভাবে আলো পড়ে। ফলে কোনো অংশে ছায়া পড়ে না। স্ট্যান্ড থাকায় সহজেই যেকোনো জায়গায় রেখে ব্যবহার করা যায়। রিং লাইটের মাঝের ফাঁকা স্থানে মুঠোফোন বা ক্যামেরা যুক্ত করার সুযোগ থাকায় সহজেই ভিডিও করা সম্ভব।
এ বিষয়ে এলইডি বাল্ব নির্মাতা প্রতিষ্ঠান ‘এলাইড এলিডি’র প্রকৌশলী মো. আবুল কাশেম বলেন, এলইডি লাইটগুলো সাধারণত বিদ্যুৎ সাশ্রয়ী হয় এবং বেশি আলো দেয়। লুমেন হলো লাইটের উজ্জ্বলতার ক্ষমতা। লুমেন যত বেশি হবে, লাইটের আলো তত বেশি হবে। একটি ভালো মানের রিং লাইট সর্বোচ্চ ২ হাজার ৫০০ লুমেন পর্যন্ত আলো দিতে পারে।
সফট বক্স- সফট বক্স হলো চারকোনা আকারের লাইট, যার ভেতর এলইডি বাল্ব যুক্ত থাকে। লাইটের ওপর সাদা রঙের পর্দা বাল্বগুলোকে ঢেকে রাখে। স্টুডিও বাইন্ডারের প্রতিবেদন অনুযায়ী, সফট বক্সের এই পর্দা আলোর তীব্রতা প্রতিহত করে, আলোকে কিছুটা সফট বা হালকা করে দেয়। এ জন্যই এর নাম সফট বক্স। সফট বক্স ছায়াকেও কিছুটা হালকা করে। এর ফলে ছবিতে আলো-আঁধারি পরিবেশ সৃষ্টি হয়।