ঢাকাThursday , 24 September 2026
  1. অর্থনীতি
  2. আদালত
  3. আন্তর্জাতিক
  4. আরো
  5. খেলার খবর
  6. গণমাধ্যম
  7. চাকরির খবর
  8. জাতীয়
  9. দেশের খবর
  10. ধর্ম পাতা
  11. পরিবেশ
  12. প্রবাস
  13. প্রেস বিজ্ঞপ্তি
  14. বিজ্ঞান প্রযুক্তি
  15. বিনোদন
আজকের সর্বশেষ সবখবর

শিক্ষক-কর্মচারী ও শিক্ষার্থীদেরকে বিশেষ অনুদান দেবে সরকার

rising sylhet
rising sylhet
September 24, 2026 7:02 pm
Link Copied!

ads

 শিক্ষক-কর্মচারী,শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান ও শিক্ষার্থীদেরকে বিশেষ অনুদান দেবে সরকার। তবে, অনলাইন আবেদনে কাঙ্ক্ষিত সংখ্যক যোগ্য প্রার্থী না পাওয়ায় এবার ম্যানুয়াল পদ্ধতিতে আবেদন জমা নিতে যাচ্ছে শিক্ষা মন্ত্রণালয়।শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের মাধ্যমিক ও উচ্চশিক্ষা বিভাগের বাজেট শাখা থেকে এ বিষয়ে পুনঃবিজ্ঞপ্তি জারি করা হয়েছে।নতুন বিজ্ঞপ্তি অনুযায়ী, আগামী ১৫ অক্টোবর বিকেল ৪টার মধ্যে সংশ্লিষ্ট জেলা কমিটির যাচাই ও সুপারিশ করা আবেদন মাধ্যমিক ও উচ্চশিক্ষা বিভাগে পৌঁছাতে হবে।

 

 

 

 

 

 

বুধবার (২৩ সেপ্টেম্বর) জারিকৃত এ বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, মাধ্যমিক ও উচ্চশিক্ষা বিভাগের পরিচালন বাজেটের আওতায় বিশেষ অনুদান হিসেবে বরাদ্দ অর্থ বিতরণের জন্য গত ১৫ ফেব্রুয়ারি থেকে ১৬ এপ্রিল পর্যন্ত মাইগভ প্ল্যাটফর্মে অনলাইনে আবেদন নেওয়া হয়। তবে নির্ধারিত প্রাপ্যতা অনুযায়ী কাঙ্ক্ষিত সংখ্যক যোগ্য প্রার্থী পাওয়া যায়নি। পাশাপাশি প্রত্যন্ত, দুর্গম, উপকূলীয়, চরাঞ্চল, হাওর ও অনগ্রসর এলাকার সম্ভাব্য যোগ্য প্রার্থীদের অনলাইনে আবেদন করার সুযোগ সীমিত ছিল। এ কারণে যোগ্য প্রার্থীরা যাতে অনুদান থেকে বঞ্চিত না হন, সে জন্য ম্যানুয়াল পদ্ধতিতে নতুন করে আবেদন নেওয়া হচ্ছে।বিজ্ঞপ্তি অনুসারে, বেসরকারি সাধারণ শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের মেরামত ও সংস্কার, আসবাবপত্র ও শিক্ষা উপকরণ সংগ্রহ, খেলাধুলার সরঞ্জাম সংগ্রহ, প্রতিষ্ঠানকে প্রতিবন্ধীবান্ধব করা এবং পাঠাগার উন্নয়নের জন্য অনুদানের আবেদন করা যাবে।

 

 

 

 

 

 

বেসরকারি সাধারণ শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের শিক্ষক-কর্মচারীরা দুরারোগ্য ব্যাধি ও দৈব দুর্ঘটনার কারণে আর্থিক সহায়তার জন্য আবেদন করতে পারবেন।এছাড়া, সরকারি ও বেসরকারি সাধারণ শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের ষষ্ঠ শ্রেণি থেকে স্নাতক ও স্নাতকোত্তর পর্যায়ের শিক্ষার্থীরা বিশেষ অনুদানের জন্য আবেদন করতে পারবেন। দুরারোগ্য ব্যাধি ও দৈব দুর্ঘটনায় আক্রান্ত, দুস্থ, মেধাবী, এতিম, অদম্য মেধাবী ও দরিদ্র, প্রতিবন্ধী, তৃতীয় লিঙ্গ, অসহায় ও অনগ্রসর সম্প্রদায়ের শিক্ষার্থীরা এক্ষেত্রে অগ্রাধিকার পাবেন। একইসঙ্গে উপকূলীয়, চরাঞ্চল, হাওর ও প্রত্যন্ত এলাকার শিক্ষার্থীদেরও অগ্রাধিকার দেওয়া হবে।শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের অনুদানের জন্য প্রতিষ্ঠানপ্রধান বা প্রধান শিক্ষককে নির্ধারিত ফরমে আবেদন করতে হবে। মাধ্যমিক ও উচ্চমাধ্যমিক পর্যায়ের শিক্ষক-কর্মচারী ও শিক্ষার্থীদের আবেদন সংশ্লিষ্ট প্রতিষ্ঠানপ্রধান, প্রধান শিক্ষক বা অধ্যক্ষের মাধ্যমে পাঠাতে হবে।

 

 

 

 

 

 

স্নাতক বা সমমান এবং স্নাতকোত্তর পর্যায়ের শিক্ষার্থীদের আবেদন সংশ্লিষ্ট প্রতিষ্ঠানপ্রধান, অধ্যক্ষ বা রেজিস্ট্রারের মাধ্যমে করতে হবে।প্রতিষ্ঠানপ্রধান, অধ্যক্ষ, প্রধান শিক্ষক বা রেজিস্ট্রার আবেদনগুলো গ্রহণ করে প্রাথমিক যাচাইয়ের পর একত্র করবেন। পরে সেগুলো সংশ্লিষ্ট জেলা প্রশাসকের কাছে পাঠানো হবে। জেলা পর্যায়ের কমিটি আবেদনগুলো যাচাই-বাছাই করে সুপারিশ করবে। সুপারিশ করা তালিকা আগামী ১৫ অক্টোবর বিকেল ৪টার মধ্যে সচিব, মাধ্যমিক ও উচ্চশিক্ষা বিভাগ, শিক্ষা মন্ত্রণালয় বরাবর পৌঁছাতে হবে। নির্ধারিত সময়ের পর পাওয়া আর কোনো আবেদন বিবেচনায় নেওয়া হবে না।অনলাইনে ও ম্যানুয়াল পদ্ধতিতে একই আবেদন যাতে দুইবার সুপারিশ না হয়, সেজন্য জেলা কমিটিকে আগে অনলাইনে সুপারিশ করা তালিকার সঙ্গে ম্যানুয়াল পদ্ধতিতে পাওয়া তালিকা সমন্বয় করে একটি পূর্ণাঙ্গ তালিকা তৈরি করতে হবে। পরে সেই তালিকা মাধ্যমিক ও উচ্চশিক্ষা বিভাগে পাঠাতে হবে।

ads

 

 

 

 

 

 

নির্ধারিত আবেদন ফরম মাধ্যমিক ও উচ্চশিক্ষা বিভাগের ওয়েবসাইটে পাওয়া যাবে। এছাড়া সংশ্লিষ্ট জেলা প্রশাসকের কার্যালয়, উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তার কার্যালয়, জেলা শিক্ষা অফিস এবং উপজেলা মাধ্যমিক শিক্ষা অফিসের ওয়েবসাইট থেকেও ফরম সংগ্রহ করা যাবে।আবেদনের সঙ্গে যথাযথভাবে পূরণ করা ও প্রতিষ্ঠানপ্রধান কর্তৃক প্রতিস্বাক্ষরিত নির্ধারিত আবেদন ফরম, প্রত্যয়নপত্র এবং সংশ্লিষ্ট জেলা প্রশাসকের সুপারিশ দিতে হবে। দুরারোগ্য, জটিল ও ব্যয়বহুল রোগের ক্ষেত্রে সরকারি হাসপাতালের নিবন্ধিত চিকিৎসকের স্বাক্ষর করা প্রত্যয়নপত্র, চিকিৎসাপত্র ও প্রয়োজনীয় কাগজপত্র দিতে হবে। এসব রোগের মধ্যে রয়েছে ক্যানসার, হৃদরোগ, কিডনি ব্যাধি, হেপাটাইটিস, ডায়াবেটিস মেলিটাস, পক্ষাঘাত, বক্ষব্যাধি, কৃত্রিম অঙ্গ-প্রত্যঙ্গ সংযোজন এবং দুর্ঘটনায় গুরুতর আহত হওয়ার ঘটনা।

 

 

 

 

 

প্রতিবন্ধিতার ক্ষেত্রে সংশ্লিষ্ট সমাজসেবা কর্মকর্তার দেওয়া প্রতিবন্ধী সনদ দিতে হবে। এছাড়া জাতীয় পরিচয়পত্র বা জন্মনিবন্ধন সনদের কপি এবং শিক্ষার্থীদের ক্ষেত্রে অধ্যয়নরত থাকার প্রত্যয়নপত্র দিতে হবে।শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের ক্ষেত্রে স্বীকৃতির কপি, ইআইআইএন নম্বর এবং প্রতিষ্ঠানের নামে পরিচালিত তফসিলি ব্যাংক হিসাবের বিবরণ দিতে হবে। এর মধ্যে হিসাব নম্বর, শাখা, রাউটিং নম্বর, চেক বইয়ের পাতা ও ব্যাংক স্টেটমেন্টের কপি থাকতে হবে। শিক্ষক-কর্মচারী ও শিক্ষার্থীদের নিজ নামে পরিচালিত তফসিলি ব্যাংক হিসাবের হিসাব নম্বর, শাখা, রাউটিং নম্বর ও চেক বইয়ের পাতার কপিও দিতে হবে।বিজ্ঞপ্তিতে আরও বলা হয়েছে, যারা ইতোমধ্যে অনলাইনে আবেদন করেছেন, তাদের আবার ম্যানুয়াল পদ্ধতিতে আবেদন করার প্রয়োজন নেই। একই ব্যক্তি বা প্রতিষ্ঠান অনলাইন ও ম্যানুয়াল দুই পদ্ধতিতে আবেদন করলে দুই আবেদনই বাতিল হবে।কোনো শিক্ষা প্রতিষ্ঠান ও শিক্ষক-কর্মচারী চাকরিজীবনে সর্বোচ্চ দুইবার এ সুবিধা নিতে পারবেন। কোনো শিক্ষার্থী তার শিক্ষাজীবনে প্রতি তিন বছর পরপর আবেদন করতে পারবেন।

 

 

 

 

 

একই সময়ে অন্য কোনো সরকারি অনুদান পাওয়া গেলে সংশ্লিষ্ট আবেদনকারী এ অনুদানের জন্য যোগ্য হবেন না। তবে, শিক্ষার্থীদের ক্ষেত্রে সরকার দেওয়া সাধারণ উপবৃত্তি ও মেধাবৃত্তি এ শর্তের আওতামুক্ত থাকবে।যেসব শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে শিক্ষা প্রকৌশল অধিদপ্তর বা অন্য কোনো সংস্থার মাধ্যমে নির্মাণ, সংস্কার বা রক্ষণাবেক্ষণের কাজ চলছে অথবা ওই অর্থবছরে এমন প্রকল্প শেষ হয়েছে, সেসব প্রতিষ্ঠানের আবেদন বিবেচনা করা হবে না।অনলাইন ও ম্যানুয়াল উভয় পদ্ধতিতে আবেদন করা শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান, শিক্ষক-কর্মচারী ও শিক্ষার্থীদের ব্যাংক হিসাবে অনুদানের অর্থ দেওয়া হবে। অপ্রাপ্তবয়স্ক শিক্ষার্থীদের জাতীয় পরিচয়পত্র না থাকলে তাদের বাবা বা মায়ের সঙ্গে যৌথ নামে এবং প্রাপ্তবয়স্ক শিক্ষার্থীদের নিজ নামে তফসিলি ব্যাংক হিসাব থাকা বাধ্যতামূলক।অসম্পূর্ণ, ত্রুটিপূর্ণ, ভুল তথ্যযুক্ত বা প্রয়োজনীয় কাগজপত্র ছাড়া আবেদন সরাসরি বাতিল করা হবে। আবেদন বা সুপারিশকে অনুদান পাওয়ার অধিকার হিসেবে বিবেচনা করা হবে না।

 

 

 

 

 

 

এ বিষয়ে কর্তৃপক্ষের সিদ্ধান্তই চূড়ান্ত বলে বিজ্ঞপ্তিতে উল্লেখ করা হয়েছে।ম্যানুয়াল পদ্ধতিতে পাওয়া আবেদনগুলোও অনলাইন আবেদনের মতো একই যোগ্যতা, শর্ত ও অগ্রাধিকার অনুসরণ করে জেলা পর্যায়ের কমিটি যাচাই-বাছাই করবে। বিজ্ঞপ্তিতে দেওয়া শর্ত ভঙ্গ হলে বা অসৎ উপায় অবলম্বন করা হলে সংশ্লিষ্ট ব্যক্তির বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হতে পারে।মাধ্যমিক পর্যায়ের সরকারি ও বেসরকারি সাধারণ শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের প্রধানদের আবেদনকারীদের প্রয়োজনীয় সহযোগিতা দিতে নির্দেশনা দেওয়ার জন্য জেলা শিক্ষা কর্মকর্তা ও উপজেলা মাধ্যমিক শিক্ষা কর্মকর্তাদের বলা হয়েছে। একইভাবে স্নাতক ও তদূর্ধ্ব বা সমমান পর্যায়ের সাধারণ শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের প্রধান ও রেজিস্ট্রারদের আবেদনকারীদের সহযোগিতা করতে বলা হয়েছে।এছাড়া সংশ্লিষ্ট জেলা প্রশাসক, উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তার কার্যালয়, জেলা শিক্ষা অফিস ও উপজেলা মাধ্যমিক শিক্ষা অফিসের নোটিশ বোর্ড ও ওয়েবসাইটসহ অন্যান্য মাধ্যমে বিশেষ অনুদানসংক্রান্ত পুনঃবিজ্ঞপ্তিটি ব্যাপকভাবে প্রচারের ব্যবস্থা করতে বলা হয়েছে।

এই সাইটে নিজম্ব নিউজ তৈরির পাশাপাশি বিভিন্ন নিউজ সাইট থেকে খবর সংগ্রহ করে সংশ্লিষ্ট সূত্রসহ প্রকাশ করে থাকি। তাই কোন খবর নিয়ে আপত্তি বা অভিযোগ থাকলে সংশ্লিষ্ট নিউজ সাইটের কর্তৃপক্ষের সাথে যোগাযোগ করার অনুরোধ রইলো।বিনা অনুমতিতে এই সাইটের সংবাদ, আলোকচিত্র অডিও ও ভিডিও ব্যবহার করা বেআইনি।