
গতকাল বুধবার ২৩ অক্টোবর রাইজিং সিলেটে প্রকাশিত ‘টিলা কাটার অভিযোগ পেলে ঘটনাস্হলে আসেন উনারা চলে গেলে যেই লাউ সেই কদু’ শীর্ষক সংবাদ প্রকাশ হওয়ার পর আজ বৃহস্পতিবার ২৪ অক্টোবর বালুচর জেনাকী আবাসিক এলাকার টিলাকাটার স্হান পরিদর্শন করেন সিলেট মহানগর রাজস্ব সার্কেল সহকারি কমিশনার (ভূমি) মাহমুদ আশিক কবির, সিলেট পরিবেশ অধিদপ্তরের সহকারি পরিচালক বদরুল হুদা ও ভুমি সার্ভেয়ার আব্দুর রউফ।
সিলেট মহানগর রাজস্ব সার্কেল সহকারি কমিশনার (ভূমি) মাহমুদ আশিক কবির উপস্হিত এলাকাবাসিকে বলেন, আমরা জানতে পেরেছি এই চক্রটি এতই চালাক ওরা দিনে টিলা না কেটে গভীর রাতে কাটা শুরু করে ভোর বেলা সটকে পড়ে। তাদের এই চালাকির খবর ও আমাদের কাছে আছে। আমরা যথাযথ ব্যবস্হা নিচ্ছি।
তিনি আরো বলেন, এই টিলার মালিক আব্দুল মছব্বির একজন প্রবাসী, তার নির্দেশে টিলা কাটা হচ্ছে এ ব্যাপারে পরিবেশ বাদী হয়ে এর আগেও একটি মামলাও করেছে। মামলাটি বর্তমানে পরিবেশের কাছে বিচারাধিন রয়েছে। এরপরও ফের চক্রটি টিলা কেটে যাচ্ছে। এই চক্রের বিরুদ্ধেও মামলা হবে।
এ ব্যাপারে সিলেট পরিবেশ অধিদপ্তরের সহকারি পরিচালক বদরুল হুদার সাথে যোগাযোগ করা হলে, তিনি জানান, আমরা টিলার মালিকদের কাগজাত নিয়ে আসার জন্য বলেছি।
কাগজ পর্য়ালোচনা করে দোষীদের বিরুদ্ধে মামলা করা হবে। যাদের নাম উল্ল্যেখ করা হয়েছে তাদের বিরুদ্ধে কোন ব্যবস্হা নেয়া হবে কিনা জানতে চাইলে তিনি বলেন অভিযুক্ত সবার বিরুদ্ধে মামলা হবে।
এসময় জোনাকী এলাকার স্হানীয় জনগনের সাথে কথা বলে টিলাকাটার সত্যতা যাচাই করেন। স্হানীয় জনগনকে সাথে নিয়ে তিনি টিলাকাটার স্হান পর্যবেক্ষন করে টিলাকাটা চক্রের বিরুদ্ধে আইনী ব্যবস্হা গ্রহন করা হবে বলে জানান।
এসময় স্হানীয় জনৈক এক ব্যাক্তি টিলা কাটার সাথে জড়িত কয়েকজনের নাম উল্ল্যেখ করেন। জানা যায়, সিডিআই বাবুল, আলাউদ্দিন, মাটি আনোয়ার, জোনাকির রিপন গংরা হলেন টিলা কাটার ঠিকাদার। সাথে রয়েছেন সিলেট সিটি কর্পোরেশনের অসাধু কয়েকজন কর্তা ব্যাক্তি।
আরও পড়ুন —http://টিলা কাটার অভিযোগ পেলে ঘটনাস্হলে আসেন উনারা চলে গেলে যেই লাউ সেই কদু