ডিসেম্বরকে সামনে রেখে সিলেটের গুরুত্বপূর্ণ এয়ারপোর্ট এলাকায় আওয়ামী লীগ, যুবলীগ, স্বেচ্ছাসেবক লীগ ও ছাত্রলীগের সন্ত্রাসীরা সংঘঠিত হচ্ছে। এলাকার ছালিয়া গ্রামের স্বেচ্ছাসেবক লীগ নেতা আহাদ মিয়ার নেতৃত্বে ফ্যাসিস্ট দলের সন্ত্রাসীরা সংগঠিত হচ্ছে এবং বিভিন্ন নাশকতার পরিকল্পনা করছে বলে অভিযোগ পাওয়া গেছে। স্বেচ্ছাসেবক লীগ সন্ত্রাসী আহাদ মিয়া সিলেট এয়ারপোর্ট থানাধীন ছালিয়া রঙ্গিটিলার আজির মিয়ার পুত্র। তার বিরুদ্ধে জুলাই আন্দোলনের একাধিক বিস্ফোরক মামলা রয়েছে।
আরও পড়ুন—জুলাই মামলার এজাহার নামীয় পলাতক আসামী হয়েও প্রকাশ্যে ঘুরে বেড়াচ্ছে আহাদ
এসএমপি পুলিশ সূত্রে জানা গেছে, আওয়ামী সন্ত্রাসী আহাদ মিয়া ২০২৪ সালের ১৯ জুলাই বিকেলে দলবল নিয়ে সিলেট নগরের বন্দরবাজার এলাকায় এমপি শফিউল আলম চৌধুরী নাদেল ও জেলা ছাত্রলীগের সাধারণ সম্পাদক রাহেল সিরাজের নেতৃত্বে আন্দোলনরত ছাত্রজনতার উপর ককটেল ও অস্ত্র নিয়ে হামলা চালায়। হামলায় ছাত্রজনতার কয়েকজন গুরুতর আহত হন।
এ ঘটনায় ২০২৪ সালের ৪ সেপ্টেম্বর সিলেট সদর কোতোয়ালি মডেল থানায় একটি মামলা হয়। যা’ থানার মামলা নং ৭/৪০৬।
বিস্ফোরক দ্রব্যাদি আইনসহ দণ্ডবিধি আইনে দায়ের করা ওই মামলায় আহাদ মিয়াকে ১৯ নং এজাহার নামীয় আসামী করা হয়। একই দিন কোর্ট পয়েন্ট এলাকায় ছাত্রজনতার উপর পৃথক হামলার ঘটনায় ২৯২৪ সালের ৫ অক্টোবর কোতোয়ালী থানায় বিস্ফোরক দ্রব্যাদি আইনে অরেকটি মামলা হয়। যা থানার মামলা নং ১০/৪৪৯। এ মামলায় আহাদ মিয়াকে ২৪ নং এজাহার নামীয় আসামী করা হয়।
এ সব মামলায় দীর্ঘ দুই বছরের অধিক সময় ধরে আহাদ মিয়া পলাতক থাকলেও অজ্ঞাত কারণে পুলিশ তাকে গ্রেফতার করছে না। গ্রেফতার এড়িয়ে আহাদ তার সন্ত্রাসী কর্মকাণ্ড ও দলীয় গোপন তৎপরতা অব্যাহত রেখেছে বলে স্থানীয়ভাবে অভিযোগ পাওয়া গেছে।