রাইজিংসিলেট- সিলেটের কোম্পানীগঞ্জে শ্রম ও কর্মসংস্থান এবং প্রবাসীকল্যাণ ও বৈদেশিক কর্মসংস্থানমন্ত্রী আরিফুল হক চৌধুরীকে নিয়ে ফেসবুকে পোস্ট দেওয়ার ঘটনায় থানায় নেওয়া পাথর ব্যবসায়ী জুবায়ের আহমদকে পরে ছেড়ে দিয়েছে পুলিশ। মঙ্গলবার রাত সাড়ে ১২টার দিকে বিএনপি নেতা শওকত আলী বাবুলের জিম্মায় তাকে মুক্তি দেওয়া হয়।
জুবায়ের আহমদ কোম্পানীগঞ্জ উপজেলার কলাবাড়ি গ্রামের বাসিন্দা। পাথর ব্যবসার পাশাপাশি তিনি একটি কিন্ডারগার্টেন স্কুলে শিক্ষকতা করেন।
স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, শনিবার নিজের ফেসবুক অ্যাকাউন্টে মন্ত্রীর ছবি ব্যবহার করে একটি পোস্ট দেন জুবায়ের। সেখানে পাথর মহাল চালু না হওয়ায় ক্ষোভ প্রকাশ করে তিনি দ্রুত পরিস্থিতি স্বাভাবিক করার দাবি জানান।
পোস্টটি নিয়ে মঙ্গলবার উপজেলা বিএনপির সাধারণ সম্পাদক আলী আকবর ও সিনিয়র সহসভাপতি শওকত আলী বাবুল জুবায়েরকে থানায় নিয়ে যান। পরে পুলিশ তার ফেসবুক পোস্ট ও অ্যাকাউন্ট ব্যবহারের বিষয়ে জিজ্ঞাসাবাদ করে।
কোম্পানীগঞ্জ থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা মোহাম্মদ উসমান গনি জানান, জুবায়েরকে গ্রেপ্তার করা হয়নি; ফেসবুকে দেওয়া পোস্টের বিষয়ে তথ্য যাচাই ও জিজ্ঞাসাবাদের জন্য তাকে থানায় আনা হয়েছিল। তার অ্যাকাউন্ট থেকে পোস্টটি তিনি নিজে করেছেন কি না এবং অন্য কেউ অ্যাকাউন্ট ব্যবহার করেছে কি না, সেসব বিষয়ও খতিয়ে দেখা হয়।
সিলেটে মোটরসাইকেলের ধাক্কায় কিশোর নি হ ত
পরে পুলিশ জানায়, জুবায়েরের ফেসবুক অ্যাকাউন্টের পোস্ট ও মন্তব্যের বিষয়ে যাচাই করা হয়েছে। তাকে আনুষ্ঠানিকভাবে গ্রেপ্তার বা আটক দেখানো হয়নি। জিজ্ঞাসাবাদ শেষে বিএনপি নেতা শওকত আলী বাবুলের জিম্মায় তাকে ছেড়ে দেওয়া হয়।
শওকত আলী বাবুল বলেন, ফেসবুক পোস্টকে কেন্দ্র করে বিষয়টি নিয়ে বিভ্রান্তি তৈরি হয়েছে। পোস্টটি জুবায়ের নিজে করেছেন কি না, তা নিশ্চিত হওয়ার জন্য যাচাই প্রয়োজন ছিল। তার ভাষ্য অনুযায়ী, পাথর মহাল চালুর দাবি জানানো অপরাধ নয় এবং কোনো নির্দোষ ব্যক্তি যাতে হয়রানির শিকার না হন, সেটি গুরুত্ব দিয়ে দেখা উচিত।
সিলেটে শিক্ষার্থীকে ধ র্ষ ণে র অভিযোগে প্রধান শিক্ষক গ্রেপ্তার
তিনি আরও জানান, জুবায়ের তার মোবাইল ফোন দেখিয়ে ওই পোস্ট ছাড়া অন্য কোনো পোস্ট করার কথা অস্বীকার করেছেন। পরে তিনি জুবায়েরকে নিজের জিম্মায় নিয়ে থানা থেকে বের করে আনেন।