সিলেটে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম সোশ্যাল মিডিয়া ফেসবুকে নামে বেনামে সংবাদ সংশ্লিষ্ট পেইজ বানিয়ে অপ-সাংবাদিকতা জাহির করছে ভিউ ব্যবসায়ীরা। এদের লালন পালন করছেন লিপিস্টিক নামীয় দলীয় নেতারা।
সিলেটের সাংবাদিক অঙ্গনে ও মিডিয়া পাড়ায় এদের অবাধ বিচরণ। কেউ কেউ আবার ইউটিউবে সংবাদ মাধ্যমের নাম দিয়ে ইউটিউব চ্যানেল খুলে সেই চ্যানেলের নাম দিয়ে স্টিকার বানিয়ে মোটর সাইকেলের সামনে লাগিয়ে দিব্বি শহর জুড়ে ঘুরছে। ফেসবুক পেইজের বেশির ভাগই অনুমোদনহীন।
যারা সরকারের তথ্য ও সম্প্রচার মন্ত্রনালয় থেকে নিবন্ধিত, তারা এদের কারণে পড়েছে বেকায়দায়। একটি পোগ্রামে মোবাইল আর স্ট্যান্ড হাতে ৩০/৪০ জন দাঁড়িয়ে ভিডিও লাইভ বা রেকর্ড করে থাকে। এদের বেশির ভাগই পেইড ও নাম সর্বস্ব ফেসবুক পেইজের এডমিন। তাদের হাবভাব দেখে বোঝার উপায় নেই এরা অবৈধ ও অনুমোদনহীন।
এদের পেইজে ফলোয়ার বেশি থাকার কারণে নেতা আর পাতি নেতাদের কাছে এদের মূল্য অনেক বেশি। অপরদিকে যারা প্রকৃত সাংবাদিক তারা পড়েছে বেকায়দায়। অপ-সাংবাদিকদের দামি মোটর সাইকেল আর চালচলনে এদেরকেই আসল সাংবাদিক হিসেবে মনে করে সাধারণ মানুষ।
সাম্প্রতিক সময়ে সিলেটে বেপরোয়া হয়ে উঠেছে এসব ফেসবুক পেইজের এডমিনরা। টাকা পেলে যেকারো বিরুদ্ধে অপপ্রচার চালাতে ব্যস্ত তারা। অনেক ভোক্তভোগি আদালতের শরণাপন্ন হলেও বিভিন্ন কারণে কেউ আইনী পদক্ষেপ নিতে পারেন না। এ ছাড়া ভুয়া ফেসবুক আইডি বানিয়ে মানুষের চরিত্র হরণের প্রতিযোগিতা চললেও সরকার থেকে কার্যকর কোনো ব্যবস্থা নেওয়া হচ্ছেনা বলে অনেকেই মত প্রকাশ করেন।
সূত্র- সাপ্তাহিক বাংলার বারুদ