ঢাকাThursday , 29 October 2026
  1. অর্থনীতি
  2. আদালত
  3. আন্তর্জাতিক
  4. আরো
  5. খেলার খবর
  6. গণমাধ্যম
  7. চাকরির খবর
  8. জাতীয়
  9. দেশের খবর
  10. ধর্ম পাতা
  11. পরিবেশ
  12. প্রবাস
  13. প্রেস বিজ্ঞপ্তি
  14. বিজ্ঞান প্রযুক্তি
  15. বিনোদন
আজকের সর্বশেষ সবখবর

বদলি হয়েও থামেনি সিন্ডিকেটের দৌরাত্ম্য! সিসিকের দুর্নীতির অ ভি যো গে তোলপাড়

rising sylhet
rising sylhet
October 29, 2026 5:13 pm
Link Copied!

ads

সিলেট সিটি কর্পোরেশনে (সিসিক) দীর্ঘদিন ধরে সক্রিয় থাকা একটি অত্যন্ত প্রভাবশালী, সুসংগঠিত ও অসাধু সিন্ডিকেটের নজিরবিহীন জালিয়াতি, ক্ষমতার চরম অপব্যবহার, সরকারি রাজস্ব আত্মসাৎ এবং শত কোটি টাকার অবৈধ সম্পদ অর্জনের চাঞ্চল্যকর তথ্য উন্মোচিত হয়েছে। নগরবাসীর নাগরিক সেবা, স্বস্তি এবং অবকাঠামো উন্নয়নের জন্য বরাদ্দকৃত কোটি কোটি টাকা এখন গুটিকয়েক কর্মকর্তা-কর্মচারীর ব্যক্তিগত পকেটে চলে যাচ্ছে। সিলেট সিটি কর্পোরেশনের বর্তমান প্রশাসক আব্দুল কাইয়ুম চৌধুরী বিরামহীনভাবে দিনরাত মাঠপর্যায়ে সরেজমিনে ঘুরে উন্নয়ন কর্মকাণ্ড ত্বরান্বিত করার আপ্রাণ চেষ্টা করে যাচ্ছেন।

 আরও পড়ুন–সিসিকে দুর্নীতির ‘সিন্ডিকেট’! জাল সিল-স্বাক্ষর, নকশা জালিয়াতি ও শত কোটি টাকার সম্পদের অভিযোগ-পর্ব ১

 

তিনি যেখানেই কোনো অনিয়ম ও ঘাপলা দেখতে পাচ্ছেন, নিজেই ছুটে গিয়ে সাধারণ মানুষের সাথে কথা বলে সমাধান করার চেষ্টা করছেন। কিন্তু নগর ভবনের অভ্যন্তরে ঘাপটি মেরে থাকা কতিপয় অসাধু কর্মকর্তা-কর্মচারীর লুণ্ঠন ও সিন্ডিকেট বাণিজ্যের কারণে তাঁর সার্বিক উন্নয়ন প্রয়াসের ১৬ আনার মধ্যে ১০ আনাই ব্যার্থ হতে বসেছে। একটি দিকে সিটি এলাকার সাধারণ মানুষের জীবন মান উন্নয়নে কাজ করছেন প্রশাসক অপরদিকে নিজের ঘরে বসেই পুকুর চুরি করছে কতিপয় কর্মকর্তা কর্মচারীরা। সম্প্রতি সিলেট সিটি কর্পোরেশনের ১৪ জন দুর্নীতিবাজ কর্মকর্তার বিরুদ্ধে ইতিপূর্বে গুরুতর দুর্নীতির অভিযোগ ওঠার পর এবার নড়েচড়ে বসেছে দুর্নীতি দমন কমিশন (দুদক) প্রধান কার্যালয়। সম্প্রতি এই চক্রের বিরুদ্ধে দুদক ঢাকা অফিসে অভিযোগ করেছেন এক ভুক্তভোগী।

আরও পড়ুন—সিসিকে কোটি টাকা লোপাটকারীও জালিয়াতি সিন্ডিকেটের বিরুদ্ধে দুদকে অ ভি যো গ দায়ের

তিনি তার অভিযোগে সিটি দূর্নীতিবাজ কর্মকর্তাদের দূর্নীতির নানা রকম চিত্র তুলে ধরেছেন। সর্বশেষ প্রাপ্ত তথ্য মতে, খুব শীঘ্রই এসব দুর্নীতিবাজ কর্মকর্তাদের বিরুদ্ধে দুর্নীতি ও অবৈধ সম্পদ অর্জনের অভিযোগে অনুসন্ধানে নামছে দুদকের একটি শক্তিশালী টিম। সাধারণ নগরবাসী মনে করেন সঠিকভাবে তদন্ত হলে সিটি কর্পোরেশনে যুগের পর যুগ ক্ষমতার অপব্যবহার করে আসা এসব কর্মকর্তার অনেকেই ফেঁসে যেতে পারেন, এমন আতঙ্ক এখন ঘাপটি মেরে থাকা কর্মকর্তাদের মাঝে বিরাজ করছে। এর আগে ২১ নম্বর ওয়ার্ডের বাসিন্দা মোহাম্মদ সাদিকুর রহমানসহ একাধিক ভুক্তভোগী ও সচেতন নাগরিক দুর্নীতি দমন কমিশনের (দুদক) প্রধান কার্যালয়ে সিসিকের সুনির্দিষ্ট ১৪জন কর্মকর্তা-কর্মচারীর নাম ও দাপ্তরিক নথিপত্রসহ প্রাতিষ্ঠানিক নিরপেক্ষ তদন্তের লিখিত আবেদন দাখিল করেছেন। তবে সিসিক কর্তৃপক্ষ ও সংশ্লিষ্ট প্রশাসন কঠোর ও সুনির্দিষ্ট পদক্ষেপ নিতে বিলম্ব করায় এই সিন্ডিকেটের দৌরাত্ম্য আরও বৃদ্ধি পাচ্ছে। সিসিককে নিজেদের পারিবারিক সম্পত্তি মনে করে যারা দীর্ঘদিন ধরে লুণ্ঠন চালিয়ে যাচ্ছেন, তাদের অনৈতিক নেটওয়ার্ক এতটাই গভীরে বিস্তার করেছে যে, বদলি, অবসর কিংবা আত্মগোপনে থেকেও তারা তাদের অপকর্ম চালিয়েি যাচ্ছেন।

ads

আরও পড়ুন —সিসিক কি কেবল কর আদায়ের প্রতিষ্ঠান-মশক নিধনে সিসিকের ভূমিকা নিয়ে প্রশ্ন

ঢাকায় বসে ঠিকমতো রিমোট কন্ট্রোলে সিসিকের ব্যাকডেটেড ফাইল অ কারসাজি, কমিশন বাণিজ্য ও জালিয়াতির পুরো রাজ্য নিয়ন্ত্রণ করছেন সিসিক ি থেকে ঢাকায় বদলিকৃত সাবেক প্রধান প্রকৌশলী নূর আজিজুর রহমান এবং বগুড়ায় বদলি হওয়া সাবেক ভারপ্রাপ্ত প্রধান প্রকৌশলী মো. আলী আকবর। বদলি হয়েও তারা বিপুল অঙ্কের তদবির বাণিজ্যের মাধ্যমে পুনরায় সিসিকে ও ফিরে আসার পায়তারা চালাচ্ছেন, যা থেকে স্পষ্ট ফুটে ওঠে যে সিসিক এই অ দুর্নীতিবাজদের কাছে যেন টাকার একটি কালো টাকার খনি। সিসিকের ি প্রশাসনিক ও প্রকৌশল সংক্রান্ত ফাইল অনুমোদন, নকশা যাচাইকরণ ও সরকারি পে-অর্ডার জমা দেওয়ার নির্ধারিত সরকারি দফতর থাকলেও, সিলেট নগরীর ঐতিহ্যবাহী সুরমা মার্কেট থেকে সিসিকের সাবেক মেয়র, প্রধান নি নির্বাহী কর্মকর্তা, সচিব, প্রধান প্রকৌশলী, তত্ত্বাবধায়ক প্রকৌশলী এবং নির্বাহী প্রকৌশলীসহ শীর্ষ পর্যায়ের সকল কর্মকর্তার হুবহু নকল সিল তৈরি করানো হয়।

সরকারি নথি অনুমোদনে জালিয়াতির প্রতিটি ধাপে উচ্চপদস্থ কর্মকর্তাদের দাপ্তরিক স্বাক্ষর নিখুঁতভাবে নকল ও জাল করার কাজ চালানো হতো সুকৌশলে। বিশেষ একটি শোয়ার ঘরে বসেই রাতারাতি অবৈধ ইমারত নকশা ও ব্যাকডেটেড ফাইলের অনুমোদন তৈরি করা হতো। এছাড়া সিসিকে কর্মরত প্রায় ২৫৮ জন অস্থায়ী ও দিনমজুর কর্মচারীকে চাকরি স্থায়ী করার ভুঁইফোড় আশ্বাস দিয়ে হাইকোর্টের প্রসেসিং ফি বাবদ জনপ্রতি ১০,০০০ টাকা করে মোট ২৫,৫০,০০০ টাকা হাতিয়ে নিয়েছে এই চক্র। টাকা ফেরত চাইলে কর্মচারীদের চাকরিচ্যুতির হুমকি দেওয়া হতো।

এই সাইটে নিজম্ব নিউজ তৈরির পাশাপাশি বিভিন্ন নিউজ সাইট থেকে খবর সংগ্রহ করে সংশ্লিষ্ট সূত্রসহ প্রকাশ করে থাকি। তাই কোন খবর নিয়ে আপত্তি বা অভিযোগ থাকলে সংশ্লিষ্ট নিউজ সাইটের কর্তৃপক্ষের সাথে যোগাযোগ করার অনুরোধ রইলো।বিনা অনুমতিতে এই সাইটের সংবাদ, আলোকচিত্র অডিও ও ভিডিও ব্যবহার করা বেআইনি।