রাইজিংসিলেট- আর্জেন্টিনার বুয়েনস আইরেসের ঐতিহাসিক মনুমেন্তাল স্টেডিয়ামে জাতীয় দলের হয়ে বিদায়ী বক্তব্য দিয়েছেন লিওনেল মেসি। আবেগঘন এই আয়োজনে গ্যালারিতে উপস্থিত সমর্থক ও সতীর্থদের অনেকেই কান্নায় ভেঙে পড়লেও মেসিকে দেখা যায় বেশ শান্ত ও আত্মবিশ্বাসী।
বিদায়ী বক্তব্যে বিশ্বকাপকে ঘিরে ছড়িয়ে পড়া নানা গুঞ্জন ও কথিত ‘ষড়যন্ত্র তত্ত্ব’ নিয়েও কথা বলেন আর্জেন্টাইন অধিনায়ক। তার বক্তব্য, বিশ্বকাপের সময় কিংবা দলের পারফরম্যান্সের পেছনে কোনো রহস্যময় ঘটনা ছিল না। দল নিজেদের সামর্থ্য অনুযায়ী সর্বোচ্চ চেষ্টা করেছিল। যে গণভোট হয়েছে সেটা আইনি গণভোট,আমরা আইনি রূপ দিতে পারিনি-স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী
মেসি জানান, জাতীয় দলের জার্সিতে আরও খেলার ইচ্ছা তার সবসময়ই ছিল। তবে ক্যারিয়ারের এই পর্যায়ে সরে দাঁড়ানোর সময় এসেছে বলে মনে করছেন তিনি। তার ভাষায়, সর্বশেষ বিশ্বকাপের পথচলা ছিল অত্যন্ত কঠিন এবং শারীরিক-মানসিকভাবে বড় ধরনের চাপের।
বিশ্বকাপের গুরুত্বপূর্ণ ম্যাচগুলোর প্রসঙ্গ টেনে মেসি বলেন, ইংল্যান্ডের বিপক্ষে সেমিফাইনালের লড়াই দলকে প্রচণ্ডভাবে ক্লান্ত করে দিয়েছিল। ওই ম্যাচের পর শারীরিক ও মানসিক ধকল সামলে পরবর্তী সময়ে মাঠে টিকে থাকাই কঠিন হয়ে পড়েছিল বলে জানান তিনি।
জাতীয় দলের হয়ে অতীতে যারা মাঠে নেমেছেন, তাদেরও স্মরণ করেন মেসি। তার মতে, ট্রফি জেতা কিংবা না-জেতার বিষয়টি আলাদা হলেও দেশের জার্সি গায়ে দেওয়া প্রত্যেক খেলোয়াড়ই নিজেদের সর্বোচ্চটা দেওয়ার চেষ্টা করেছেন।
বিদায়ী বক্তব্যে সতীর্থদের ঐক্যবদ্ধ থাকার আহ্বানও জানান আর্জেন্টাইন তারকা। তিনি বলেন, দল একসঙ্গে থাকলে যেকোনো প্রতিকূলতার মোকাবিলা করা সম্ভব। সামনে কঠিন সময় এলেও ঐক্য ধরে রাখার ওপর গুরুত্ব দেন তিনি।
মেসির বক্তব্যে জাতীয় দলকে ঘিরে নেতিবাচক প্রচারণা ও বাইরের চাপের বিষয়টিও উঠে আসে। আর্জেন্টিনার পতন দেখতে চায় সিলেটে ১৩ পিপিসহ ১২১ আইন কর্মকর্তা নিয়োগ এমন লোকদের সেই সুযোগ না দেওয়ার জন্য সতীর্থদের প্রতি আহ্বান জানান তিনি।
তার মতে, সংকটের সময়ই একটি দলের প্রকৃত শক্তি প্রকাশ পায়। তাই ভবিষ্যতের চ্যালেঞ্জ মোকাবিলায় শক্তিশালী ও ঐক্যবদ্ধ আর্জেন্টিনা গড়ে তোলার বার্তা দিয়ে বিদায়ী বক্তব্য শেষ করেন মেসি।