
শিপুর বয়স মাত্র ২০ বছর। সে সিলেট মডেল নার্সিং কলেজের প্রথম বর্ষের ছাত্র। বাড়ি মৌলভীবাজারের বড়লেখা উপজেলার হাকালুকি হাওরপারের পশ্চিম গগড়া গ্রামে। বাবা নিতাই দাস স্থানীয় বাজারে ছোট ব্যবসা করেন। সংসারে একমাত্র উপার্জনক্ষম ব্যক্তি তিনি।
শিপু লাল দাস একদিন নার্স হয়ে মানুষের সেবা করবে-এমন স্বপ্ন ছিল তার পরিবারের। স্বপ্ন ছিল শিপুরও। কিন্তু হঠাৎ করেই যেন সব স্বপ্ন থমকে গেছে। কারণ শিপু এখন হাসপাতালের বিছানায় জীবন-মৃত্যুর সঙ্গে লড়ছেন। তার শরীরে ধরা পড়েছে বিরল ও জটিল স্নায়বিক রোগ জিবিএস (গিলিয়েন ব্যারে সিনড্রোম)।
চিকিৎসকরা জানিয়েছেন, শিপুকে বাঁচাতে হলে জরুরি ভিত্তিতে দিতে হবে জিবিএস-এর ৫টি ইনজেকশন। শুধু ইনজেকশনেই খরচ হবে প্রায় ৫ লক্ষ টাকা। ইনজেকশনের খরচ ছাড়াও আছে হাসপাতালের অন্যান্য ব্যয়। সব মিলিয়ে প্রায় ৬-৭ লাখ টাকা প্রয়োজন। শিপুর জীবন বাঁচাতে পরিবার ইতোমধ্যে নিজেদের শেষ সম্বল বিক্রি করে দিয়েছে। এ অবস্থায় শিপুর পরিবার এখন সমাজের সকল হৃদয়বান মানুষের দিকে চেয়ে রয়েছে। সবার ভালোবাসা ও সহায়তা পেলে হয়তো শিপু আবারও স্বাভাবিক জীবনে ফিরতে পারবে।
জানা গেছে, কিছুদিন আগে হঠাৎ অসুস্থ হয়ে পড়ে শিপু। পরে চিকিৎসকরা জানান, শিপু জিবিএস (গিলিয়েন ব্যারে সিনড্রোম) নামক বিরল ও জটিল স্নায়বিক ভাইরাসে আক্রান্ত হয়েছে। ভাইরাসটির কারণে ধীরে ধীরে তার পুরো শরীর অবস হয়ে পড়ে। প্রথমে তাকে জালালাবাদ রাগীব-রাবেয়া মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। কিন্তু দীর্ঘমেয়াদি চিকিৎসার বিপুল খরচ সামলাতে না পেরে তার পরিবার তাকে সিলেট এমএজি ওসমানী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে স্থানান্তর করেছে।
সহায়তা পাঠানোর তথ্য:
নাম: বিজিত লাল দাস
অ্যাকাউন্ট নম্বর: ৫৮০১৬৩৪০৩৩৩২১
সোনালী ব্যাংক লিমিটেড, বড়লেখা শাখাশাখা কোড: ৫৮০১৬
বিকাশ (পার্সোনাল), নগদ, রকেট: ০১৭৩৩৯১৬৬৩৫
ব্যাংক অ্যাকাউন্ট: