দল কী বলেছে তা জানা নেই।দল থেকে বহিষ্কারের দুই মাস পর নিজেকে এখনো বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর সংসদ সদস্য (এমপি) বলে দাবি করেছেন সাতক্ষীরা-৪ আসনের সংসদ সদস্য গাজী মো. নজরুল ইসলাম। অন্যদিকে দলটির দায়িত্বশীল নেতারা বলছেন, বহিষ্কারের পর তিনি আর জামায়াতের কেউ নন।
সাতক্ষীরা-৪ আসন থেকে তৃতীয়বারের মতো নির্বাচিত ৭৫ বছর বয়সী এই সংসদ সদস্য গণমাধ্যমকে বলেন, আমাকে দল থেকে বহিষ্কার করা হয়েছে। তবে সদস্যপদ আল্লাহর রহমতে এখনো আছে। খাতা-কলমে সব জায়গায় আমি জামায়াতের সদস্য হিসেবেই আছি।” তিনি আরও জানান, দল তার বিষয়ে কী বলেছে তা তার জানা নেই।তবে এই বক্তব্যের সম্পূর্ণ বিপরীত মত দিয়েছেন জামায়াতের কেন্দ্রীয় নেতারা। জামায়াতের কেন্দ্রীয় নির্বাহী পরিষদের সদস্য ও সাতক্ষীরা-১ আসনের সংসদ সদস্য মো. ইজ্জতুল্লাহ জানান, বহিষ্কারের সিদ্ধান্ত ইতিমধ্যেই সংসদ সচিবালয় ও নির্বাচন কমিশনে (ইসি) লিখিতভাবে জানানো হয়েছে।
একই সুর তুলে দলটির সহকারী সেক্রেটারি জেনারেল এহসানুল মাহবুব জুবায়ের বলেন, আমরা তাকে দল থেকে বহিষ্কার করার পর স্পিকার ও ইলেকশন কমিশনসহ সংশ্লিষ্ট সব জায়গায় চিঠি পাঠিয়ে দিয়েছি।সম্প্রতি সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে এক তরুণীর সঙ্গে ব্যক্তিগত মুহূর্তের ভিডিও ছড়িয়ে পড়ার পর গত ২২ জুলাই নৈতিক স্খলনের অভিযোগে গাজী মো. নজরুল ইসলামকে দল থেকে বহিষ্কার করে জামায়াতে ইসলামী। পরে তার বিষয়ে প্রয়োজনীয় আইনি ব্যবস্থা নিতে স্পিকার ও নির্বাচন কমিশনে চিঠি দেওয়া হয়।
দল থেকে বহিষ্কারের পর জাতীয় সংসদে তার সদস্যপদ বহাল থাকবে নাকি তিনি স্বতন্ত্র সদস্য হিসেবে গণ্য হবেন—সেই বিষয়টি এখন স্পিকার হাফিজ উদ্দিন আহমদ ও নির্বাচন কমিশনের সিদ্ধান্তের ওপর নির্ভর করছে। তবে জামায়াতের চিঠির পরিপ্রেক্ষিতে স্পিকার কিংবা নির্বাচন কমিশন থেকে এখন পর্যন্ত চূড়ান্ত কোনো সিদ্ধান্ত দেওয়া হয়নি।