রাইজিংসিলেট- যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে চলমান আলোচনায় যুদ্ধবিরতি ও দীর্ঘমেয়াদি সমঝোতার জন্য কয়েকটি গুরুত্বপূর্ণ দাবি সামনে এনেছে ইরান। দেশটির কর্মকর্তাদের বক্তব্য অনুযায়ী, শুধু সাময়িকভাবে সংঘাত থামানো নয়, বরং ভবিষ্যতে স্থায়ী সমাধানের পথ তৈরি করাই তেহরানের লক্ষ্য।
ইরানের প্রধান দাবিগুলোর মধ্যে রয়েছে—
১. মার্কিন নিষেধাজ্ঞা প্রত্যাহার
ইরান চায়, দেশটির ওপর যুক্তরাষ্ট্রের আরোপ করা অর্থনৈতিক নিষেধাজ্ঞাগুলো প্রত্যাহার করা হোক। তেহরানের মতে, নিষেধাজ্ঞা বহাল রেখে দীর্ঘমেয়াদি রাজনৈতিক সমঝোতা কার্যকর করা কঠিন।
২. আটকে থাকা ইরানি সম্পদ মুক্ত করা
বিভিন্ন দেশে আটকে থাকা বা জব্দ করা ইরানি অর্থ ও সম্পদ ছাড় করার দাবিও জানিয়েছে তেহরান। এসব সম্পদ অর্থনীতিকে স্বাভাবিক অবস্থায় ফিরিয়ে আনতে গুরুত্বপূর্ণ বলে মনে করছে ইরান।
৩. নৌ অবরোধ প্রত্যাহার
যুক্তরাষ্ট্রের আরোপ করা নৌ অবরোধ প্রত্যাহারের বিষয়টিকেও আলোচনায় গুরুত্বপূর্ণ শর্ত হিসেবে তুলে ধরেছে ইরান। বিশেষ করে তেল রপ্তানি স্বাভাবিক রাখার ক্ষেত্রে এই বিষয়টি তেহরানের কাছে গুরুত্বপূর্ণ।
মধ্যস্থতায় কাতার ও পাকিস্তান
ইরানি কর্মকর্তাদের ভাষ্য অনুযায়ী, যুক্তরাষ্ট্র ও ইরানের মধ্যে আলোচনায় কাতার ও পাকিস্তান মধ্যস্থতাকারীর ভূমিকা পালন করছে। আলোচনায় তাৎক্ষণিক যুদ্ধবিরতির পাশাপাশি দীর্ঘমেয়াদি শান্তি ও অর্থনৈতিক স্থিতিশীলতার বিষয়ও গুরুত্ব পাচ্ছে।
ইরানের অবস্থান হলো, ভবিষ্যতে যাতে আবার একই ধরনের সংঘাত তৈরি না হয়, সে জন্য যেকোনো চুক্তিতে কার্যকর ও দীর্ঘস্থায়ী নিশ্চয়তা থাকতে হবে। বয়কটের ঘোষণা দিয়েছে সিলেট মহানগর বিএনপি
তবে ইরানের এসব দাবির বিষয়ে যুক্তরাষ্ট্র কী অবস্থান নেবে এবং শেষ পর্যন্ত দুই দেশ কোনো সমঝোতায় পৌঁছাতে পারবে কি না, তা এখনো নিশ্চিত নয়। নিষেধাজ্ঞা প্রত্যাহার, ইরানি সম্পদ মুক্ত করা এবং তেল রপ্তানির সুযোগ নিশ্চিত করা—এই বিষয়গুলোই আলোচনায় বড় চ্যালেঞ্জ হয়ে উঠতে পারে।
সূত্র: আল-জাজিরা; প্রতিবেদনটি ২০ সেপ্টেম্বর ২০২৬-এর প্রকাশিত তথ্যের ভিত্তিতে পুনর্লিখিত।