ঢাকাSunday , 20 September 2026
  1. অর্থনীতি
  2. আদালত
  3. আন্তর্জাতিক
  4. আরো
  5. খেলার খবর
  6. গণমাধ্যম
  7. চাকরির খবর
  8. জাতীয়
  9. দেশের খবর
  10. ধর্ম পাতা
  11. পরিবেশ
  12. প্রবাস
  13. প্রেস বিজ্ঞপ্তি
  14. বিজ্ঞান প্রযুক্তি
  15. বিনোদন
আজকের সর্বশেষ সবখবর

চুরির অপবাদে পিটিয়ে হ ত্যা র ১৩ দিন পরও দুই থানার পুলিশের কাছে ঘুরেও সাড়া মিলছে না

rising sylhet
rising sylhet
September 20, 2026 9:02 pm
Link Copied!

ads

 পণ্যের দোকানে চুরির অপবাদে পিটিয়ে হত্যার ১৩ দিন পরও মামলা হয়নি। নিহতের পরিবারের অভিযোগ, মামলা করতে গিয়ে দুই থানার পুলিশের কাছে ঘুরেও সাড়া মিলছে না। ঘটনাটি নিয়ে গাজীপুরের শ্রীপুর ও ময়মনসিংহের ভালুকা থানার পুলিশের মধ্যে মামলা গ্রহণের এখতিয়ার নিয়ে গড়িমসি চলছে।

 

 

 

 

নিহত সুজন মিয়া (৩৫) শেরপুরের শ্রীবরদী উপজেলার ভেলুয়া গ্রামের আমিনুল হক কালুর ছেলে। তিনি গাজীপুরের শ্রীপুর উপজেলার তেলিহাটি এলাকার আবদার পাড়ায় তাসলিমার বাড়িতে ভাড়া থাকতেন।জানা যায়, গত ৭ সেপ্টেম্বর ভালুকা উপজেলার জামিরদিয়া মাস্টারবাড়ি এলাকায় একটি ইলেকট্রনিকস পণ্যের দোকানে চুরির সন্দেহে সুজনকে মারধর করা হয়। এতে তিনি অচেতন হয়ে পড়েন।

 

 

 

 

 

 

মারধরকারীরা তাকে মৃত মনে করে সিএনজিচালিত অটোরিকশায় করে গাজীপুরের শ্রীপুরের দিকে নিয়ে যান এবং জৈনা বাজার এলাকায় ঢাকা-ময়মনসিংহ মহাসড়কের ফুটওভার ব্রিজের নিচে একটি ময়লার স্তূপে ফেলে রেখে চলে যান।পরে স্থানীয় লোকজন তাকে দেখতে পেয়ে মাথায় পানি ঢেলে জ্ঞান ফেরানোর চেষ্টা করেন। খবর পেয়ে রাতে পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে সুজনকে উদ্ধার করে। তবে ততক্ষণে তার মৃত্যু হয়।

 

 

 

 

 

পরে মরদেহ ময়নাতদন্তের জন্য গাজীপুরের শহীদ তাজউদ্দীন আহমদ মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে পাঠানো হয়। ময়নাতদন্ত শেষে মরদেহ স্বজনদের কাছে হস্তান্তর করা হলে ৮ সেপ্টেম্বর রাতে গ্রামের বাড়িতে তার দাফন সম্পন্ন হয়।স্থানীয় সূত্রের দাবি, মৃত্যুর আগে সুজন আশপাশের লোকজনকে জানিয়েছিলেন, ভালুকার জামিরদিয়া মাস্টারবাড়ি এলাকার কয়েকজন তাকে চোর সন্দেহে মারধর করেছেন। গুরুতর আহত হওয়ার পর তাকে সিএনজিচালিত অটোরিকশায় করে গাজীপুরের দিকে নিয়ে যাওয়া হয়।

ads

 

 

 

 

পথে তিনি জ্ঞান হারিয়ে ফেলেন।নিহত সুজনের চাচা মানিক মিয়া বলেন, ৮ সেপ্টেম্বর রাতে মরদেহ বাড়িতে এনে দাফন করা হয়েছে। সুজনের দুই সন্তান নানার বাড়িতে থাকে এবং তার স্ত্রী জর্ডানে থাকেন। পারিবারিকভাবে আলোচনা করে মামলা করার প্রস্তুতি নেওয়া হচ্ছে। এদিকে মামলা গ্রহণের বিষয়ে দুই থানার পুলিশের বক্তব্যে ভিন্নতা দেখা দিয়েছে।শ্রীপুর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মোহাম্মদ শাহীনূর আলম বলেন, ভালুকার মাস্টারবাড়ি এলাকায় একটি ইলেকট্রনিকস পণ্যের দোকানে চুরির সন্দেহে সুজনকে মারধর করা হয় বলে তারা জানতে পেরেছেন। পরে তাকে সিএনজিতে করে জৈনা বাজার এলাকায় ফেলে যাওয়া হয় এবং সেখানে তার মৃত্যু হয়।

 

 

 

 

 

তিনি বলেন, মারধরের ঘটনা ভালুকা থানা এলাকায় হওয়ায় মরদেহের ময়নাতদন্তের প্রতিবেদনসহ প্রয়োজনীয় তথ্য ভালুকা থানায় পাঠানো হয়েছে। এ ঘটনায় ভালুকা থানায় মামলা হওয়ার কথা। তাদের থানায় এ বিষয়ে করার কিছু নেই।অন্যদিকে ভালুকা মডেল থানার ওসি মো. জাহিদুল ইসলাম বলেন, সুজনকে ভালুকা থানা এলাকায় মারধর করা হলেও তার মৃত্যু হয়েছে শ্রীপুর থানা এলাকায়। তাই তাদের থানায় মামলা নেওয়ার সুযোগ নেই। শ্রীপুর থানায় মামলা হওয়ার পর তদন্তের প্রয়োজনে তাদের কাছে এলে পুলিশ সহযোগিতা করবে।

 

 

 

 

এ বিষয়ে ময়মনসিংহের অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (অর্থ ও প্রশাসন) মো. আব্দুল্লাহ আল মামিন বলেন, মারধরের ঘটনা ভালুকায় হলেও সুজনের মৃত্যু হয়েছে শ্রীপুর থানা এলাকায়। আইনগত ব্যবস্থা শ্রীপুর থানা পুলিশই নেবে। তবে নিহতের পরিবারের পক্ষ থেকে ভালুকা থানায় কোনো অভিযোগ দেওয়া হয়নি বলেও জানান তিনি।গাজীপুরের পুলিশ সুপার মোহাম্মদ জসীম উদ্দিন বলেন, ঘটনাটি তার জানা নেই। বিষয়টি খোঁজ নিয়ে দেখবেন বলে জানান তিনি।

এই সাইটে নিজম্ব নিউজ তৈরির পাশাপাশি বিভিন্ন নিউজ সাইট থেকে খবর সংগ্রহ করে সংশ্লিষ্ট সূত্রসহ প্রকাশ করে থাকি। তাই কোন খবর নিয়ে আপত্তি বা অভিযোগ থাকলে সংশ্লিষ্ট নিউজ সাইটের কর্তৃপক্ষের সাথে যোগাযোগ করার অনুরোধ রইলো।বিনা অনুমতিতে এই সাইটের সংবাদ, আলোকচিত্র অডিও ও ভিডিও ব্যবহার করা বেআইনি।