রাইজিংসিলেট- খাবারের পর মাঝে মাঝে ঢেকুর ওঠা স্বাভাবিক। তবে অস্বাভাবিকভাবে ঘন ঘন ঢেকুর উঠতে থাকলে এর পেছনে শুধু গ্যাস নয়, অন্য কারণও থাকতে পারে।
দ্রুত খাবার খাওয়া, খাবারের সময় বেশি কথা বলা, চুইংগাম চিবানো, স্ট্র দিয়ে পানীয় পান করা, ধূমপান এবং কোমল পানীয় পান করলে শরীরে অতিরিক্ত বাতাস ঢুকে যেতে পারে। একসঙ্গে বেশি খাবার খেলেও পেট ভার হয়ে ঢেকুরের প্রবণতা বাড়তে পারে।
ঢেকুর কমাতে যা করতে পারেন
– ধীরে ধীরে খাবার খান।- খাবার ভালোভাবে চিবিয়ে খান।- একবারে বেশি খাবার না খেয়ে পরিমাণ নিয়ন্ত্রণ করুন।- কোমল ও কার্বনেটেড পানীয় কমিয়ে দিন।- কোন খাবারে পেট ফাঁপা বা অস্বস্তি বাড়ে, তা লক্ষ্য করুন। – খাওয়ার সময় অতিরিক্ত বাতাস গিলে ফেলার অভ্যাস এড়িয়ে চলুন।
কখন চিকিৎসকের পরামর্শ প্রয়োজন?
ঘন ঘন ঢেকুরের সঙ্গে যদি গিলতে সমস্যা, দীর্ঘদিনের বদহজম, ক্ষুধা কমে যাওয়া, অকারণে ওজন কমে যাওয়া, বারবার বমি, পায়খানার অভ্যাসে পরিবর্তন বা মলের সঙ্গে রক্ত দেখা যায়, তাহলে বিষয়টি অবহেলা না করে চিকিৎসকের পরামর্শ নেওয়া উচিত।
সিলেট ইঞ্জিনিয়ারিং কলেজে শিক্ষার্থীদের আ ন্দোলন, ২৪ ঘণ্টা অবরুদ্ধ অধ্যক্ষ-শিক্ষক
এ ছাড়া দীর্ঘস্থায়ী পেটব্যথা বা পেটের ওপরের অংশে অস্বস্তি থাকলেও চিকিৎসকের মাধ্যমে কারণ খুঁজে দেখা প্রয়োজন।
বুকব্যথাকে শুধু গ্যাস ভেবে অবহেলা করবেন না। বুকব্যথার সঙ্গে শ্বাসকষ্ট, মাথা ঘোরা, অতিরিক্ত ঘাম, বমিভাব অথবা ব্যথা হাত, চোয়াল কিংবা পিঠে ছড়িয়ে পড়লে দ্রুত জরুরি চিকিৎসা নিন।
সিলেটে হামের পরিস্থিতি উদ্বেগজনক, একদিনে হাসপাতালে ভর্তি ২০১
বারবার ঢেকুর ওঠার কারণ ব্যক্তিভেদে ভিন্ন হতে পারে। তাই সমস্যা দীর্ঘস্থায়ী হলে নিজে থেকে ওষুধ না খেয়ে চিকিৎসকের পরামর্শ নেওয়াই নিরাপদ।