রাইজিংসিলেট- চুলের যত্নে শ্যাম্পু, কন্ডিশনার কিংবা বিভিন্ন ধরনের হেয়ার কেয়ার পণ্য ব্যবহার করলেও চিরুনি বা হেয়ার ব্রাশের পরিচ্ছন্নতার বিষয়টি অনেক সময় অবহেলিত থাকে। দীর্ঘদিন একই চিরুনি ব্যবহার করলে এতে চুলের তেল, মৃত কোষ, ধুলাবালি এবং বিভিন্ন প্রসাধনীর অবশিষ্টাংশ জমতে পারে।
তাই নিয়মিত পরিষ্কার করার পাশাপাশি চিরুনি কখন বদলানো প্রয়োজন, সেটিও খেয়াল রাখা দরকার।
দাঁত ভেঙে গেলে বা বেঁকে গেলে
চিরুনির দাঁত ভেঙে যাওয়া, বেঁকে যাওয়া কিংবা স্বাভাবিক অবস্থান থেকে সরে যাওয়ার কারণে চুল আঁচড়ানোর সময় সেটি চুলে আটকে যেতে পারে। এতে চুলে অপ্রয়োজনীয় টান পড়ে। এমন পরিবর্তন দেখা দিলে চিরুনি বদলে নেওয়া ভালো।
চুল আঁচড়াতে আগের চেয়ে বেশি টান লাগলে
ভালো চিরুনি সাধারণত চুলের জট সহজে ছাড়াতে সাহায্য করে। কিন্তু চিরুনির দাঁত বা ব্রাশের ব্রিসল নষ্ট হয়ে গেলে চুল আঁচড়ানোর সময় টান ও অস্বস্তি বাড়তে পারে। নিয়মিত এমন হলে চিরুনিটির অবস্থা পরীক্ষা করুন। সিলেটে বাণিজ্য মেলার নিয়ন্ত্রণ নিতে মরিয়া তুলি, গফফার বাবলু সিন্ডিকেট-মেলা বন্ধে হুঁশিয়ারি দিয়েছেন ব্যবসায়ী
পরিষ্কার করেও ময়লা না উঠলে
চিরুনিতে জমে থাকা ময়লা নিয়মিত পরিষ্কার করা প্রয়োজন। কিন্তু পরিষ্কার করার পরও যদি শক্ত ময়লার আস্তরণ থেকে যায় বা সহজে দূর না হয়, তাহলে সেটি পরিবর্তন করার কথা বিবেচনা করা যেতে পারে।
দুর্গন্ধ বা ছত্রাক দেখা দিলে
চিরুনি ধোয়ার পর ভালোভাবে শুকিয়ে রাখা জরুরি। দীর্ঘ সময় ভেজা অবস্থায় থাকলে আর্দ্রতার কারণে দুর্গন্ধ বা ছত্রাক তৈরি হতে পারে। চিরুনিতে দৃশ্যমান ছত্রাক, দুর্গন্ধ কিংবা জমাট ময়লা দেখা দিলে সেটি ব্যবহার না করাই নিরাপদ।
তবে সব ধরনের চিরুনি একইভাবে পরিষ্কার করা যায় না। কাঠ, বাঁশ বা প্রাকৃতিক ব্রিসলের তৈরি ব্রাশ হলে প্রস্তুতকারকের নির্দেশনা অনুসরণ করে পরিষ্কার করা উচিত। সিলেটে বাণিজ্য মেলার নিয়ন্ত্রণ নিতে মরিয়া তুলি, গফফার বাবলু সিন্ডিকেট-মেলা বন্ধে হুঁশিয়ারি দিয়েছেন ব্যবসায়ী
নিয়মিত পরিষ্কার রাখুন
সাধারণ প্লাস্টিকের চিরুনি নিয়মিত পরিষ্কার করা যেতে পারে। প্রথমে চিরুনিতে আটকে থাকা চুল সরিয়ে নিয়ে পানি ও হালকা সাবান বা শ্যাম্পু দিয়ে পরিষ্কার করুন। নিয়মিত ব্যবহারের ক্ষেত্রে সপ্তাহে অন্তত একবার পরিষ্কার করার অভ্যাস করা যেতে পারে। বেশি ব্যবহৃত হলে প্রয়োজন অনুযায়ী আরও ঘন ঘন পরিষ্কার করা ভালো।
পরিষ্কার করার পর চিরুনিটি সম্পূর্ণ শুকিয়ে নেওয়াও গুরুত্বপূর্ণ।
অন্যের চিরুনি ব্যবহার না করাই ভালো
চিরুনি ব্যক্তিগত ব্যবহারের সামগ্রী। তাই নিজের চিরুনি অন্যের সঙ্গে ভাগাভাগি না করা এবং অন্যের চিরুনিও ব্যবহার না করাই ভালো। প্রত্যেকের জন্য আলাদা চিরুনি বা হেয়ার ব্রাশ ব্যবহার করা ব্যক্তিগত পরিচ্ছন্নতার অংশ।
চুলের সুস্থতার জন্য শুধু প্রসাধনী ব্যবহারের দিকে নজর দিলেই হবে না। প্রতিদিন চুল ও মাথার ত্বকের সংস্পর্শে আসা চিরুনিটিও পরিষ্কার ও ভালো অবস্থায় রাখা প্রয়োজন। চিরুনির দাঁত বা ব্রিসল ক্ষতিগ্রস্ত হলে কিংবা পরিষ্কার করেও ময়লা ও দুর্গন্ধ দূর না হলে নতুন চিরুনি ব্যবহার করাই ভালো।