রাইজিংসিলেট- বন্যা পূর্বাভাস ও সতর্কীকরণ কেন্দ্র (এফএফডব্লিউসি) জানিয়েছে, উজানের ভারী বৃষ্টিপাতের প্রভাবে চলতি বছরের জুলাই ও আগস্ট মাসে দেশের ব্রহ্মপুত্র ও মেঘনা নদী অববাহিকায় বন্যার সম্ভাবনা রয়েছে।
সংস্থাটির কর্মকর্তাদের মতে, বর্ষাকালের এই সময়টিতে বাংলাদেশে সাধারণত বন্যার ঝুঁকি বেশি থাকে। কারণ দেশের ভেতর ও উজানের নদী অববাহিকায় অতিবৃষ্টি হলে নদ-নদীর পানি দ্রুত বৃদ্ধি পায় এবং নিম্নাঞ্চল প্লাবিত হওয়ার আশঙ্কা তৈরি হয়।
বাংলাদেশের ইতিহাসে ১৯৮৮, ১৯৯৮, ২০০৪, ২০২২ এবং ২০২৪ সালের বড় বন্যাগুলো মূলত একই ধরনের পরিস্থিতির ফল। বিশেষজ্ঞদের মতে, ব্রহ্মপুত্র ও মেঘনা অববাহিকায় একসঙ্গে উচ্চপ্রবাহ তৈরি হলে বড় ধরনের বন্যার ঝুঁকি অনেক বেড়ে যায়।
বর্তমানে দেশের অভ্যন্তরীণ নদীগুলোর জন্য ১০ থেকে ১৫ দিন আগে পর্যন্ত বন্যার পূর্বাভাস দেওয়া সম্ভব হলেও উপকূলীয় অঞ্চলের ক্ষেত্রে প্রায় তিন দিন আগে নির্ভরযোগ্য পূর্বাভাস দেওয়া যায়।
সর্বশেষ পূর্বাভাস অনুযায়ী, আগামী কয়েক দিনে ব্রহ্মপুত্র-যমুনা নদীর পানি কিছুটা বাড়তে পারে। ৪ থেকে ৭ জুলাইয়ের মধ্যে কুড়িগ্রাম, গাইবান্ধা, জামালপুর ও বগুড়ার কিছু এলাকায় নদীর পানি সতর্কসীমা স্পর্শ করতে পারে, ফলে আশপাশের নিম্নাঞ্চল প্লাবিত হওয়ার আশঙ্কা রয়েছে।
এদিকে গঙ্গা-পদ্মা নদীর পানিও বাড়তে পারে, তবে আপাতত তা বিপৎসীমার নিচেই থাকার সম্ভাবনা রয়েছে।
অন্যদিকে আগামী ৭২ ঘণ্টায় সুরমা-কুশিয়ারা নদীর পানি সিলেট ও সুনামগঞ্জ অঞ্চলে সতর্কসীমায় পৌঁছাতে পারে। বর্তমানে তিস্তা, কুশিয়ারা ও সোমেশ্বরী নদীর কয়েকটি পয়েন্টে পানি ইতোমধ্যে সতর্কসীমায় প্রবাহিত হচ্ছে।
এছাড়া চলতি মাসে বঙ্গোপসাগরে একটি লঘুচাপ সৃষ্টি হলে উপকূলীয় নিম্নাঞ্চলে আকস্মিক বন্যা বা জলাবদ্ধতার ঝুঁকিও তৈরি হতে পারে।
প্রথম দিনে সিলেট চার জেলায় মোট ১ হাজার ১২৭ জন পরীক্ষার্থী অনুপস্থিত
সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ পরিস্থিতির ওপর নিয়মিত নজর রাখছে এবং প্রয়োজনীয় সতর্কতা অনুসরণ করার পরামর্শ দিয়েছে।