ঢাকাFriday , 6 November 2026
  1. অর্থনীতি
  2. আদালত
  3. আন্তর্জাতিক
  4. আরো
  5. খেলার খবর
  6. গণমাধ্যম
  7. চাকরির খবর
  8. জাতীয়
  9. দেশের খবর
  10. ধর্ম পাতা
  11. পরিবেশ
  12. প্রবাস
  13. প্রেস বিজ্ঞপ্তি
  14. বিজ্ঞান প্রযুক্তি
  15. বিনোদন
আজকের সর্বশেষ সবখবর

ছাতকে পিতা-কন্যাকে জড়িয়ে এআই ফটোকার্ডে অপপ্রচারের অ ভি যো গ, থানায় লিখিত অ ভি যো গ

rising sylhet
rising sylhet
November 6, 2026 2:07 pm
Link Copied!

ads

ছাতক প্রতিনিধি:সুনামগঞ্জের ছাতকে পিতা ও কন্যাকে জড়িয়ে কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা (এআই) দিয়ে তৈরি ফটোকার্ডের মাধ্যমে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে কুরুচিপূর্ণ অপপ্রচার চালানোর অভিযোগ উঠেছে। যৌতুকের দাবিকে কেন্দ্র করে এ ঘটনা ঘটেছে বলে অভিযোগ করেছেন ভুক্তভোগী পরিবারের সদস্যরা। এদিকে, ধর্ষণের অভিযোগের কোনো সত্যতা পায়নি বলে জানিয়েছে পুলিশ।

ভুক্তভোগী মাছুরা বেগম সামিয়া ও তাঁর মা মোছা. মিরজাহান বেগমের অভিযোগ, যৌতুক হিসেবে ১০ লাখ টাকা অথবা একটি স্টিলের নৌকা না দিলে সামিয়ার সঙ্গে সংসার না করার হুমকি দেন তাঁর স্বামী সানার হোসেন ও দেবর আনোয়ার হোসেন। যৌতুকের দাবি পূরণ না করায় তাঁদের সামাজিকভাবে হেয়প্রতিপন্ন করার উদ্দেশ্যে গত দুই দিন ধরে বিভিন্ন ফেসবুক আইডি থেকে সামিয়া ও তাঁর বাবা রাজা মিয়াকে জড়িয়ে ধর্ষণসংক্রান্ত অভিযোগসহ এআই দিয়ে তৈরি ফটোকার্ড ছড়িয়ে জঘন্য অপপ্রচার চালানো হচ্ছে।

এ ঘটনায় তাঁরা সামাজিকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছেন এবং নিরাপত্তাহীনতায় ভুগছেন বলে দাবি করেছেন।

রাজা মিয়া ছাতক উপজেলার ইসলামপুর ইউনিয়নের কোচবাড়ি গ্রামের বাসিন্দা।

অন্যদিকে, এ ঘটনায় গত বৃহস্পতিবার (৫ নভেম্বর) সামিয়ার মা মিরজাহান বেগম বাদী হয়ে তাঁর মেয়ের স্বামী সানার হোসেন ও আনোয়ার হোসেনকে অভিযুক্ত করে ছাতক থানায় একটি লিখিত অভিযোগ দায়ের করেন।

অভিযোগে বলা হয়, গত ২৯ অক্টোবর বৃহস্পতিবার সকাল আনুমানিক ১০টার দিকে অভিযুক্ত ব্যক্তিরা রাজা মিয়ার বাড়িতে গিয়ে টাকা দাবি করেন। এ সময় তাঁরা তাঁর মেয়েকে মারধর করেন এবং পরিবারের সদস্যদের হুমকি দেন বলে অভিযোগে উল্লেখ করা হয়েছে।

ads

ভুক্তভোগী পরিবারের দাবি, এরপর থেকেই তাঁদের জড়িয়ে এআই প্রযুক্তির মাধ্যমে ফটোকার্ড তৈরি করে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ন্যক্কারজনক অপপ্রচার চালানো হচ্ছে।

সচেতন মহলের মতে, বাবা ও মেয়েকে জড়িয়ে এ ধরনের অপপ্রচার সমাজে নেতিবাচক প্রভাব ফেলতে পারে। বিশেষ করে, ধর্ষণের মতো গুরুতর অভিযোগের সত্যতা না পাওয়া গেলে তা নিয়ে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে অপপ্রচার চালানো সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিদের সামাজিক মর্যাদা ও নিরাপত্তার জন্য হুমকি হয়ে উঠতে পারে। এ ঘটনায় জড়িতদের শনাক্ত করে আইনের আওতায় আনার দাবি জানিয়েছেন সচেতন নাগরিকেরা।

এদিকে, এমন অভিযোগ ও অপপ্রচারের ঘটনায় রাজা মিয়া মানসিকভাবে ভেঙে পড়েছেন বলে জানিয়েছেন। তিনি বলেন, “এ ঘটনার বিচার না পেলে পৃথিবীতে বেঁচে থাকাই আমার জন্য কষ্টকর হয়ে পড়েছে।” এ সময় তিনি প্রশাসনের কাছে ন্যায়বিচার দাবি করেন।

ভুক্তভোগী পরিবারের অভিযোগের বিষয়ে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের তদন্তের মাধ্যমে প্রকৃত ঘটনা উদ্‌ঘাটন এবং সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে অপপ্রচার চালানোর সঙ্গে জড়িত ব্যক্তিদের শনাক্ত করে প্রয়োজনীয় আইনগত ব্যবস্থা নেওয়ার দাবি উঠেছে।

এই সাইটে নিজম্ব নিউজ তৈরির পাশাপাশি বিভিন্ন নিউজ সাইট থেকে খবর সংগ্রহ করে সংশ্লিষ্ট সূত্রসহ প্রকাশ করে থাকি। তাই কোন খবর নিয়ে আপত্তি বা অভিযোগ থাকলে সংশ্লিষ্ট নিউজ সাইটের কর্তৃপক্ষের সাথে যোগাযোগ করার অনুরোধ রইলো।বিনা অনুমতিতে এই সাইটের সংবাদ, আলোকচিত্র অডিও ও ভিডিও ব্যবহার করা বেআইনি।