বৃহত্তর সিলেটের অরাজনৈতিক কল্যাণমূলক স্বেচ্ছাসেবী সামাজিক সংগঠন সিলেট কল্যাণ সংস্থা (সিকস), সিলেট বিভাগ যুব কল্যাণ সংস্থা ও সিলেট প্রবাসী কল্যাণ সংস্থার যৌথ আয়োজনে রবিবার (০১ নভেম্বর) দুপুর ২.০০ ঘটিকায় সিকস’র কেন্দ্রীয় কার্যালয়ে সিলেট কল্যাণ সংস্থার ২৯ বর্ষের ১ম কর্মীসভা উপলক্ষ্যে আলোচনা সভা এবং বিকাল ৩.০০ ঘটিকায় সাংগঠনিক কর্মতৎপরতায় অগ্রণী ভূমিকা রাখার জন্য সদস্যদের মধ্যে শুভেচ্ছা ও সম্মাননা স্মারক প্রদান অনুষ্ঠান অনুষ্ঠিত হয়। কর্মীসভায় সাংগঠনিক কর্মতৎপরতায় ভূমিকা রাখার জন্য ৬ জনকে বিশেষ সম্মাননা স্মারক, ৭২ জনকে সম্মাননা স্মারক ও ৬০ জনকে শুভেচ্ছা স্মারক প্রদান করা হয়।
আলোচনা সভায় বক্তারা বলেন, সিলেট কল্যাণ সংস্থা ৫ মে ১৯৯৮ খ্রীষ্টাব্দে “যানজটমুক্ত সিলেট চাই, হকারমুক্ত ফুটপাত চাই” এই আওয়াজকে সামনে প্রতিষ্ঠিত হয়। ১৯৯৮ খ্রীষ্টাব্দ হতে আজ পর্যন্ত সিলেট কল্যাণ সংস্থা অসংখ্য দাবী উপস্থাপন করে অনেক দাবীরই বাস্তবায়ন পেয়েছে। কিন্তু ফুটপাত ও রাস্তা দখলমুক্ত করার দাবী ২৯ বছরেও বাস্তবায়ন হয়নি। কারো বাড়ির চলাচলের রাস্তায় বা দরজার সামনে কেউ যদি বসে থাকে, তাকে না সরিয়ে সেই রাস্তায় চলাচল করা সম্ভব নয়। তাহলে লক্ষ লক্ষ মানুষের চলাচলের রাস্তায় কেউ যদি বসে ভ্রাম্যমান ব্যবসা পরিচালনা করে সেটাকে দায়িত্বশীলরা কিভাবে দেখেন? ফুটপাত ও রাস্তা দখলমুক্ত করতে প্রতিদিনই আমরা নাটক ও আইওয়াশের শিকার হই। কবে বা কোনদিন স্থায়ীভাবে ফুটপাত ও রাস্তা দখলমুক্ত করে ভ্রাম্যমান ব্যবসায়ীদের পূর্ণবাসন করা হবে? বক্তারা আরো বলেন, সিলেট কল্যাণ সংস্থা প্রতিষ্ঠালগ্ন থেকে আজ পর্যন্ত যুবদেরকে সাবলম্বী করে গড়ে তুলার জন্য বিভিন্ন কাজ করে যাচ্ছে। তন্মধ্যে সেলাই প্রশিক্ষণ, ব্লক বাটিক প্রশিক্ষণ, রান্না শেখা প্রশিক্ষণ সহ অসহায় অস্বচ্ছল সেলাই প্রশিক্ষণ গ্রহণকারীদের মধ্যে প্রায় ৫ শতাধিক সেলাই মেশিন বিতরণ করেছে। সিলেট কল্যাণ সংস্থার অঙ্গ সংগঠন সিলেট বিভাগ যুব কল্যাণ সংস্থা ও সিলেট প্রবাসী কল্যাণ সংস্থার মাধ্যমে নগদ অর্থ বিতরণ, প্রতিবন্ধীদের মধ্যে হুইল চেয়ার, রিক্সা, ডেউটিন সহ অসহায় অসচ্ছল ব্যক্তিদের ঘরবাড়ি তৈরী করে দেওয়া হয়েছে। সর্বোপরি সংগঠনটি যুব সমাজের মধ্যে দেশপ্রেম, আত্মনির্ভরশীলতা সৃষ্টি, মাদকমুক্ত ও দুর্নীতিমুক্ত থাকতে নিয়মিত কাজ করে যাচ্ছে। বক্তারা দীর্ঘ ২৯ বছরের আন্দোলনেও কারো মাধ্যমেই ফুটপাত ও রাস্তা দখলমুক্ত না হওয়ায় ক্ষোভ ও দু:খ প্রকাশ করা হয়।
জাতীয় যুব দিবস ২০১০ এ জাতীয় যুব পুরস্কার শ্রেষ্ঠ যুব সংগঠক পদকপ্রাপ্ত, সংস্থাগুলোর প্রতিষ্ঠাতা সভাপতি ও সিলেট কল্যাণ সংস্থার কার্যকরী কমিটির সভাপতি মোহাম্মদ এহছানুল হক তাহেরের সভাপতিত্বে ও সিবিযুকস’র বিভাগীয় কমিটির সাধারণ সম্পাদক হুমায়ুন রশিদ চৌধুরীর পরিচালনায় দীর্ঘ ২৯ বছরের সাংগঠনিক কর্মতৎপরতার উপর গুরুত্বারোপ করে স্বাগত বক্তব্য রাখেন সিবিযুকস’র বিভাগীয় কমিটির সভাপতি মোঃ আজিজুর রহমান আজিজ। বক্তব্য রাখেন সিকস’র কার্যকরী সহ-সাধারণ সম্পাদক মোঃ তালেব হোসেন তালেব, সিবিযুকস’র বিভাগীয় কমিটির সিনিয়র সহ-সাংগঠনিক সম্পাদক চিত্ত রঞ্জন দাস, সহ-প্রচার ও প্রকাশনা সম্পাদক শাহীন আহমেদ, সিলেট মহানগর কমিটির সভাপতি জাকারিয়া মোহাম্মদ সালাহউদ্দিন সাকের, সাধারণ সম্পাদক মোঃ মাহবুব ইকবাল মুন্না, সাংগঠনিক সম্পাদক মোহাম্মদ মাহফুজুর রহমান।
কর্মী সভায় উপস্থিত ছিলেন, সিকস’র কার্যকরী কমিটির সাধারণ সম্পাদক মোঃ জিয়াউর রহমান, সিনিয়র সহ-সভাপতি হাজী মোঃ আশরাফ উদ্দিন, দ্বীপক রঞ্জন রায় তালুকদার, সহ-সভাপতি অবিনাশ চন্দ্র দাস, রোকনে আলম চৌধুরী, এম. এ আলী জালালাবাদী, সহ-সাধারণ সম্পাদক মোহাম্মদ আব্দুস সালাম, সাংগঠনিক সম্পাদক মুসলেহ উদ্দিন চৌধুরী মিলাদ, সহ-সাংগঠনিক সম্পাদক মোঃ আলী হোসেন, মোঃ সাহেদ আহমদ শান্ত, যুব ও ক্রীড়া সম্পাদক মোঃ আল-আমিন আহমদ, আন্তর্জাতিক সম্পাদক মোঃ জহিরুল হক জাকির, সাহিত্য ও সংস্কৃতি সম্পাদক কবি মকসুদ আহমদ লাল, আইন বিষয়ক সম্পাদক মুহাম্মদ কামাল মিয়া, সিনিয়র সহ-সাধারণ সম্পাদক বিজিত চন্দ, সহ-সাধারণ সম্পাদক সৈয়দ ইব্রাহীম, দিপক কুমার মোদক বিলু, সহ-সাংগঠনিক সম্পাদক মোঃ নুর হোসেন, শেখ তাছলিমা আলী হেনা, গাজী আলমগীর হোসাইন, আরিফুর রহমান মিসবাহ, মোঃ আজিজুল ইসলাম ওয়াসিম, মোঃ ইব্রাহিম মিয়া, মাহফুজ আল গালিব, জাতীয় যুব পুরস্কার প্রাপ্ত ফয়েজ রাজা চৌধুরী, মোহাম্মদ আব্দুল লতিফ, মোঃ জুয়েল মিয়া, মোঃ সাগর, যাদব চন্দ্র তালুকদার, কুমুদ রঞ্জন হাজরা, সজীব দাস, মোঃ সেলিম খান, ছাদিকুর রহমান, মোঃ পিকুল হোসেন, মামুন আহমদ চৌধুরী, আব্দুল হামিদ, মোঃ সাহেদ, আব্দুল আওয়াল, মঈন উদ্দিন, শ্রীকান্ত দাস, সোহেল মিয়া খান, সুমাইয়া জান্নাত, আসজদ আহমেদ, মাহবুব মিয়া, সুবাব মিয়া, তানভীর আহমদ, বিরাজ চৌধুরী, সুশান্ত মোদক, রায়হান আহমদ, শংকর বিশ্বাস, জালাল উদ্দিন, মলয় বিকাশ দাস, নিটুল দাশ, অনিল দাশ, অজিত বিশ্বাস, পংকজ মজুমদার, মোঃ সোহেল আলী, মিম আক্তার, রুমি বেগম, মোছাম্মাত নাজমিন বেগম, সুফিয়া বেগম, লনা বেগম, লিপি আক্তার, মোঃ ফরিদ আলী, সিরাজুল ইসলাম খাঁন, জামাল আহমদ, মোঃ সানোয়ার হোসেন, জুলেখা বেগম, সাইম আহমদ, আব্দুর রাহীম, সেলিম আহমেদ, মোঃ ইকবাল হোসেন, মোঃ রুবেল আহমদ, নুরবানু, পিয়ারা বেগম, মাহবুর রহমান,খালেদ আহমদ, ফয়সল আহমদ, মোহাম্মদ সহিদ চৌধুরী, দেবব্রত চৌধুরী, পিযোষ মোদক, বিজন কান্তি সিংহ, জাহাঙ্গীর আলম, জাকারিয়া তালুকদার, সবরুল আলম চৌধুরী, মোঃ দোলন চৌধুরী, শরীফ আহমদ, খায়রুল ইসলাম রাজিব, হরিমোহন রায়, সামিউল করিম, মেহেদী হাসান, মোঃ মাছুম মিয়া, রঞ্জিত কুমার দাস, মোছালিন আহমেদ ইমরান, মোঃ নজরুল ইসলাম, সালিম আহমদ, লায়েছ মিয়া, মোঃ আবুল কালাম, মেহেদী হাছান, দ্বীপিকা রানী দাস, অশোক দে, দিবা রানী তালুকদার, দিলীপ কুমার মোদক, আশরাফুল ইসলাম, সৈয়দ রাসেল, মহসিন তালুকদার, সমছুল মিয়া, ফরহাদ চৌধুরী, ঋষি বাবু, মোঃ তৈয়ব আলী, মোরাদ আহমদ, রুমী বেগম, আফজাল হোসেন চৌধুরী, হিরন সরকার, সোহেল মিয়া, ইমন আহমদ, মোঃ আলামিন, হাফিজ আহমদ, আব্দুর রহিম, রাবিয়া জান্নাত ফাবিহা, সেলিম আহমদ, তানজিদ আহমদ আনন্দ, সায়মান সাকিল মাহিম প্রমুখ।