রাইজিংসিলেট- জাপানে স্থায়ীভাবে বসবাসের অনুমতি বা পার্মানেন্ট রেসিডেন্স (পিআর) পেতে বিদেশিদের এখন আগের তুলনায় অনেক বেশি অর্থ ব্যয় করতে হবে। নতুন নিয়মে পিআর আবেদনের সরকারি ফি ১০ হাজার ইয়েন থেকে বাড়িয়ে ২ লাখ ইয়েন করা হয়েছে।
ফি বৃদ্ধির পাশাপাশি পিআর পাওয়ার যোগ্যতার বিষয়েও কঠোরতা বাড়ানো হচ্ছে। আবেদনকারীর আয় ও আর্থিক স্থিতিশীলতা, পেনশন ব্যবস্থায় নিয়মিত অংশগ্রহণ এবং জাপানি ভাষায় দক্ষতার বিষয়গুলোকে আরও গুরুত্ব দেওয়া হচ্ছে। আগামী বছরের এপ্রিল থেকে ভাষাগত যোগ্যতার ক্ষেত্রে নতুন শর্ত যুক্ত হওয়ার কথাও রয়েছে।
নতুন ফি চালুর আগে অনেক বিদেশি দ্রুত আবেদন জমা দেওয়ার চেষ্টা করেন। এর ফলে বিভিন্ন ইমিগ্রেশন অফিসে আবেদনকারীদের ভিড় দেখা যায়। কোথাও কোথাও দীর্ঘ সময় অপেক্ষা করেও আবেদন জমা দিতে হয়েছে।
শুধু পিআর নয়, বিভিন্ন ধরনের ভিসা ও আবাসনসংক্রান্ত আবেদনের ফিও পরিবর্তন করা হয়েছে। অবস্থানের মেয়াদ এবং আবেদনের ধরন অনুযায়ী এসব ফি নির্ধারিত হবে। তবে আর্থিকভাবে অসচ্ছল ব্যক্তি এবং নির্দিষ্ট শ্রেণির শরণার্থী আবেদনকারীদের জন্য কিছু ক্ষেত্রে ফি ছাড়ের সুযোগ রাখা হয়েছে।
নতুন আর্থিক মানদণ্ড অনুযায়ী, আবেদনকারীর পর্যাপ্ত ও স্থিতিশীল আয় রয়েছে—এমন প্রমাণ চাওয়া হতে পারে। প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, ২০২৪ সালের হিসাবে জাপানের গড় পারিবারিক আয় প্রায় ৫৭ লাখ ৫০ হাজার ইয়েন। হবিগঞ্জ-সিলেট রুটে অনির্দিষ্টকালের পরিবহন ধর্মঘট
পেনশন ব্যবস্থার ক্ষেত্রেও নতুন মূল্যায়ন পদ্ধতি আনার কথা রয়েছে। আবেদনকারীর ভবিষ্যৎ পেনশন সুবিধাকে দীর্ঘ সময় ধরে পেনশনে যুক্ত থাকা একজন কর্মীর প্রত্যাশিত সুবিধার সঙ্গে তুলনা করা হতে পারে। প্রয়োজন হলে নির্দিষ্ট পরিস্থিতিতে আবেদনকারীর আর্থিক সম্পদও বিবেচনায় নেওয়ার সুযোগ থাকবে।
সাম্প্রতিক বছরগুলোতে জাপানে বিদেশি বাসিন্দার সংখ্যা বেড়েছে। একই সময়ে দেশটিতে বয়স্ক মানুষের সংখ্যা বাড়ার পাশাপাশি বিভিন্ন খাতে কর্মীর ঘাটতিও তৈরি হয়েছে। ফলে বিদেশি কর্মীদের প্রয়োজনীয়তা বজায় রেখেই অভিবাসন ব্যবস্থায় নিয়ন্ত্রণ জোরদারের চেষ্টা করছে জাপান।
সিলেটে হামের পরিস্থিতি উদ্বেগজনক, একদিনে হাসপাতালে ভর্তি ২০১
জাপানি ভাষার দক্ষতার ওপর গুরুত্ব বাড়ায় ভাষা শেখার প্রতিষ্ঠানগুলোতেও আগ্রহ বাড়ছে। পাশাপাশি ভাষা দক্ষতা যাচাইয়ের পরীক্ষায় অংশ নেওয়ার প্রস্তুতিও বাড়ছে বলে প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়েছে।
সূত্র: বিবিসি