কোম্পানীগঞ্জ প্রতিনিধি: সিলেটের কোম্পানীগঞ্জে পুকুরের পানিতে বিষ প্রয়োগ করে প্রায় ১২ লাখ টাকা মূল্যের মাছ মেরে ফেলার অভিযোগ পাওয়া গেছে। এ ঘটনায় মো. আকিক মিয়া নামে এক ব্যক্তি কোম্পানীগঞ্জ থানায় লিখিত অভিযোগ করেছেন।
অভিযোগে জানা গেছে, উপজেলার ৪ নম্বর ইছাকলস ইউনিয়নের টুকেরগাঁও মৌজায় প্রায় ৬ কেদার জমির একটি পুকুরে দীর্ঘদিন ধরে বিভিন্ন প্রজাতির মাছ চাষ করে আসছিলেন মো. আকিক মিয়া। তাঁর দাবি, কোম্পানীগঞ্জ সাব-রেজিস্ট্রি অফিসের ১৫৮০ ও ১৫৮১ নম্বর দলিলের মাধ্যমে ২০২১ সালে তিনি ওই জমির মালিকানা পান। পরবর্তীতে জমিতে পুকুর খনন করে মাছ চাষ শুরু করেন।
লিখিত অভিযোগে আকিক মিয়া উল্লেখ করেন, গত ৪ অক্টোবর রাত আনুমানিক ২টার দিকে কয়েকজন ব্যক্তি পুকুরে ঢুকে পানিতে বিষ প্রয়োগ করেন। বিষ প্রয়োগের পর পুকুরের বিভিন্ন প্রজাতির মাছ মারা গিয়ে পানিতে ভেসে ওঠে। এতে তাঁর প্রায় ১২ লাখ টাকার ক্ষতি হয়েছে বলে দাবি করেন তিনি।
অভিযোগে আরও বলা হয়েছে, মাছ মারা যাওয়ার পর অভিযুক্ত ব্যক্তিরা সেগুলো সংগ্রহ করে ১৫ থেকে ২০টি প্লাস্টিকের বস্তায় ভরে ইঞ্জিনচালিত নৌকায় করে ঘটনাস্থল ত্যাগের চেষ্টা করেন। এ সময় আকিক মিয়া চিৎকার করলে অভিযুক্তরা নৌকাযোগে সুরমা নদী দিয়ে ছাতক বাজারের দিকে চলে যান বলে অভিযোগে উল্লেখ করা হয়েছে।
এ ঘটনায় মিরাশ মিয়া (৫৬), পিতা- মৃত খুরশিদ আলী; কালাম উদ্দিন (৫০), পিতা- মৃত ছোয়াব আলী; সাজ্জাদ মিয়া (৩৫), পিতা- মিরাশ আলীসহ আরও কয়েকজন অজ্ঞাত ব্যক্তিকে অভিযুক্ত করা হয়েছে। সিলেটি নারী ও ভাষা নিয়ে একেরপর এক সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে অবমাননাকর মন্তব্য
আকিক মিয়া জানান, ঘটনার পর স্থানীয়ভাবে সালিশের মাধ্যমে বিষয়টি সমাধানের চেষ্টা করা হয়। তবে অভিযুক্তরা সালিশে উপস্থিত না হওয়ায় শেষ পর্যন্ত তিনি থানায় লিখিত অভিযোগ করেন।
অভিযোগের বিষয়ে অভিযুক্ত মিরাশ মিয়া বলেন, জায়গাটি আমার। এ বিষয়ে আমিও অভিযোগ দিয়েছি। পুকুরে বিষ প্রয়োগের বিষয়ে আমার কিছু জানা নেই। সিলেট কোম্পানীগঞ্জে ট্রাক ভর্তি মদের চালান জব্দ
কোম্পানীগঞ্জ থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা বলেন, “অভিযোগ পেয়েছি। তদন্ত সাপেক্ষে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।”
অভিযোগকারী মো. আকিক মিয়া ঘটনার সুষ্ঠু তদন্তের মাধ্যমে জড়িতদের শনাক্ত করে তাদের বিরুদ্ধে প্রয়োজনীয় আইনগত ব্যবস্থা নেওয়ার দাবি জানিয়েছেন।