ঢাকাSunday , 4 October 2026
  1. অর্থনীতি
  2. আদালত
  3. আন্তর্জাতিক
  4. আরো
  5. খেলার খবর
  6. গণমাধ্যম
  7. চাকরির খবর
  8. জাতীয়
  9. দেশের খবর
  10. ধর্ম পাতা
  11. পরিবেশ
  12. প্রবাস
  13. প্রেস বিজ্ঞপ্তি
  14. বিজ্ঞান প্রযুক্তি
  15. বিনোদন
আজকের সর্বশেষ সবখবর

সিলেটি নারী ও ভাষা নিয়ে একেরপর এক সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে অবমাননাকর মন্তব্য

rising sylhet
rising sylhet
October 4, 2026 8:19 pm
Link Copied!

ads

সিলেটি নারী ও ভাষা নিয়ে একেরপর এক সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে অবমাননাকর ও বিদ্বেষপূর্ণ মন্তব্য করে তীব্র সমালোচনার মুখে পড়েছেন শাহজালাল বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের (শাবিপ্রবি) আইপিই বিভাগের ২০২৪-২৫ সেশনের শিক্ষার্থী ইউসুফ ওমর সালেকিন।

 

 

 

তার এই বেফাঁস মন্তব্যে সিলেটজুড়ে স্থানীয়দের মধ্যে চরম অসন্তোষ ও ক্ষোভের সৃষ্টি হয়েছে। এর কিছুদিন আগেও আরেক শিক্ষার্থীর মন্তব্যকে ঘিরে তীব্র সমালোচনার সৃষ্টি হয়।শনিবার (৩ অক্টোবর) ফেইসবুকে নতুন করে এসব মন্তব্যকে কেন্দ্র করে স্থানীয় জনগণ এবং শাবিপ্রবিতে অধ্যায়নরত স্থানীয় শিক্ষার্থীদের মধ্যেও বিরূপ প্রতিক্রিয়া দেখা যায়।

 

 

 

 

ওই শিক্ষার্থী তার ব্যক্তিগত ফেসবুক আইডিতে সিলেটি নারীদের উদ্দেশ্যে অত্যন্ত আপত্তিকর মন্তব্য করে লেখেন, সিলেটের রাস্তায় নারীদের দেখা যায় না এবং স্থানীয় পরিবারগুলো মেয়েদের ঘরে আটকে রাখে।শুধু মূল পোস্টেই ক্ষান্ত হননি, উক্ত পোস্টের কমেন্ট সেকশনে সিলেটের মানুষদের নিয়ে আরও বিষোদ্গার করেন তিনি। সিলেটিদের ‘অহংকারী’ আখ্যা দেওয়ার পাশাপাশি তারা নিজেদের বাঙালি না ভেবে ‘সিলেটি’ পরিচয় দিতে স্বাচ্ছন্দ্য বোধ করে বলে কটূক্তি করেন। এ

 

 

 

 

ছাড়া সিলেটের শিক্ষার্থীদের বুদ্ধিমত্তা ও স্থানীয় বাসিন্দাদের ধর্মীয় মানসিকতা নিয়ে হীন মন্তব্য করার পাশাপাশি একপর্যায়ে সিলেটের ওপর ‘পারমাণবিক বোমা’ ফেলার উসকানিমূলক ইচ্ছা প্রকাশ করেন তিনি, যা সাধারণ মানুষের কাছে চরম উদ্বেগজনক ও হুমকিস্বরূপ মনে হয়েছে।পোস্ট ও কমেন্টের স্ক্রিনশট সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ভাইরাল হওয়ার পর সিলেটের বিভিন্ন সামাজিক ও অনলাইন প্ল্যাটফর্মে নিন্দার ঝড় ওঠে। সিলেটের সর্বস্তরের মানুষ একে একটি পুরো জনগোষ্ঠী ও নারী সমাজের প্রতি চরম অবমাননা ও ঘৃণা ছড়ানোর অপচেষ্টা বলে আখ্যা দিয়েছেন।

ads

 

 

 

ক্ষুব্ধ নেটিজেন ও স্থানীয়রা অনতিবিলম্বে অভিযুক্ত শিক্ষার্থীর বিরুদ্ধে বিশ্ববিদ্যালয়ের শৃঙ্খলা অনুযায়ী দৃষ্টান্তমূলক ব্যবস্থা নেওয়ার জোর দাবি জানান।তীব্র সমালোচনার মুখে পড়ে অভিযুক্ত শিক্ষার্থী পরবর্তীতে নতুন একটি স্ট্যাটাসের মাধ্যমে তার মন্তব্যের জন্য দুঃখ প্রকাশ করেন এবং নিজের বক্তব্য ভুল ছিল বলে স্বীকার করেন। এই ঘটনার প্রায় এক মাস আগেও শাবিপ্রবির আরেক শিক্ষার্থী সিলেটি ভাষা নিয়ে ফেসবুকে কটু মন্তব্য করলে স্থানীয়দের মাঝে ব্যাপক প্রতিক্রিয়া দেখা দিয়েছিল। পরবর্তীতে তিনি ক্ষমা চেয়ে পোস্ট দিলে পরিবেশ শান্ত হয়। সেই ঘটনার রেশ কাটতে না কাটতেই নতুন করে এই আঞ্চলিক বিদ্বেষ ছড়ানোর ঘটনা ঘটে।এসব ঘটনায় ক্ষোভ প্রকাশ করে বিশ্ববিদ্যালয় সংলগ্ন স্থানীয় এমসি কলেজের শিক্ষার্থী মিনহাজ আলম বলেন, “শাবিপ্রবি সিলেটের উচ্চশিক্ষার প্রাণকেন্দ্র।

 

 

 

 

এখানে দেশের সব অঞ্চল থেকে শিক্ষার্থীরা পড়তে আসে। একেক অঞ্চলের একেক ধরনের ভাষা এবং সংস্কৃতি রয়েছে। কিন্তু শাবিপ্রবির শিক্ষার্থীদের মাধ্যমে একেরপর এক সিলেটকে নিয়ে বিদ্বেষমূলক আচরণ কোনোভাবেই কাম্য না এবং আমরা এটা সবসময় মেনে নিবো না। আমরা চাই বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন কঠোর শাস্তি আরোপ করুক যেন এই ধরনের ঘটনা আর না ঘটে।তিনি আরও বলেন, “যদি স্থানীয়দের ক্ষোভের বহিঃপ্রকাশে কোনো ঝামেলা সৃষ্টি হয় সেক্ষেত্রে উস্কানিদাতা ও বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসনকে দায় নিতে হবে।

 

 

 

এ বিষয়ে আইপিই বিভাগের অধ্যাপক মাহমুদ হাসান বলেন, “এই ধরনের ঘটনা শিক্ষার্থীদের কাছ থেকে আমরা কখনো আশাকরি না। একের পর এক এই ধরনের ঘটনা ঘটলে স্থানীয়দের সাথে আমাদের শিক্ষার্থীদের ঝামেলা হবার আশঙ্কা থেকে যায়। তাই কোনো শিক্ষার্থীকে এই ধরনের কর্মকাণ্ড করা ঠিক না।তিনি আরও বলেন “আমরা ইতোমধ্যে ছাত্র উপদেষ্টাকে জানিয়েছি। তিনি প্রক্টরিয়াল বডিকে অবহিত করেছেন। বিষয়টি প্রক্টরিয়াল বডি দেখবে।এ বিষয়ে বিশ্ববিদ্যালয় প্রক্টর অধ্যাপক মুখলেসুর রহমান বলেন, “বিষয়টি খুবই সিরিয়াস। আমরা ইতিমধ্যে বসে সিদ্ধান্ত নিচ্ছি যথাযথ ব্যবস্থা নেওয়ার। নিয়ম অনুযায়ী বশবস্থা গ্রহণ করা হবে।

এই সাইটে নিজম্ব নিউজ তৈরির পাশাপাশি বিভিন্ন নিউজ সাইট থেকে খবর সংগ্রহ করে সংশ্লিষ্ট সূত্রসহ প্রকাশ করে থাকি। তাই কোন খবর নিয়ে আপত্তি বা অভিযোগ থাকলে সংশ্লিষ্ট নিউজ সাইটের কর্তৃপক্ষের সাথে যোগাযোগ করার অনুরোধ রইলো।বিনা অনুমতিতে এই সাইটের সংবাদ, আলোকচিত্র অডিও ও ভিডিও ব্যবহার করা বেআইনি।