রাইজিংসিলেট: সিলেটের গোলাপগঞ্জে এক শিক্ষার্থীকে ধর্ষণের অভিযোগে একটি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের প্রধান শিক্ষককে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ। এ ঘটনায় ভুক্তভোগী শিক্ষার্থীর বাবা বাদী হয়ে মামলা করেছেন।
মঙ্গলবার (১৩ অক্টোবর) প্রকাশিত সংবাদ অনুযায়ী, সোমবার বিকেলে মছলম উদ্দিন একাডেমি থেকে এনামুল ইসলাম (৫৩) নামের ওই শিক্ষককে আটক করা হয়। তিনি কানাইঘাট উপজেলার ধর্মপুর গ্রামের বাসিন্দা এবং প্রতিষ্ঠানটির প্রধান শিক্ষক।
রাইজিং সিলেট-এর প্রকাশক ও ভারপ্রাপ্ত সম্পাদক কামাল হোসেন মিঠু বাইক দুর্ঘটনায় আহত
পুলিশ ও স্থানীয় সূত্রের বরাতে জানা যায়, গত ৭ অক্টোবর শিক্ষার্থীকে কক্ষে ডেকে নিয়ে ধর্ষণের অভিযোগ ওঠে ওই শিক্ষকের বিরুদ্ধে। পরে বিষয়টি জানাজানি হলে স্থানীয় বাসিন্দা ও শিক্ষার্থীরা ক্ষুব্ধ হয়ে তাকে স্কুলের কার্যালয়ে আটকে রাখেন। এ সময় কয়েকজন স্থানীয় ব্যক্তি তাকে মারধর করেন বলে প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়েছে। ঘটনার একটি ভিডিও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ফেসবুকে ছড়িয়ে পড়ে।
গোলাপগঞ্জ থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. ছবেদ আলী জানান, খবর পেয়ে পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে অভিযুক্ত শিক্ষককে নিজেদের হেফাজতে নেয় এবং থানায় নিয়ে আসে। মঙ্গলবার তাকে আদালতে পাঠানোর কথা রয়েছে বলেও জানান তিনি।
ভুক্তভোগী শিক্ষার্থীর বাবা অভিযোগ করেন, গত চার মাস ধরে তার ছেলের ওপর যৌন নির্যাতন চালানো হয়েছে। বিষয়টি জানতে পেরে তিনি ছেলের সহপাঠীদের সঙ্গে কথা বলেন। তিনি ঘটনার নিরপেক্ষ তদন্ত, সন্তানের নিরাপত্তা এবং অভিযুক্তের বিরুদ্ধে আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণের দাবি জানিয়েছেন।
ঢাকাদক্ষিণ ইউনিয়ন পরিষদের ৬ নম্বর ওয়ার্ডের সাবেক সদস্য আব্দুল করিম কাশেমী জানান, ঘটনার বিষয়ে শিক্ষার্থীদের সহপাঠীদের সঙ্গে কথা বলে গুরুত্বপূর্ণ তথ্য পাওয়া গেছে। তিনি অভিযোগের সুষ্ঠু তদন্তের মাধ্যমে দায়ী ব্যক্তির বিচার নিশ্চিত করার আহ্বান জানান।
স্ত্রীর ছবি তোলার প্রতিবাদে, সিলেটের কাস্টঘরে ছু রি কা ঘা তে যুবক নি হ ত
অন্যদিকে, সংশ্লিষ্ট ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান আব্দুর রহিম বলেন, স্থানীয়দের ক্ষোভের মুখ থেকে ওই শিক্ষককে উদ্ধার করে পুলিশের কাছে হস্তান্তর করা হয়েছে।
উল্লেখ্য, অভিযোগের বিষয়ে আদালতে দোষ প্রমাণিত না হওয়া পর্যন্ত অভিযুক্তকে আইনগতভাবে নির্দোষ বলে গণ্য করতে হবে।