রাইজিংসিলেট প্রতিবেদক: সিলেট জেলার প্রাচীন ও ঐতিহ্যবাহী ১৫টি উচ্চবিদ্যালয়কে সরকারিকরণের উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। এসব শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানকে শতবর্ষী স্কুল ও কলেজ হিসেবে সরকারিকরণের জন্য প্রধানমন্ত্রীর কাছে সুপারিশ করেছেন বাণিজ্যমন্ত্রী খন্দকার আব্দুল মুক্তাদির।
গত ২৩ সেপ্টেম্বর প্রধানমন্ত্রীর কাছে পাঠানো এক চিঠিতে সিলেটের ঐতিহাসিক ও শিক্ষাক্ষেত্রে গুরুত্বপূর্ণ প্রতিষ্ঠানগুলোকে সরকারিকরণের প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়ার অনুরোধ জানান তিনি।
চিঠিতে উল্লেখ করা হয়, শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের ১৮ আগস্ট ২০২৬ তারিখের স্মারকের আলোকে শতবর্ষী স্কুল ও কলেজের তালিকা প্রস্তুতের প্রক্রিয়া চলছে। এ প্রেক্ষাপটে সিলেটের দীর্ঘদিনের ঐতিহ্যবাহী শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানগুলোকে তালিকায় অন্তর্ভুক্ত করা প্রয়োজন।
বাণিজ্যমন্ত্রীর সুপারিশ করা তালিকায় দক্ষিণ সুরমা ও বিয়ানীবাজার উপজেলার তিনটি করে প্রতিষ্ঠান রয়েছে। গোলাপগঞ্জ উপজেলার দুটি প্রতিষ্ঠানও তালিকায় স্থান পেয়েছে। এছাড়া সিলেট মহানগরের তিনটি এবং কানাইঘাট, ওসমানীনগর, বিশ্বনাথ ও জকিগঞ্জ উপজেলার একটি করে শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান সরকারিকরণের জন্য প্রস্তাব করা হয়েছে।
সরকারিকরণের জন্য প্রস্তাবিত ১৫ প্রতিষ্ঠান
সিলেট মহানগর:
দ্য এইডেড হাই স্কুল, রাজা গিরিশচন্দ্র মাধ্যমিক স্কুল অ্যান্ড কলেজ এবং কিশোরী মোহন বালিকা উচ্চ বিদ্যালয়।
দক্ষিণ সুরমা:
রাখালগঞ্জ কৈলাশচন্দ্র উচ্চ বিদ্যালয় ও কলেজ, লালবাজার উচ্চ বিদ্যালয় ও কলেজ এবং সিলাম পদ্মলোচন বহুমুখী উচ্চ বিদ্যালয়।
গোলাপগঞ্জ:
ঢাকা দক্ষিণ বহুমুখী উচ্চ বিদ্যালয় ও কলেজ এবং ভাদেশ্বর নাছির উদ্দিন উচ্চ বিদ্যালয় ও কলেজ।
সিলেটি নারী ও ভাষা নিয়ে একেরপর এক সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে অবমাননাকর মন্তব্য
বিয়ানীবাজার:
লাউতা বহুমুখী উচ্চ বিদ্যালয়, জমশেদ আহমদ উচ্চ বিদ্যালয় এবং দুবাগ স্কুল অ্যান্ড কলেজ।
অন্যান্য উপজেলা:
জকিগঞ্জের গুরুসদয় স্কুল অ্যান্ড কলেজ, বিশ্বনাথের একলিমিয়া উচ্চ বিদ্যালয়, কানাইঘাটের চতুল বাজারের দুর্গাপুর হাইস্কুল ও কলেজ এবং ওসমানীনগরের বেগমপুরের শরৎ সুন্দরী উচ্চ বিদ্যালয়।
সিলেট যেসব এলাকায় রাত ৯টা থেকে ভোর ৬টা পর্যন্ত গ্যাস সরবরাহ বন্ধ থাকবে
চিঠিতে বলা হয়েছে, এসব শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান ব্রিটিশ আমল থেকে সুনামের সঙ্গে শিক্ষা কার্যক্রম পরিচালনা করে আসছে। বিশেষ করে সিলেট অঞ্চলের সাধারণ ও দরিদ্র পরিবারের শিক্ষার্থীদের মধ্যে শিক্ষার প্রসারে প্রতিষ্ঠানগুলোর গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রয়েছে।
প্রতিষ্ঠানগুলো সরকারিকরণ করা হলে স্থানীয় শিক্ষাক্ষেত্রে বৈষম্য কমার পাশাপাশি দীর্ঘদিনের একটি দাবি পূরণ হবে বলেও চিঠিতে উল্লেখ করা হয়।