ঢাকাSaturday , 29 August 2026
  1. অর্থনীতি
  2. আদালত
  3. আন্তর্জাতিক
  4. আরো
  5. খেলার খবর
  6. গণমাধ্যম
  7. চাকরির খবর
  8. জাতীয়
  9. দেশের খবর
  10. ধর্ম পাতা
  11. পরিবেশ
  12. প্রবাস
  13. প্রেস বিজ্ঞপ্তি
  14. বিজ্ঞান প্রযুক্তি
  15. বিনোদন
আজকের সর্বশেষ সবখবর

জাফলং থেকে শহরে আসা পর্যটকবাহী বাসে পণ্য,বটেশ্বর চেকপোস্টের ভূমিকা নিয়ে প্রশ্ন

rising sylhet
rising sylhet
August 29, 2026 8:45 pm
Link Copied!

ads

কামাল হোসেন মিঠু :;  পর্যটন নগরী সিলেট। দেশের বিভিন্ন প্রান্ত থেকে সিলেটের প্রাকৃতিক সৌন্দর্য উপভোগ করতে আসেন পর্যটকরা। বিশেষ করে প্রকৃতিকন্যা জাফলং যেন পর্যটকদের অন্যতম প্রধান আকর্ষণ। সাপ্তাহিক দুদিন ছুটির কারণে শুক্র ও শনিবার জাফলংয়ে উপচেপড়া ভিড় দেখা যায়। বাস, নোহা ও হাইএস নিয়ে প্রকৃতির সৌন্দর্য উপভোগ করতে আসেন তারা।

ফেরার পথে সীমান্তঘেঁষা বাজারগুলো থেকে কেনাকাটা করেন অনেক পর্যটক। এসব দোকানে রূপচর্চার প্রসাধনী থেকে শুরু করে শীতের কম্বল-বিভিন্ন পণ্য তুলনামূলক সস্তা দামে বিক্রি হয়।

এই সুযোগে এক শ্রেণির চোরাকারবারি পর্যটকদের বিভিন্ন ধরনের প্রলোভন দেখিয়ে দেশের বিভিন্ন প্রান্তে থাকা ক্রেতাদের কাছে পৌঁছে দেওয়ার জন্য কম্বল, চকলেট, কসমেটিকসসহ বিভিন্ন পণ্য পর্যটকবাহী বাসে তুলে দেন বলে অভিযোগ রয়েছে।

পর্যটকবাহী বাস কি আর তল্লাশি হবে-সঙ্গে তো অনেক যাত্রী! সেই সুযোগ কাজে লাগিয়ে রমরমা চোরাচালানের ব্যবসা করে আসছে একটি সংঘবদ্ধ চক্র।

সিলেট নগরীতে প্রবেশের পথে রয়েছে শাহপরান (রহ.) থানার চেকপোস্ট। অনেক সময় পর্যটকবাহী বাস আটক করে তল্লাশি করে ছেড়ে দেওয়া হয়। আবার ভোররাতে টাটা-২০৭ মডেলের গাড়িগুলো পণ্য নিয়ে শহরে প্রবেশের সময় তাদের কারও সঙ্গে ‘হাত মেলানোর’ পর গাড়িতে কী পণ্য রয়েছে, তা তল্লাশি করা তো দূরের কথা, জানতেও চাওয়া হয় না-এমন অভিযোগও রয়েছে।

কিছুদিন আগে একটি যাত্রীবাহী বাস সোবহানীঘাট পয়েন্টে কাগজপত্র যাচাইয়ের জন্য ট্রাফিক পুলিশের গাড়ি থামায়। বাস থামানোর পর বেরিয়ে আসে ‘থলের বিড়াল’। একের পর এক উদ্ধার করা হয় কম্বলসহ বিভিন্ন ব্র্যান্ডের চকলেট। এসব পণ্যের মালিক একজন বলে জানা যায়। তিনি পণ্যের বৈধ কাগজপত্র দেখাতে না পারায় তাকে আটক করে আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণ করেন সোবহানীঘাট পুলিশ ফাঁড়ির ইনচার্জ শিবলু চৌধুরী।
গাড়ি থেকে প্রায় ৭০/৭৫ পিস কম্বল ও কিটক্যাট চকলেট উদ্ধার করা হয় বলে জানা যায়।

এই আটকের খবর এসএমপির সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে প্রকাশ না হলেও ট্রাফিক বিভাগের পেজে দেওয়া হয়।

একই দিনে শাহপরান (রহ.) থানার উপশহর ফাঁড়ির পুলিশ চকলেট উদ্ধার করেন। কীভাবে এসব পণ্য উদ্ধার করা হয়েছে কিংবা কাউকে আটক করা হয়েছে কি না, তা জানা যায়নি।

এর কিছুদিন আগে টমেটো বোঝাই একটি টাটা-২০৭ মডেলের গাড়ি আটক করে ফাঁড়িতে নিয়ে আসা হয়। সেই আটককৃত গাড়ি ও চালককে মামলা না দিয়ে ছেড়ে দেওয়া হয়েছে কি না, সেটিও জানানো হয়নি।

ads

গতকাল রাতে জাফলং থেকে আসা একটি পর্যটকবাহী বাস (ঢাকা মেট্রো-ব-১২-৬০৬৯) থেকে উপশহর এলাকায় ৯০ পিস কম্বলসহ মোহাম্মদপুরের মিলন নামে এক ব্যক্তিকে আটক করে থানায় নিয়ে যাওয়া হয়।

সরেজমিনে কত পিস পণ্য আটক করা হয়েছে জানতে চাইলে পুলিশ কর্মকর্তারা বলেন, ‘গণনা করা হচ্ছে, গণনা শেষে জানানো হবে।

রাত পেরিয়ে দিন চলে গেলেও এখনো মনে হচ্ছে গণনা শেষ হয়নি। এ কারণেই কি এসএমপির সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম কিংবা মিডিয়া উইং থেকে এখনো কোনো প্রেস বিজ্ঞপ্তি দেওয়া হয়নি?

প্রশ্ন জাগে-বটেশ্বর এলাকার চেকপোস্ট কি শুধু ছোট গাড়ির যাত্রীদের হয়রানির জন্য, আর ডিআই পিকআপ, টাটা-২০৭ ও বাসের ক্ষেত্রে ‘হাত মেলানোর’ জন্য?

যদি তা না হয়, তাহলে চেকপোস্ট পার হয়ে নগরীর ভেতরে প্রবেশের পর এসব পণ্য আটক হয় কীভাবে?

আর পরে সেই পণ্য আটকের খবর এসএমপির সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম কিংবা মিডিয়া উইং থেকে জানানো হয় না কেন?

সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের কাছে এসব প্রশ্নের সুষ্ঠু ব্যাখ্যা প্রত্যাশা করছেন সচেতন মহল।

এ সব বিষয়ে জানতে শাহপরান থানার ওসির মুঠোফোনে কল দিলে তিনি কল ধরেননি।

এই সাইটে নিজম্ব নিউজ তৈরির পাশাপাশি বিভিন্ন নিউজ সাইট থেকে খবর সংগ্রহ করে সংশ্লিষ্ট সূত্রসহ প্রকাশ করে থাকি। তাই কোন খবর নিয়ে আপত্তি বা অভিযোগ থাকলে সংশ্লিষ্ট নিউজ সাইটের কর্তৃপক্ষের সাথে যোগাযোগ করার অনুরোধ রইলো।বিনা অনুমতিতে এই সাইটের সংবাদ, আলোকচিত্র অডিও ও ভিডিও ব্যবহার করা বেআইনি।