রাইজিংসিলেট- সিলেট নগরের কাষ্টঘর সুইপার কলোনিতে হৃদয় কুমার হরিজন হত্যা মামলার প্রধান আসামি আমিন আহমদকে গ্রেপ্তার করেছে স্পেশাল রেসপন্স ব্যাটালিয়ন (এসআরবি)। সোমবার (২ নভেম্বর) সন্ধ্যায় সিলেটের জৈন্তাপুর উপজেলার শুক্রবাড়ি বাজার এলাকায় অভিযান চালিয়ে তাঁকে গ্রেপ্তার করা হয়।
গ্রেপ্তার আমিন আহমদ (৩৫) সিলেটের এয়ারপোর্ট থানার নালিয়া এলাকার বাসিন্দা। তাঁর বাবার নাম শহিদ আহমদ। তিনি এ মামলার এজাহারভুক্ত এক নম্বর আসামি।
এসআরবি সূত্রে জানা যায়, গত ১১ অক্টোবর সন্ধ্যা সাড়ে ৭টার দিকে হৃদয় কুমার হরিজনের বাড়ির সামনে তাঁর স্ত্রীর ছবি ও ভিডিও ধারণ করছিলেন আমিন আহমদ। এ সময় হৃদয় এর প্রতিবাদ করলে আমিন ও তাঁর সহযোগীরা তাঁকে গালিগালাজ করেন এবং দেখে নেওয়ার হুমকি দেন।
এরপর রাত ৮টার দিকে হৃদয়কে কাষ্টঘর সুইপার কলোনির পাশে রাজু স্টোরের বিপরীত দিকের একটি ফাঁকা স্থানে ডেকে নিয়ে যাওয়া হয়। সেখানে তাঁকে ছুরিকাঘাত করা হয়। এতে তাঁর বাম পায়ের হাঁটুর ওপরের সামনের ও পেছনের অংশে গুরুতর আঘাত লাগে।
স্থানীয়রা তাঁকে উদ্ধার করে সিলেট এমএজি ওসমানী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নিয়ে যান। সেখানে রাত সাড়ে ৯টার দিকে চিকিৎসক তাঁকে মৃত ঘোষণা করেন।
এ ঘটনায় নিহতের স্ত্রী বাদী হয়ে কোতোয়ালী মডেল থানায় হত্যা মামলা দায়ের করেন। মামলার পর আসামিদের শনাক্ত ও গ্রেপ্তারে তদন্ত শুরু করে এসআরবি-৯। গোয়েন্দা তথ্যের ভিত্তিতে অভিযান চালিয়ে মামলার প্রধান আসামিকে গ্রেপ্তার করা হয়। পরে তাঁকে আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণের জন্য কোতোয়ালী মডেল থানায় হস্তান্তর করা হয়েছে।
প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উপলক্ষে সিলেট ডায়াবেটিস গলি ইউনিট যুবদলের খাদ্যসামগ্রী বিতরণ
এর আগে গত ১৫ অক্টোবর নরসিংদীর মাধবদী থানার পাঁচদোনা এলাকা থেকে এ মামলার আরও তিন আসামিকে গ্রেপ্তার করে পুলিশ। তাঁরা হলেন বালাগঞ্জের নূরপুর গ্রামের আব্দুল হামিদের ছেলে ইমন আহমেদ (২৬), জালালাবাদ থানার বলাউড়া গ্রামের হরুফ আলী মিয়ার ছেলে রুমান আহমদ সাজ্জাদ (২৫) এবং একই থানার সোনাতলা গ্রামের নুর মিয়ার ছেলে পারভেজ (২২)।
প্রকাশের আগে: আসামিদের পরিচয়, গ্রেপ্তারের তারিখ ও স্থান এবং সংশ্লিষ্ট আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর নাম মূল সংবাদসূত্রের সঙ্গে মিলিয়ে নিন।