রাইজিংসিলেট- ইঞ্জিনিয়ারিং কলেজে শিক্ষার্থীদের আন্দোলন অব্যাহত রয়েছে। দাবি আদায়ে প্রশাসনিক ভবনের সামনে অবস্থান নিয়ে সোমবারও বিক্ষোভ ও স্লোগান দিয়েছেন শিক্ষার্থীরা। আন্দোলনের মধ্যে টানা প্রায় ২৪ ঘণ্টা ধরে প্রশাসনিক ভবনের ভেতরে অধ্যক্ষসহ শিক্ষক ও কর্মকর্তা-কর্মচারীরা অবরুদ্ধ অবস্থায় রয়েছেন।
রোববার সকাল ১১টার দিকে শিক্ষার্থীরা প্রশাসনিক ভবনে তালা লাগিয়ে দিলে ভেতরে অধ্যক্ষ মো. আসাদুজ্জামানসহ ১৪ শিক্ষক এবং ৬ কর্মকর্তা-কর্মচারী আটকা পড়েন। পরে জানালা দিয়ে তাদের খাবার সরবরাহ করা হয়।
অবরুদ্ধ অধ্যক্ষ মো. আসাদুজ্জামান বিষয়টি নিশ্চিত করে জানান, প্রায় ২৪ ঘণ্টা ধরে তারা ভবনের ভেতরে অবস্থান করছেন এবং বিষয়টি সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষকে জানানো হয়েছে।
আন্দোলনরত শিক্ষার্থীদের দাবি, সিলেট ইঞ্জিনিয়ারিং কলেজের একাডেমিক ও প্রশাসনিক—দুই ধরনের কার্যক্রমই শতভাগ শাহজালাল বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের (শাবিপ্রবি) অধীনে নিতে হবে। সিলেটে নানা কর্মসূচির মধ্য দিয়ে বিশ্ব পর্যটন দিবস পালিত
বর্তমানে কলেজটির একাডেমিক কার্যক্রম শাবিপ্রবির অধীনে পরিচালিত হলেও প্রশাসনিক কার্যক্রম পরিচালিত হচ্ছে কারিগরি শিক্ষা অধিদপ্তরের অধীনে। শিক্ষার্থীদের অভিযোগ, প্রশাসনিকভাবে কারিগরি শিক্ষা অধিদপ্তরের অধীনে থাকার কারণে তাদের বিএসসি ইঞ্জিনিয়ারিং ডিগ্রির স্বকীয়তা ও পেশাগত মান নিয়ে সমস্যা তৈরি হচ্ছে।
সোমবার সকাল থেকেই ক্যাম্পাসে বিভিন্ন স্লোগান দিয়ে আন্দোলন চালিয়ে যাচ্ছেন শিক্ষার্থীরা। তারা জানিয়েছেন, দাবি পূরণে কার্যকর পদক্ষেপ না নেওয়া পর্যন্ত আন্দোলন চালিয়ে যাবেন। প্রয়োজনে আরও কঠোর কর্মসূচি দেওয়ার কথাও জানিয়েছেন তারা।
সিলেট জেলা ছাত্রদলের সাধারণ সম্পাদক পদে আলোচনায় হিলাল উদ্দিন শিপু
২০০৭ সালে প্রতিষ্ঠিত সিলেট ইঞ্জিনিয়ারিং কলেজে তড়িৎ ও ইলেকট্রনিক প্রকৌশল, পুরকৌশল এবং কম্পিউটার বিজ্ঞান ও প্রকৌশল বিভাগ রয়েছে। কলেজটির পাঁচটি ব্যাচের শিক্ষার্থীদের বড় একটি অংশ আন্দোলনে অংশ নিচ্ছেন।