ঢাকাThursday , 10 September 2026
  1. অর্থনীতি
  2. আদালত
  3. আন্তর্জাতিক
  4. আরো
  5. খেলার খবর
  6. গণমাধ্যম
  7. চাকরির খবর
  8. জাতীয়
  9. দেশের খবর
  10. ধর্ম পাতা
  11. পরিবেশ
  12. প্রবাস
  13. প্রেস বিজ্ঞপ্তি
  14. বিজ্ঞান প্রযুক্তি
  15. বিনোদন
আজকের সর্বশেষ সবখবর

একের পর এক অ ভি যা ন-গোয়াইনঘাটে মা দ কে র বিরুদ্ধে জিরো টলারেন্স-ওসি

rising sylhet
rising sylhet
September 10, 2026 7:36 pm
Link Copied!

ads

সিলেটের সীমান্তবর্তী উপজেলা গোয়াইনঘাটে মাদক ও চোরাচালানবিরোধী অভিযানে কঠোর অবস্থান নিয়েছে থানা পুলিশ। গত ৩ জুলাই অফিসার ইনচার্জ (ওসি) হিসেবে মো. ওমর ফারুক মোড়ল দায়িত্ব নেওয়ার পর সীমান্তবর্তী বিভিন্ন এলাকায় নজরদারি ও অভিযান জোরদার করা হয়েছে। পুলিশের দাবি, ধারাবাহিক অভিযানের কারণে চিহ্নিত মাদক কারবারি ও চোরাকারবারিদের তৎপরতা অনেকটাই কমে এসেছে।

 

তিনি দায়িত্ব নেওয়ার পর থেকেই মাদক ও চোরাচালানের বিরুদ্ধে ‘জিরো টলারেন্স’ নীতি অনুসরণ করেন। বিশেষ করে জাফলং, তামাবিল, রাধানগরসহ সীমান্তবর্তী ঝুঁকিপূর্ণ এলাকাগুলোতে পুলিশি তৎপরতা বাড়ানো হয়েছে।

 

 

 

ইতোমধ্যে ধানের গোলার নিচে ১,২০৫ বোতল ফেনসিডিল বড় ধরনের মাদক চালান উদ্ধারের দাবি করেছে গোয়াইনঘাট থানা পুলিশ। গত ৬ সেপ্টেম্বর উপজেলার ১ নম্বর রুস্তমপুর ইউনিয়নের পাতনী এলাকায় অভিযান চালিয়ে ১ হাজার ২০৫ বোতল আমদানিনিষিদ্ধ ভারতীয় ফেনসিডিল উদ্ধার করা হয়।পুলিশ জানায়, পাতনী গ্রামের তেরা মিয়ার স্ত্রী কুটিনা বেগমের বসতঘরে বিশেষ কৌশলে মাদকগুলো লুকিয়ে রাখা হয়েছিল। তল্লাশির সময় ঘরের ধানের গোলার নিচ থেকে ফেনসিডিলগুলো উদ্ধার করা হয়। পুলিশের হিসাবে উদ্ধার করা মাদকের আনুমানিক বাজারমূল্য ২৪ লাখ ১০ হাজার টাকা।

 

 

 

এ ঘটনায় ৭ সেপ্টেম্বর গোয়াইনঘাট থানায় মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ আইনে মামলা করা হয়েছে। পুলিশ জানায়, মামলায় গ্রেপ্তার আসামিকে আদালতের মাধ্যমে কারাগারে পাঠানো হয়েছে।

 

 

এবিষয়ে ওমর ফারুক জানান,সীমান্তে বাড়ানো হয়েছে নজরদারি। মাদক পাচারের পাশাপাশি সীমান্ত দিয়ে অবৈধভাবে পণ্য প্রবেশ ঠেকাতেও নজরদারি বাড়ানো হয়েছে। সীমান্তবর্তী বিভিন্ন পয়েন্টে নিয়মিত টহলের পাশাপাশি গোয়েন্দা তথ্যের ভিত্তিতে অভিযান পরিচালনা করা হচ্ছে। চোরাচালান প্রতিরোধে বিজিবির সঙ্গেও সমন্বয় করে কাজ করছে পুলিশ।

ads

 

 

 

তিনি আরও বলেন, সীমান্তবর্তী ভৌগোলিক অবস্থানের কারণে গোয়াইনঘাটে মাদক ও চোরাচালানের ঝুঁকি তুলনামূলক বেশি। এ কারণে নিয়মিত অভিযান ও গোয়েন্দা নজরদারিকে গুরুত্ব দেওয়া হয়। গোয়াইনঘাটকে জনবান্ধব, দালালমুক্ত এবং মাদক ও চোরাচালানমুক্ত থানা হিসেবে গড়ে তোলাই পুলিশের মূল লক্ষ্য।

 

 

তিনি বলেন, মাদক কারবারিরা বিভিন্ন কৌশলে মাদক লুকিয়ে রাখার চেষ্টা করছে। তবে পুলিশের গোয়েন্দা নজরদারি ও অভিযান অব্যাহত রয়েছে। মাদক ও চোরাচালানের সঙ্গে জড়িতদের বিরুদ্ধে আইন অনুযায়ী ব্যবস্থা নেওয়া হবে।পুলিশের ধারাবাহিক অভিযানে স্থানীয় সচেতন মহলও সন্তোষ প্রকাশ করেছেন। তাদের মতে, সীমান্ত এলাকায় মাদক ও চোরাচালান নিয়ন্ত্রণে আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর নিয়মিত অভিযান এবং গোয়েন্দা নজরদারি আরও জোরদার করা প্রয়োজন।

 

 

গোয়াইনঘাটে গত ৩ জুলাই থেকে ১০ সেপ্টেম্বর পর্যন্ত ৬৮ দিনের পুলিশি কার্যক্রমে মাদক ও চোরাচালানবিরোধী তৎপরতা জোরদারের বিষয়টি স্থানীয়ভাবে আলোচনায় এসেছে। তবে এসব অভিযানের দীর্ঘমেয়াদি প্রভাব নির্ভর করবে নিয়মিত নজরদারি, মামলা পরিচালনা এবং সীমান্তে সমন্বিত আইনশৃঙ্খলা কার্যক্রমের ওপর।

এই সাইটে নিজম্ব নিউজ তৈরির পাশাপাশি বিভিন্ন নিউজ সাইট থেকে খবর সংগ্রহ করে সংশ্লিষ্ট সূত্রসহ প্রকাশ করে থাকি। তাই কোন খবর নিয়ে আপত্তি বা অভিযোগ থাকলে সংশ্লিষ্ট নিউজ সাইটের কর্তৃপক্ষের সাথে যোগাযোগ করার অনুরোধ রইলো।বিনা অনুমতিতে এই সাইটের সংবাদ, আলোকচিত্র অডিও ও ভিডিও ব্যবহার করা বেআইনি।