রাইজিংসিলেট- শনিবার (২৮ জানুয়ারি) চার মাস আগের এ হত্যাকাণ্ডের রহস্য উন্মোচনের পর আসামিদের প্রদর্শন শেষে ঘটনাস্থলে সংবাদ সম্মেলনে এসব তথ্য জানান পিবিআই চট্টগ্রামের পুলিশ সুপার নাজমুল হাসান।
দাবি করা পাঁচ হাজার টাকা চাঁদা না দেওয়ায় অটোরিকশাচালক মো. এমরান হোসেনকে ছুরিকাঘাত করে খুন করেন তার সহকর্মী ও সিএনজিচালক সমিতির নেতারা। গত বছরের ৪ সেপ্টেম্বর সীতাকুণ্ড পৌর সদরস্থ ফায়ার সার্ভিস ও সিভিল ডিফেন্স অফিসের পাশে এ হত্যাকাণ্ডের ঘটনা ঘটে। অবশেষে সেই ক্লুলেস হত্যার রহস্য উদঘাটন করল চট্টগ্রাম পিবিআই কর্মকর্তারা।
এর আগে গত ২৫ জানুয়ারি হত্যাকাণ্ডে জড়িত থাকার অভিযোগে সীতাকুণ্ড পৌর সিএনজিচালিত অটোরিকশা মালিক সমিতির সাংগঠনিক সম্পাদক নূর আহম্মদসহ চারজনকে গ্রেপ্তার করা হয়।
গ্রেপ্তার আসামিরা হলেন, জাহেদ হোসেন, নূর আহম্মদ, সাকিব, রানা।
পিবিআই কর্মকর্তা নাজমুল বলেন, গত বছরের ৪ সেপ্টেম্বর সীতাকুণ্ডে ঢাকা-চট্টগ্রাম মহাসড়কের ফায়ার সার্ভিস-সংলগ্ন ইপসা কার্যালয়ের সামনে একরামের অটোরিকশার গতিরোধ করে দুর্বৃত্তরা। এ সময় চালককে গাড়ি থেকে নামিয়ে চাঁদা না দেয়ার পরিণতি বুঝিয়ে দেয়। উপর্যুপরি ছুরিকাঘাত করে তাঁকে সড়কে ফেলে যায় তারা। তাকে উদ্ধার করে হাসপাতালে নিলে চিকিৎসক মৃত ঘোষণা করেন।
ঘটনার পরদিন নিহতের ভাই নুরুল হুদা বাদী হয়ে সীতাকুণ্ড থানায় মামলা করেন। বিষয়টি নিয়ে থানা পুলিশের পাশাপাশি ছায়া তদন্ত করেন পিবিআই চট্টগ্রামের এসআই শাহাদাত হোসেন।
মামলার তদন্ত কর্মকর্তা বলেন, ক্লুলেস এ খুনের রহস্য উন্মোচন করে আসামিদের ঘটনাস্থলে নেয়া হয়। সেখানে তারা কীভাবে একরামকে হত্যা করেছিল, তা উপস্থিত লোকজনকে দেখায়। এর মাধ্যমে মানুষকে একটি বার্তা দেওয়া হয়েছে। খুনি যেই হোক না কেন, ছাড় নেই।
এ বিষয়ে জানতে অটোরিকশা মালিক সমিতির সভাপতি আশরাফুল আলমের মোবাইল ফোনে একাধিকবার কল দিলেও তিনি রিসিভ করেননি।
তবে সংগঠনের অর্থ সম্পাদক শাহা আলম বলেন, বিষয়টি শুনে আমরা হতভম্ব।