জহুরা ইসলাম নাজনীন:: পুলিশও জড়িত!,সিলেট মিরাবাজারের আগপাড়ার মৌসুমী আবাসিক এলাকার ৮৫/বি নং বাসায় হওয়া অসামাজিক কার্যাকলাপে এক পুলিশ সদস্য জড়িত থাকারও তথ্য পাওয়া গেছে। সেই পুলিশ সদস্য স্থানীয়দের গণপিটুনিতে আহত হয়ে বর্তমানে হাসপাতালে গ্রেফতার অবস্থায় চিকিৎসাধীন।
অভিযুক্ত সেই পুলিশ সদস্যের নাম শেখ বেলাল হোসেন সাগর (২৮)। তিনি শিল্পাঞ্চল পুলিশের সিলেট ইউনিটে কনস্টেবল পদে দায়িত্ব পালন করছেন। এসব তথ্য পুলিশের একটি সূত্র নিশ্চিত করেছে।
মৌসুমী আবাসিক এলাকার ৮৫/বি নং বাসার চতুর্থ তলায় এক মাসেরও বেশি সময় ধরে চলছিলো অসামাজিক কার্যকলাপ। বাসাটির মালিক দুদু মিয়া প্রবাসে থাকেন। কিশোরগঞ্জের এক ব্যক্তি বাসার দেখভাল করেন। এ বাসার চতুর্থ তলার ইউনিটটি এক মাস আগে সিলেটের জালালাবাদ থানার বাদাঘাট এলাকার নজরুল ইসলামের স্ত্রী রাবেয়া বেগম (৩১) ভাড়া নেন। ভাড়া নেওয়ার সময় তার স্বামী প্রবাসে আছেন বলে জানান। এরপর থেকেই ওই বাসার চতুর্থ তলায় দিনে-রাতে পুরুষদের আনাগোনা শুরু হয়। ওখানে চলতো অসামাজিক কার্যকলাপ।
মঙ্গলবার (২৪ জানুয়ারি) রাত ৯টার দিকে রাবেয়ার ঘরে হঠাৎ ৭-৮ জন যুবক জোরপূর্বক ঢুকতে গেলে সেখানে অবস্থান করা যুবতী সুলতানা বেগমসহ কয়েকজন ‘ডাকাত- ডাকাত’ বলে চিৎকার শুরু করেন। এসময় স্থানীয় লোকজন এসে তাদের মধ্য থেকে কয়েকজনকে আটক করে পুলিশে খবর দেন। তবে এসময় ৪-৫ জন যুবক পালিয়ে যান। আটককৃতদের মধ্যে একজন ছিলেন পুলিশ সদস্য সাগর।
রাত সাড়ে ৯টার দিকে ঘটনাস্থলে যায় কোতোয়ালি থানাপুলিশ। এসময় স্থানীয়রা এই বাসায় দীর্ঘদিন ধরে অসামাজিক কার্যকলাপ চলছে বলে অভিযোগ করেন। পরে পুলিশ তল্লাশি চালিয়ে এ বাসার বিভিন্ন কক্ষ থেকে অসামাজিক কাজে ব্যবহৃত জিনিসপত্র জব্দ করে পুলিশ।