গত মাসে অর্থাৎ ১২ আগষ্ট সিলেট শহরের রায়নগরে তিন খুনের ঘটনায় সিলেটের কথাকথিত সাংবাদিকরা শুধু মাত্র রায় দেবার বিষয়টি প্রকাশ করতে পারেনি। সুযোগ থাকলে তারা রায়ও দিয়ে দিতো। আমরা ঘটনার বিবরণ না দিয়ে কয়েকটি প্রশ্ন তোলে ধরতে চাই। ঘটনার পর পরই সিলেট মেট্রোপলিটন পুলিশের কমিশনার ও উত্তর জোনের উপ পুলিশ কমিশনার মিলে ঘটনার নেপথ্যে প্রেম কিংবা চুরিকে প্রতিষ্টিত করতে চাইলেন কেনো। তাদের দুজনের বক্তব্যকে হাইলাইট করে প্রচারের জন্য তথাকথিত মিডিয়ার পেছনে ইনভেষ্ট করলো কারা?
তিনখুনের ঘটনায় নিহত স্বামী-স্ত্রীর লন্ডন প্রবাসী মেয়ে সেলিনা সুলতানা ১৪ আগষ্ট কোতয়া-লী থানায় যখন ও সির কাছে মামলা করতে যান তখন তাদের সাথে যে লোক গুলো ছিলো তারা আসলেই কোন পক্ষের লোক? কোতায়ালী থানার মামলা নং ২২ (৮) ২৬ এর এজাহারে সুনিদ্রিষ্ট ভাবে ইম্পালস লিমিটেডের চেয়ারম্যন এডভোকেট সিরাজুল ইসলামের নাম উল্লেখ থাকার পরও প্রাথমিক তথ্য বিবরণীর ফরমে আসামীর নামের কলাম খালি রাখার উদ্দেশ্য কি ছিলো?এজাহারে পুলিশ লাইন লুসাই গির্জা সমিতি একটি গুরুত্বপূর্ণ বিষয় হবার পরও এটাকে গুরুত্বহীন বিবেচনা করা হচ্ছে কেনো?
ইম্পালস বিল্ডার্স লিমিটেডের এডভোকেট সিরাজুল ইসলামের সাথে শেয়ার হোল্ডার হিসেবে কারা রয়েছেন? সেই শেয়ার মায়ার অথবা আদরেরধন রয়েছেন? হোল্ডারদের মধ্যে কোন মন্ত্রীর এছাড়া অন্যান্য শেয়ার হোল্ডার কতজন এরা কারা?
কি তাদের সামাজিক ও রাজনৈতিক পরিচয়? পুলিশ কমিশনার ও উপ পুলিশ কমিশনার এর ভাষ্য মতে খুনের মোটিভ চুরি কিংবা প্রেম হলে, ঘটনার পর অপরাধী কিংবা অপরাধী রা মামলা ও ভূমি সক্রান্ত সকল কাগজ পত্র, জি ডি’র কপি এবং দলিলাদি ঘটনাস্থলের বাসা থেকে নিয়ে গেলো কেনো? পুলিশ এখন পর্যন্ত মামলার এজাহারে দেয়া বিষয় বস্তু গুলোকে কোনো গুরুত্বই দিচ্ছে না। এজাহারে অনেক গুরুত্বপূর্ন বিষয় উল্লেখ রয়েছে যার সঠিক তদন্ত হলে এই তিন খুনের রহস্য উদঘাটনে অনেক সহায়ক হতো, পুলিশ পিয়াজ এিই তিনখুনির বিষয়াতের আই ডির খতিয়ান ভুক্ত অপরাধ হওয়া সত্বেও মামলাটির তদন্ত ধরে রাখতে এস এম পি’র সন্দেহভাজন দুই কর্মকর্তা কেনো নানান অপতৎ-পরতা চালিয়ে যাচ্ছেন?
সবচেয়ে আশ্চর্যের বিষয় হলো অনুসন্ধানী সাংবাদিক হিসেবে পরিচিত মাহবুবুর রহমান রিপন ও উজ্জল মেহেদীর নিরবতা! এই দুই সাংবাদিকের পরিবারিক একটি দুর্বলতাকে পূজিঁ করে কোন পক্ষ তাদেরকে নিরব ভূমিকা পালন করতে বাধ্য করলো? এই তিনখুনের মামলার তদন্তকারী কর্মকর্তা শিপলু চৌধুরীর কাছে জানতে চাওয়া হয়েছিলো মওদুদ ও ফরহাদ বিষয়ক কোনো কানাঘুষা তিনি অবগত আছেন কী না, তিনি বললেন এই দুই নাম তিনি জীবনেও শুনেন নি।
সূত্র – সাপ্তাহিক বাংলার বারুদ