রাইজিংসিলেট- পর্তুগালের নতুন নাগরিকত্ব আইন: পুরোনো আবেদনকারীদের জন্য আগের নিয়মই বহাল। পর্তুগালের নতুন নাগরিকত্ব আইন নিয়ে দেশটিতে বসবাসরত অভিবাসীদের মধ্যে বেশ কিছুদিন ধরেই অনিশ্চয়তা ও নানা প্রশ্ন দেখা দিয়েছিল। বিশেষ করে, নতুন নিয়ম কার্যকর হলে তা আগের আবেদনকারীদের ক্ষেত্রেও প্রযোজ্য হবে কি না- এ নিয়ে উদ্বেগ ছিল অনেকের। এবার এ বিষয়ে আনুষ্ঠানিক ব্যাখ্যা দিয়েছে পর্তুগালের সরকারি সংস্থা ইনস্টিটিউট অব রেজিস্ট্রার অ্যান্ড নোটারি (আইআরএন)।
আইআরএনের ব্যাখ্যা অনুযায়ী, নতুন নাগরিকত্ব আইন কার্যকর হওয়ার পর যেসব আবেদন জমা দেওয়া হবে, শুধুমাত্র সেসব আবেদনেই নতুন নিয়ম প্রযোজ্য হবে। অর্থাৎ, যারা ইতোমধ্যে নাগরিকত্বের আবেদন করেছেন কিংবা যাদের আবেদন বর্তমানে প্রক্রিয়াধীন রয়েছে, তাদের ক্ষেত্রে নতুন নিয়ম কার্যকর হবে না। তাদের আবেদন আগের আইন অনুযায়ীই বিবেচনা করা হবে।
নতুন আইন নিয়ে বিভিন্ন মহলে প্রশ্ন ওঠার পরই এ ব্যাখ্যা সামনে আনে আইআরএন। সংস্থাটি জানিয়েছে, নতুন শর্তগুলো পেছনের তারিখ থেকে কার্যকর করা হবে না। ফলে বর্তমানে চলমান আবেদনকারীরা আগের নিয়ম অনুযায়ীই প্রক্রিয়ার মধ্যে থাকবেন।
বর্তমানে পর্তুগালে বৈধভাবে পাঁচ বছর বসবাসের পর নাগরিকত্বের আবেদন করার সুযোগ রয়েছে। তবে নতুন আইনে অধিকাংশ নন-ইইউ নাগরিকের জন্য এ সময়সীমা বাড়িয়ে ১০ বছর করার প্রস্তাব আনা হয়েছে। অন্যদিকে ইউরোপীয় ইউনিয়নভুক্ত দেশ ও সিপিএলপি তথা পর্তুগিজ ভাষাভাষী দেশগুলোর নাগরিকদের জন্য সময়সীমা সাত বছর নির্ধারণ করা হয়েছে।
নাগরিকত্ব প্রক্রিয়ায় আরও একটি গুরুত্বপূর্ণ পরিবর্তনের কথা বলা হয়েছে নতুন আইনে। আগে অনেক ক্ষেত্রে বসবাসের সময় গণনা আবেদন জমা দেওয়ার সময় থেকে বিবেচনা করা হতো। কিন্তু নতুন নিয়মে রেসিডেন্সি গণনা শুরু হবে রেসিডেন্স পারমিট ইস্যুর তারিখ থেকে। ফলে নাগরিকত্বের জন্য যোগ্য হতে অপেক্ষার সময় আরও দীর্ঘ হতে পারে বলে মনে করছেন অনেক অভিবাসী।
আন্তর্জাতিক নার্স দিবসে সিলেট ইবনে সিনায় আলোচনা সভা
আইআরএনের ব্যাখ্যায় স্পষ্ট করা হয়েছে, যারা ইতোমধ্যে আবেদন জমা দিয়েছেন, তাদের ওপর নতুন সাত বা ১০ বছরের শর্ত প্রয়োগ করা হবে না। অর্থাৎ নতুন আইন কার্যকর হলেও পুরোনো আবেদনকারীদের ক্ষেত্রে আগের আইনই বহাল থাকবে।
সিলেটের বেশ কয়েকটি গুরুত্বপূর্ণ এলাকায় বুধবার বিদ্যুৎ সরবরাহ সম্ভব হবেনা
এদিকে ২০২৬ সালের মে মাসে প্রেসিডেন্ট অ্যান্তোনিও জোসে সেগুরো সংশোধিত জাতীয়তা আইন অনুমোদন করেছেন। তবে আইনটি কার্যকর হওয়ার জন্য এখনো সরকারি গেজেট ‘ডিয়ারিও দ্য রিপাবলিকা’-তে প্রকাশ হওয়া বাকি রয়েছে।