ঢাকাMonday , 3 August 2026
  1. অর্থনীতি
  2. আদালত
  3. আন্তর্জাতিক
  4. আরো
  5. খেলার খবর
  6. গণমাধ্যম
  7. চাকরির খবর
  8. জাতীয়
  9. দেশের খবর
  10. ধর্ম পাতা
  11. পরিবেশ
  12. প্রবাস
  13. প্রেস বিজ্ঞপ্তি
  14. বিজ্ঞান প্রযুক্তি
  15. বিনোদন
আজকের সর্বশেষ সবখবর

সীমান্ত চোরাচালানকে ঘিরে বিতর্ক, জৈন্তাপুর থানার কয়েক কর্মকর্তার বিরুদ্ধে অভিযোগ

rising sylhet
rising sylhet
August 3, 2026 8:32 pm
Link Copied!

ads

সিলেটের সীমান্তবর্তী জৈন্তাপুর উপজেলায় চোরাচালানকে ঘিরে একটি শক্তিশালী সিন্ডিকেট সক্রিয় রয়েছে বলে অভিযোগ উঠেছে। স্থানীয়দের দাবি, এই চক্রের সঙ্গে জৈন্তাপুর মডেল থানার কয়েকজন পুলিশ কর্মকর্তার যোগসাজশ রয়েছে। অভিযোগ অনুযায়ী, সীমান্তের বিভিন্ন পয়েন্ট দিয়ে গভীর রাতে ভারতীয় গরু, মহিষ, সুপারি, কসমেটিকসসহ বিভিন্ন অবৈধ পণ্য এবং চোরাই যানবাহন বাংলাদেশে প্রবেশ করছে।

 

 

 

 

স্থানীয় সূত্রের ভাষ্য, এসব অবৈধ কার্যক্রম নির্বিঘ্নে পরিচালনার জন্য প্রতিদিন বিপুল অঙ্কের অর্থ লেনদেন হয়। অভিযোগ রয়েছে, সীমান্ত পারাপারের তথাকথিত ‘লাইন ফি’ বাবদ প্রতি রাতে প্রায় ৩ থেকে ৪ লাখ টাকা পর্যন্ত থানা পুলিশের ঊর্ধ্বতন পর্যায়ে পৌঁছে দেওয়া হয়।

 

 

 

এ বিষয়ে স্থানীয়দের অভিযোগ, জৈন্তাপুর মডেল থানার উপপরিদর্শক (এসআই) সওকত মাসুদ গরু ও মহিষ চোরাচালান-সংক্রান্ত অর্থ সংগ্রহ ও সমন্বয়ের দায়িত্ব পালন করেন। একইভাবে সহকারী উপপরিদর্শক (এএসআই) গোলাম কিবরিয়ার বিরুদ্ধে ভারতীয় বিভিন্ন অবৈধ পণ্য ও চোরাই যানবাহন চোরাচালান থেকে প্রতিদিন আনুমানিক ১ থেকে ২ লাখ টাকার অনৈতিক লেনদেন পরিচালনার অভিযোগ রয়েছে।

 

 

গরু ও মহিষের লাইন চালানের মাধ্যমে সংগৃহীত এই অর্থ তিনি নিয়মিত ওসির নিকট পৌঁছে দেওয়ার কাজটি সমন্বয় করেন বলে দাবি করা হচ্ছে। একই সাথে ভারতীয় নানা ধরনের অবৈধ মালামাল ও চোরাই যানবাহন চোরাচালানের নিয়ন্ত্রণ রয়েছে সহকারী উপপরিদর্শক (এএসআই) গোলাম কিবরিয়ার হাতে। তিনি প্রতিদিন রাতে আনুমানিক ১ থেকে ২ লাখ টাকার অনৈতিক লেনদেন পরিচালনা করেন বলে সুনির্দিষ্ট অভিযোগ রয়েছে। থানার ভেতরে এই দুই পুলিশ কর্মকর্তা মূলত ওসির বিশেষ ‘ক্যাশিয়ার’ হিসেবে পরিচিতি পেয়েছেন।

ads

 

 

স্থানীয়দের আরও বলেন,থানার অভ্যন্তরে এই দুই কর্মকর্তাকে ওসির ঘনিষ্ঠ হিসেবে দেখা হয়।

 

 

এদিকে, পুরো সিন্ডিকেটের নেপথ্যে জৈন্তাপুর মডেল থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) মাহাবুবুর রহমান মোল্লার পৃষ্ঠপোষকতা রয়েছে বলেও অভিযোগ করেছেন এলাকার সচেতন নাগরিকদের একাংশ। তাদের দাবি, পুলিশের প্রত্যক্ষ বা পরোক্ষ ছত্রছায়ায় সীমান্ত দিয়ে বিপুল পরিমাণ অবৈধ পণ্য দেশে প্রবেশ করছে, ফলে সরকার রাজস্ব হারানোর পাশাপাশি সীমান্ত এলাকায় আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতিরও অবনতি ঘটছে।

 

 

 

সীমান্ত এলাকার সচেতন মহলের দাবি, থানা পুলিশের এই প্রত্যক্ষ ও পরোক্ষ ছত্রছায়ায় প্রতিদিন কোটি কোটি টাকার পণ্য ভারতের সীমান্ত পেরিয়ে বাংলাদেশে ঢুকছে, যার ফলে সরকার বিপুল অংকের রাজস্ব থেকে বঞ্চিত হচ্ছে। পুলিশের নাম ভাঙিয়ে সীমান্ত এলাকার চিহ্নিত চোরাচালানি ও অপরাধী চক্র বেপরোয়া হয়ে ওঠায় পুরো জৈন্তাপুর উপজেলায় আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতির মারাত্মক অবনতি ঘটছে। এলাকার সাধারণ মানুষ ও সচেতন নাগরিকরা অনতিবিলম্বে এ বিষয়ে পুলিশের ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষ এবং দুর্নীতি দমন কমিশনের (দুদক) মাধ্যমে নিরপেক্ষ তদন্ত পরিচালনা করে অভিযুক্ত কর্মকর্তাদের বিরুদ্ধে দৃষ্টান্তমূলক আইনি ও প্রশাসনিক ব্যবস্থা নেওয়ার জোরালো দাবি জানিয়েছেন।

এই সাইটে নিজম্ব নিউজ তৈরির পাশাপাশি বিভিন্ন নিউজ সাইট থেকে খবর সংগ্রহ করে সংশ্লিষ্ট সূত্রসহ প্রকাশ করে থাকি। তাই কোন খবর নিয়ে আপত্তি বা অভিযোগ থাকলে সংশ্লিষ্ট নিউজ সাইটের কর্তৃপক্ষের সাথে যোগাযোগ করার অনুরোধ রইলো।বিনা অনুমতিতে এই সাইটের সংবাদ, আলোকচিত্র অডিও ও ভিডিও ব্যবহার করা বেআইনি।