রাইজিংসিলেট- শরীর সুস্থ রাখতে কোলেস্টেরলের ভারসাম্য বজায় রাখা জরুরি। রক্তে ক্ষতিকর কোলেস্টেরল বা LDL-এর মাত্রা বেড়ে গেলে ধমনিতে চর্বি জমার ঝুঁকি তৈরি হতে পারে। এর ফলে হৃদ্রোগসহ বিভিন্ন জটিলতার আশঙ্কা বাড়ে। তাই সময় থাকতেই খাদ্যাভ্যাস ও জীবনযাপনে পরিবর্তন আনা প্রয়োজন।
বিশেষজ্ঞদের মতে, কোলেস্টেরল নিয়ন্ত্রণের ক্ষেত্রে প্রথমেই নজর দিতে হবে প্রতিদিনের খাবারের দিকে। অতিরিক্ত তেল, চর্বি, ভাজাপোড়া ও প্রক্রিয়াজাত খাবার কমিয়ে খাদ্যতালিকায় শাকসবজি, ফলমূল, ডাল, গোটা শস্য ও আঁশযুক্ত খাবার বাড়ানো যেতে পারে।
সিলেটে বাস-মোটরসাইকেল সং ঘ র্ষে নিহত ফরহাদ
কোলেস্টেরল কমাতে যা করবেন
১. আঁশযুক্ত খাবার বাড়ান
ওটস, ডাল, শাকসবজি, ফল ও অন্যান্য আঁশসমৃদ্ধ খাবার নিয়মিত খাওয়ার অভ্যাস করুন।
২. ভাজাপোড়া ও অতিরিক্ত চর্বি এড়িয়ে চলুন
অতিরিক্ত তেল, চর্বিযুক্ত মাংস, ফাস্টফুড ও অতিরিক্ত প্রক্রিয়াজাত খাবার যতটা সম্ভব কমিয়ে দিন।
৩. নিয়মিত ব্যায়াম করুন প্রতিদিন হাঁটা, সাইকেল চালানো বা বয়স ও শারীরিক সক্ষমতা অনুযায়ী ব্যায়াম করা উপকারী। দীর্ঘ সময় একটানা বসে না থেকে মাঝেমধ্যে চলাফেরা করাও ভালো।
৪. ওজন নিয়ন্ত্রণে রাখুন
অতিরিক্ত ওজন থাকলে ধীরে ধীরে তা কমানোর চেষ্টা করুন। স্বাস্থ্যকর ওজন বজায় রাখা কোলেস্টেরলসহ সামগ্রিক হৃদ্স্বাস্থ্যের জন্য গুরুত্বপূর্ণ।
৫. ধূমপান থেকে দূরে থাকুন
ধূমপান হৃদ্স্বাস্থ্যের ওপর ক্ষতিকর প্রভাব ফেলে। তাই কোলেস্টেরল নিয়ন্ত্রণের পাশাপাশি হৃদ্স্বাস্থ্য ভালো রাখতে ধূমপান পরিহার করা জরুরি।
৬. পর্যাপ্ত ঘুম ও মানসিক চাপ নিয়ন্ত্রণ করুন
নিয়মিত ঘুম এবং মানসিক চাপ কমানোর অভ্যাস স্বাস্থ্যকর জীবনযাপনের গুরুত্বপূর্ণ অংশ।
৭. প্রয়োজনে চিকিৎসকের পরামর্শ নিন
শুধু খাবার ও ব্যায়াম দিয়ে সবার কোলেস্টেরল নিয়ন্ত্রণে নাও আসতে পারে। নিয়মিত পরীক্ষা করে ফলাফল চিকিৎসকের সঙ্গে আলোচনা করা উচিত। প্রয়োজন হলে চিকিৎসকের পরামর্শ অনুযায়ী ওষুধ নিতে হবে।
আমরা জুলাই যু দ্ধা সিলেট জেলা শাখার নেতৃবৃন্দের সুস্থতা কামনায় দরগাহ মসজিদে দোয়া ও মিলাদ মাহফিল
স্বাস্থ্যবার্তা: কোলেস্টেরল নিয়ন্ত্রণে কোনো একক খাবার বা ঘরোয়া উপায়কে নির্ভরযোগ্য চিকিৎসার বিকল্প হিসেবে না দেখে, সুষম খাবার, নিয়মিত শরীরচর্চা ও চিকিৎসকের পরামর্শ—এই তিনটি বিষয়কে গুরুত্ব দিন।