রাইজিংসিলেট- ঋতু পরিবর্তনের সময় আবহাওয়ার ওঠানামার কারণে অনেকের সর্দি, কাশি, নাক দিয়ে পানি পড়াসহ নানা ধরনের সাধারণ সমস্যা দেখা দিতে পারে। এ সময় শরীরের স্বাভাবিক রোগ প্রতিরোধব্যবস্থাকে কার্যকর রাখতে সুষম ও পুষ্টিকর খাবার খাওয়ার দিকে নজর দেওয়া জরুরি।
কোনো একটি খাবার খেলেই রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বেড়ে যায়—এমন নিশ্চয়তা নেই। তবে ভিটামিন, খনিজ ও অ্যান্টিঅক্সিডেন্টসমৃদ্ধ বিভিন্ন খাবার নিয়মিত খাদ্যতালিকায় রাখলে সামগ্রিকভাবে সুস্থ থাকতে সহায়তা করতে পারে। এর মধ্যে উল্লেখযোগ্য পাঁচটি খাবার হলো—
১. কমলা ও অন্যান্য লেবুজাতীয় ফল
কমলা, জাম্বুরা ও লেবুতে ভিটামিন সি রয়েছে। শরীরের স্বাভাবিক রোগ প্রতিরোধব্যবস্থার বিভিন্ন কার্যক্রমে এই ভিটামিন গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখে। নাশতায় কমলা বা জাম্বুরা খাওয়া কিংবা খাবারের সঙ্গে লেবু রাখা সহজ উপায় হতে পারে।
শহীদ জিয়া ও খালেদা জিয়ার মাজার জিয়ারত করেছেন সিলেট জেলা ও মহানগর যুবদল
২. রসুন
রসুনে অ্যালিসিনসহ বেশ কিছু সক্রিয় যৌগ রয়েছে। রান্নায় নিয়মিত রসুন ব্যবহার করার পাশাপাশি সালাদ বা অন্যান্য খাবারেও এটি যোগ করা যায়। এর কিছু উপাদানের জীবাণুর বিরুদ্ধে কার্যকারিতা রয়েছে এবং এটি স্বাস্থ্যকর খাদ্যতালিকার অংশ হতে পারে।
৩. আদা
আদায় রয়েছে অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট ও প্রদাহবিরোধী বৈশিষ্ট্য। গলা অস্বস্তি বা বমি বমি ভাবের মতো কিছু সমস্যায় আদা উপকারী হতে পারে। শীতের সময়ে চা, স্যুপ কিংবা বিভিন্ন রান্নায় আদা ব্যবহার করা যেতে পারে।
৪. দই
দইয়ে থাকা প্রোবায়োটিক বা উপকারী ব্যাকটেরিয়া অন্ত্রের সুস্থতা বজায় রাখতে সহায়তা করে। আর অন্ত্রের স্বাস্থ্য ও শরীরের রোগ প্রতিরোধব্যবস্থার মধ্যে গুরুত্বপূর্ণ সম্পর্ক রয়েছে। সকালের নাশতায় দইয়ের সঙ্গে ফল যোগ করে খাওয়া যেতে পারে।
৫. পালং শাক
পালং শাকে ভিটামিন সি, বিটা-ক্যারোটিনসহ বিভিন্ন পুষ্টি ও অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট রয়েছে। এগুলো শরীরের স্বাভাবিক কার্যক্রমকে সমর্থন করে। পালং শাক সালাদ, স্যুপ বা রান্না করে খাওয়া যেতে পারে।
সৌদি থেকে লাশ হয়ে দেশে ফিরলেন সিলেটের করিম-খালেদ
শুধু খাবার নয়, জীবনযাপনও গুরুত্বপূর্ণ
রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা ভালো রাখতে শুধু কয়েকটি নির্দিষ্ট খাবারের ওপর নির্ভর না করে বৈচিত্র্যময় ও সুষম খাদ্যাভ্যাস গড়ে তোলা জরুরি। পর্যাপ্ত ঘুম, নিয়মিত শরীরচর্চা, পর্যাপ্ত পানি পান এবং পরিচ্ছন্নতার অভ্যাসও সুস্থ থাকার ক্ষেত্রে গুরুত্বপূর্ণ।
তাই ঋতু পরিবর্তনের সময়ে খাদ্যতালিকায় পুষ্টিকর খাবারের বৈচিত্র্য রাখার পাশাপাশি স্বাস্থ্যকর জীবনযাপন অনুসরণ করাই সবচেয়ে ভালো পদ্ধতি।