ঢাকাThursday , 23 July 2026
  1. অর্থনীতি
  2. আদালত
  3. আন্তর্জাতিক
  4. আরো
  5. খেলার খবর
  6. গণমাধ্যম
  7. চাকরির খবর
  8. জাতীয়
  9. দেশের খবর
  10. ধর্ম পাতা
  11. পরিবেশ
  12. প্রবাস
  13. প্রেস বিজ্ঞপ্তি
  14. বিজ্ঞান প্রযুক্তি
  15. বিনোদন
আজকের সর্বশেষ সবখবর

অপরাধ রাজ্যের স ম্রা ট কে এই ইন্তাজ আলী? খুঁটির জোর কোথায়?

rising sylhet
rising sylhet
July 23, 2026 7:41 pm
Link Copied!

ads

কে এই ইন্তাজ আলী? কী তার আসল পরিচয়? কীভাবে তার উত্থান— এমন প্রশ্ন ঘুরপাক খাচ্ছে এখন সিলেটের জৈন্তাপুর উপজেলার সচেতন মহলে। একজন ইউপি চেয়ারম্যান হলেও ইন্তাজ আলী অপরাধ রাজ্যের মুকুটহীন সম্রাটে পরিণত হয়েছেন। চোরাচালানের পাশাপাশি মাদক বাণিজ্যের কারণেই তার এই কুখ্যাতি বলে জানিয়েছেন জৈন্তাপুর উপজেলার ১নং নিজপাট ইউনিয়নের সচেতন মহল। ইন্তাজ আলী এই ইউনিয়নের বর্তমান চেয়ারম্যান।

স্থানীয় অধিবাসীদের কাছ থেকে খবর নিয়ে জানা যায়, ইন্তাজ আলীর দাদা কানাইঘাট উপজেলার উমাগড় এলাকার বাসিন্দা ছিলেন। প্রতি বুধবার জৈন্তাপুর বাজারের হাটের দিনে নানা ধরনের সবজি বিক্রির জন্য আসতেন। পরে আবার পায়ে হেঁটে কানাইঘাটের উমাগড়ে নিজ বাড়িতে ফিরতেন।

আরও পড়ুন— ভিডিও বিতর্কের মধ্যেই ইন্তাজ আলীকে ঘিরে নতুন অ ভি যোগ, নিরপেক্ষ যাচাইয়ের দাবি

প্রায় বছরখানেক এভাবে চলার পর জৈন্তাপুরের আগফৌদ গ্রামের এক হিন্দু ব্যক্তির সঙ্গে তার পরিচয় হয়। তখন ইন্তাজ আলীর দাদা উমাগড়ে তার কষ্টের জীবনযাপনের কথা ওই হিন্দু ব্যক্তিকে জানান। তার কথা শুনে ওই বয়স্ক হিন্দু ব্যক্তি তাকে থাকার জন্য একটি ঘর করার মতো জায়গা দিয়েছিলেন। তখন ইন্তাজের দাদা জানিয়েছিলেন, তার কাছে কোনো টাকা নেই, দয়া-দাক্ষিণ্য করলে পরে পরিশোধ করবেন।

এরপর তিনি উমাগড় থেকে ছেলে-সন্তানদের নিয়ে জৈন্তাপুরের আগফৌদ গ্রামে বসবাস শুরু করেন। সে সময় সংসার চালানোর মতো আর্থিক সামর্থ্য না থাকায় ইন্তাজ আলীর বাবা আলী আহমদ নৌকা চালানোর কাজ শুরু করেন, যাকে সিলেটি ভাষায় ‘নাইয়া’ বলা হয়। নৌকা চালিয়েই তারা জীবিকা নির্বাহ করতেন।

আলী আহমদের ঘরেই জন্ম ইন্তাজ আলীর। তিনি সারীঘাট উচ্চ বিদ্যালয়ে লেখাপড়া শুরু করেন। কিন্তু লেখাপড়ায় আগ্রহ না থাকায় তা ছেড়ে দিয়ে সীমান্তের ওপারে ভারত থেকে গাছ নিয়ে আসার কাজ শুরু করেন। কোনো একদিন বিডিআর কাঠসহ তাকে আটক করলে মুচলেকা দিয়ে নিষ্কৃতি পেয়েছিলেন। পরে সাঙ্গপাঙ্গ নিয়ে জুয়ার ব্যবসা শুরু করেন। আর রাত নামলেই গাঁজা ও মদপানের আসর চালাতে শুরু করেন।

এভাবে চলতে চলতে বেশ কিছু অর্থবিত্ত জমলে কোনো এক শুক্রবারে দুই কেজি জিলাপি নিয়ে পঞ্চায়েতের মসজিদে হাজির হয়ে ইউপি নির্বাচন করার আগ্রহ প্রকাশ করেন। পরে তিনি মেম্বার নির্বাচিতও হন।

আরেকটি কথা খুব প্রচলিত, তিনি গাঁজা ও মদপানের সঙ্গে ক্ষমতার দাপট দেখিয়ে নিজেকে অপ্রতিরোধ্য ভাবতে শুরু করেন। একদিন জোরপূর্বক আগফৌদ গ্রামের বেদন মাস্টারের মেয়ে এবং জৈন্তাপুর তৈয়ব আলী টেকনিক্যাল কলেজের প্রফেসর মরহুম ফয়েজ আহমদ বাবরের বোনকে তুলে এনে বিয়ে করেন। পরে বেদন মাস্টার অনেক কিছু সহ্য করার পর বিষয়টি মেনে নিতে বাধ্য হন।

ads

পরবর্তীতে জৈন্তাপুর উপজেলা আওয়ামী লীগের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক ছিলেন ফয়েজ আহমদ বাবর। আওয়ামী লীগ সরকারের আমলে তিনি এবং তার সহযোগী আওয়ামী লীগ নেতাদের আনুকূল্যে ক্ষমতার প্রভাব খাটিয়ে ইন্তাজ আলী খুব দাপটের সঙ্গে চলাফেরা করতেন। এরপর তিনি ইয়াবা ও গাঁজার ডিলারশিপ পেয়ে যান।

এলাকায় সকলেই জানেন, তার মেয়ে আগফৌদ গ্রামের তারেক নামের এক ছেলের সঙ্গে পালিয়ে যায়। অবৈধ আয়ের টাকা সন্তানদের খাওয়ালে যা হয়, তাই হয়েছে বলে মন্তব্য করছেন স্থানীয়রা।

পরে ইন্তাজ চেয়ারম্যান মেয়ের জামাই তারেককেই ইয়াবা ও গাঁজার ব্যবসার ডিলারশিপ বুঝিয়ে দেন। আর তিনিও তা লুফে নেন। কারণ, তার শ্বশুর উপজেলা বিএনপির সাংগঠনিক সম্পাদক এবং নিজপাট ইউনিয়নের বর্তমান চেয়ারম্যান!

একাধিক সূত্রে জানা যায়, সারীঘাট সুরুচি রেস্টুরেন্টের মালিক সুভাষ দাসের রেস্টুরেন্টে প্রকাশ্যে ভাতের ব্যবসা হলেও অন্তরালে গাঁজা ও ইয়াবার ব্যবসা চলত। আর সেসব পৌঁছে দিতেন ইন্তাজ চেয়ারম্যানের মেয়ের জামাই তারেক। নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক অনেকেই জানিয়েছেন, এ ব্যবসার একটি অংশ ইন্তাজ চেয়ারম্যানের কাছেও যেত।

আরেকটি সূত্র জানায়, জৈন্তাপুর উপজেলার বড় বড় মাদক কারবারের স্থান, জালাল বস্তিসহ বিভিন্ন এলাকায় সবকিছুই ইন্তাজ চেয়ারম্যানের ইশারায় চলত এবং সেগুলো দেখাশোনা করতেন তার মেয়ের জামাই তারেক। এটা ছিল ইন্তাজ চেয়ারম্যানের বড় আয়ের উৎস।

নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক এক নারী জানান, কাবিখার চাল আনতে গেলে ইন্তাজ চেয়ারম্যান তাকে গলা ধাক্কা দিয়ে ফেলে দেন। তার ভয়ে কেউ মুখ খোলে না। বিষয়টি নিজপাট ইউনিয়নের কমবেশি অনেক মানুষের জানা। তিনি মানুষকে গলা ধাক্কা দিয়ে ফেলে দিতেন, পরে বিচারের নামে গরিব মানুষকে হয়রানির শিকার হতে হতো।

আর মেম্বার থেকে চেয়ারম্যান কীভাবে হয়েছিলেন এবং মাস্টার মানিক চেয়ারম্যানের সঙ্গে কী ঘটেছিল..

ভিডিও লিংক— ভিডিও বিতর্কের মধ্যেই চেয়ারম্যান ইন্তাজ আলীকে ঘিরে নতুন অ ভি যোগ, তদন্তের পাশাপাশি বাড়ছে নিরপেক্ষ যাচাইয়ের দাবি,,,

পর্ব ৩- চলমান

এই সাইটে নিজম্ব নিউজ তৈরির পাশাপাশি বিভিন্ন নিউজ সাইট থেকে খবর সংগ্রহ করে সংশ্লিষ্ট সূত্রসহ প্রকাশ করে থাকি। তাই কোন খবর নিয়ে আপত্তি বা অভিযোগ থাকলে সংশ্লিষ্ট নিউজ সাইটের কর্তৃপক্ষের সাথে যোগাযোগ করার অনুরোধ রইলো।বিনা অনুমতিতে এই সাইটের সংবাদ, আলোকচিত্র অডিও ও ভিডিও ব্যবহার করা বেআইনি।