রাইজিংসিলেট- পঞ্চগড়ের তেঁতুলিয়ায় শুরু হয়েছে কাঞ্চনজঙ্ঘা দেখার মৌসুম। শরৎ ও শীতের মেঘমুক্ত আকাশে তেঁতুলিয়া থেকে হিমালয়ের বরফঢাকা এই পর্বতশৃঙ্গ দেখা যায়। ফলে দেশের বিভিন্ন প্রান্ত থেকে প্রকৃতিপ্রেমী ও ভ্রমণপিপাসু মানুষ এখন তেঁতুলিয়ায় ছুটে আসছেন।
তেঁতুলিয়ার সীমান্তঘেঁষা মহানন্দা নদীর তীর ও ডাকবাংলো এলাকা থেকে পরিষ্কার আকাশে কাঞ্চনজঙ্ঘার দৃশ্য উপভোগ করা যায়। সূর্যের আলো পরিবর্তনের সঙ্গে বরফঢাকা পাহাড়ের রঙেও দেখা যায় নানা পরিবর্তন। কখনো উজ্জ্বল সাদা, আবার কখনো লালচে বা কমলা আভায় পাহাড়টি ধরা দেয়। মেঘ ও কুয়াশা থাকলে অবশ্য অনেক সময় পর্বতটি চোখের আড়ালে চলে যায়।
তেঁতুলিয়া থেকে কাঞ্চনজঙ্ঘা দেখতে সবচেয়ে উপযোগী সময় সাধারণত অক্টোবর থেকে শীতকাল পর্যন্ত। এ সময় আবহাওয়া অনুকূলে থাকলে ভোরের দিকে পর্বতশৃঙ্গ দেখার সম্ভাবনা বেশি থাকে।
কাঞ্চনজঙ্ঘা বিশ্বের তৃতীয় সর্বোচ্চ পর্বতশৃঙ্গ। এর উচ্চতা প্রায় ৮ হাজার ৫৮৬ মিটার। এটি নেপাল ও ভারতের সিকিম অঞ্চলের সীমান্ত এলাকায় অবস্থিত। বাংলাদেশের পঞ্চগড় থেকে সরাসরি এই পর্বত দেখা যাওয়ায় তেঁতুলিয়া দীর্ঘদিন ধরেই পর্যটকদের আকর্ষণের অন্যতম কেন্দ্র। ‘সিলেটের ছাদ কৃষি’ গ্রুপের গেট টুগেদার ও বৃক্ষ বিতরণ অনুষ্ঠিত
কাঞ্চনজঙ্ঘার পাশাপাশি তেঁতুলিয়ার মহানন্দা নদী, চা-বাগান, সীমান্ত এলাকার প্রাকৃতিক দৃশ্য এবং বিভিন্ন বাগানও পর্যটকদের আকর্ষণ করছে। শীত মৌসুমকে সামনে রেখে স্থানীয় আবাসিক প্রতিষ্ঠান, গেস্টহাউস ও রিসোর্টগুলোও পর্যটক গ্রহণের প্রস্তুতি নিচ্ছে।
পর্যটকদের নিরাপত্তা ও সুযোগ-সুবিধা নিশ্চিত করতে প্রশাসনের পক্ষ থেকেও বিভিন্ন উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। স্থানীয় প্রশাসনের পাশাপাশি ট্যুরিস্ট পুলিশ পর্যটকদের সহায়তায় কাজ করছে।
ঢাকাসহ দেশের বিভিন্ন এলাকা থেকে ইতোমধ্যে অনেকে তেঁতুলিয়ায় পৌঁছেছেন। আবহাওয়া খারাপ থাকায় কেউ কেউ কাঞ্চনজঙ্ঘার পরিষ্কার দৃশ্য না পেলেও মহানন্দা নদী, কাশবন ও চা-বাগানের প্রাকৃতিক সৌন্দর্য উপভোগ করছেন।
পেস বোলার খুঁজতে আবারও শুরু হতে যাচ্ছে ‘রবি বোলার হান্ট-সিলেট হবে যেদিন
প্রকৃতির অপার সৌন্দর্য আর হিমালয়ের বরফঢাকা শৃঙ্গ দুইয়ের সমন্বয়ে শীত মৌসুমে তেঁতুলিয়া হয়ে ওঠে দেশের অন্যতম আকর্ষণীয় পর্যটন গন্তব্য।