রাইজিংসিলেট- ভ্রমণের পরিকল্পনা এখন অনেকটাই সহজ করে দিয়েছে কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা (এআই)। কোথায় যাওয়া যায়, কোথায় থাকা ভালো, কীভাবে যাতায়াত করা যাবে কিংবা নির্দিষ্ট বাজেটের মধ্যে কীভাবে কয়েক দিনের ভ্রমণ সাজানো সম্ভব সিলেটে জিডিএফ ডিকেফ দৃষ্টি প্রতিবন্ধী বিদ্যালয়ে মুসলিম চ্যারিটি ইউকে’র নেতৃবৃন্দকে সংবর্ধনা প্রদান এসব বিষয়ে কয়েক মুহূর্তেই পরামর্শ দিতে পারে এআইভিত্তিক বিভিন্ন চ্যাটবট।
ধরা যাক, কারও হাতে পাঁচ দিন সময় এবং বাজেট ৫০ হাজার টাকা। তার পছন্দ সমুদ্র, স্থানীয় খাবার ও তুলনামূলক নিরিবিলি পরিবেশ। এসব তথ্য এআইকে দিলে সময় ও বাজেটের সঙ্গে মিল রেখে একটি সম্ভাব্য ভ্রমণসূচি তৈরি করা সম্ভব। প্রয়োজন অনুযায়ী সেই পরিকল্পনায় পরিবর্তনও আনা যায়।
‘সিলেটের ছাদ কৃষি’ গ্রুপের গেট টুগেদার ও বৃক্ষ বিতরণ অনুষ্ঠিত
বিশ্ব পর্যটন দিবস উপলক্ষে পর্যটন খাতে ডিজিটাল প্রযুক্তি ও কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তার ভূমিকা নিয়েও নতুন করে আলোচনা হচ্ছে। বাংলাদেশ ও ভারতসহ বিভিন্ন দেশে ভ্রমণ পরিকল্পনা, গন্তব্য বাছাই এবং ভ্রমণসূচি তৈরিতে এআই ব্যবহারের প্রবণতা বাড়ছে।
তবে ভ্রমণের সব অভিজ্ঞতা এআই দিয়ে আগেভাগে নির্ধারণ করা সম্ভব নয়। আবহাওয়ার কারণে পাহাড়ি কোনো রাস্তার পরিস্থিতি বদলে যেতে পারে, স্থানীয় কোনো চালক হয়তো নিরাপদ সময়ে যাত্রার পরামর্শ দিতে পারেন, আবার হঠাৎ পাওয়া কোনো অপরিচিত পথ বা স্থানীয় মানুষের সঙ্গে পরিচয় হয়ে উঠতে পারে পুরো ভ্রমণের সবচেয়ে স্মরণীয় ঘটনা।
একটি জায়গাকে শুধু দর্শনীয় স্থান হিসেবে দেখার চেয়ে স্থানীয় মানুষের জীবনযাপন ও অভিজ্ঞতার সঙ্গে পরিচিত হওয়াও ভ্রমণের গুরুত্বপূর্ণ অংশ। স্থানীয় খাবারের দোকানের পরিচিতি, কোনো গাইডের মুখে শোনা এলাকার ইতিহাস কিংবা প্রয়োজনের সময় স্থানীয় কারও সহযোগিতা পেস বোলার খুঁজতে আবারও শুরু হতে যাচ্ছে ‘রবি বোলার হান্ট-সিলেট হবে যেদিন৷ এসব অভিজ্ঞতা কোনো নির্দিষ্ট অ্যালগরিদমে পুরোপুরি ধরা কঠিন।
তাই ভ্রমণে এআইকে মানুষের বিকল্প হিসেবে না দেখে সহায়ক প্রযুক্তি হিসেবে ব্যবহার করাই বাস্তবসম্মত। এআই সম্ভাব্য গন্তব্য, রুট, খরচ ও সময়ের একটি কাঠামো দিতে পারে। আর বাস্তব অভিজ্ঞতা, স্থানীয় জ্ঞান ও পরিস্থিতি অনুযায়ী সিদ্ধান্ত নেওয়ার দায়িত্ব থাকবে ভ্রমণকারীর।
প্রযুক্তি ভ্রমণের প্রস্তুতি সহজ করতে পারে, কিন্তু কোনো জায়গার প্রতি মানুষের ভালো লাগা, স্মৃতি ও আবেগই শেষ পর্যন্ত একটি ভ্রমণকে বিশেষ করে তোলে।