জেলা পরিষদের সদস্য পদ হারিয়ে ভূমি দখলে নেমেছেন নারী নেত্রী,দেশীয় অস্ত্রশস্ত্র নিয়ে মহা উৎসবে ঝালকাঠির রাজাপুরে বারবাকপুর গ্রামের মেয়াসাব হুজুরের ওয়াকফ’র জমির পাকা ধান রাতের আঁধারে কেটে নিয়েছে ঝালকাঠির সাবেক জেলা পরিষদ সদস্য নাছরীন সুলতানা মুন্নি’র স্বামী ফারুক ও ফারুকের দুই ভাই মনির এবং ফরিদ। রাজাপুর উপজেলার হাজির হাটখোলা গ্রামের ভূমিদস্যু ফারুক, মনির, ফরিদ, সুলতানের নেতৃত্বে ৩০/৩৫ জনের একটি দল রাতের আধারে এ ধান কাটায় অংশ নেয়।
আওয়ামীলীগ নেত্রী নাছরীন সুলতানা মুন্নি’র জোর খাটিয়ে ভূমি দস্যূতায় মেতেছে এই পরিবারটি। মুন্নি জেলা পরিষদ সদস্য থাকাকালে টেন্ডারবাজি ও কাবিখার বরাদ্দ আত্মসাত করে সম্পদের পাহাড় গড়ে তুলেছেন তিনি ও তার দুই দেবর। গড়েছেন বিলাশবহুল বহুতল বিল্ডিং।
স্থানীয় আওয়ামীলীগ নেতৃবৃন্দের সাথে অসাদচারণের কারনে দলীয় সুপারিশ না পেয়েও স্বতন্ত্র প্রার্থী হিসেবে নির্বাচন করে হেরেছেন মুন্নী। যার ফলে টেন্ডারবাজী বন্ধ থাকায় স্বামী ও দেবররা মিলে ভূমি দখলের মহা উৎসবে মেতেছেন।
ভূক্তভূগীরা স্থানীয় থানায় মামলা করতে গেলে তাদের ভয়ভীতি দেখান। মুন্নির বাসা থানার কাছে হওয়ায় সেখানে তার ক্যাডার বাহিনী দিয়ে পাহাড়া বসিয়েছেন। কেউ থানায় অভিযোগ করতে আসলে আর ফিরে যেতে পারবে না হুমকি দেন।
গোপনসুত্রে জানা গেছে নির্বাচনে হেরে ঢাকায় ফ্লাট বাসা ভাড়া নিয়ে বড় নেতাদের মন রক্ষা করতে নেতাদের বাসায় নারী সাপ্লাইয়ের নতুন ব্যবসা শুরু করেছেন এই মুন্নি। এই বিষয়ে শিগ্রই অনুসন্ধানমূলক প্রতিবেদন প্রকাশ করা হবে।
এ বিষয়ে রাজাপুর থানার অফিসার ইনচার্জ পূলক চন্দ্র রায় জানান, অভিযোগ দায়ের হলে জড়িতদের বিরুদ্ধে যথাযথ ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।